সম্পাদকীয়-২
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বর্জ্য সম্ভাবনাকে কাজে লাগালেও বাংলাদেশ এখনো বহু পিছিয়ে। অথচ বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে হাজার হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব; রয়েছে বায়োফুয়েল উৎপাদনের সম্ভাবনা। সরকারের উচিত- দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সমৃদ্ধির উৎসে পরিণত করা।
, ২৪ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২২ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ২১ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ০৭ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে মহাপরিকল্পনা করছে পতিত সরকার। কিন্তু বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। এ মহাপরিকল্পনা নিয়ে বস্তাবায়ন হলে বিপাকে পড়বে দেশের বিদ্যুৎ খাত। কারণ এতে দেখা গেছে, ২০৪০ সাল নাগাদ শতভাগ আমদানি নির্ভর হয়ে উঠবে দেশের জ্বালানি খাত। ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের জ্বালানিতে বিদেশি নির্ভরতা থাকবে প্রায় ৯২ শতাংশ। যা ২০৪০-এ গিয়ে দাঁড়াবে শতভাগে। অথচ সেই বছর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ৬০ হাজার মেগাওয়াট। যার আবার ৮৪ শতাংশই আসবে প্রধান তিন জ্বালানি গ্যাস, কয়লা এবং তেল থেকে। বিদেশ থেকে জ্বালানি কিনে বিদ্যুৎ তৈরি করতে গেলে বড় চাপ পড়বে অর্থনীতিতে।
বাংলাদেশের আভ্যন্তুরিন বহু উৎস্য রয়েছে যেগুলো থেকে জ্বালানি উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। আর এসব সম্ভাবনাময় উৎসের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ, বায়োবিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ ছাড়াও বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এবং বায়োফুয়েল অন্যতম।
ঢাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এই বিপুল পরিমাণ আবর্জনা রাজধানীর আমিনবাজার ও মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ফেলা হয়। দিন গড়ানোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এই বর্জ্যের পরিমাণ। জাপানি বিশেষজ্ঞ দলের ধারণা আর ১ বছর পর এই ল্যান্ডফিল্ডগুলোতে আর বর্জ্য ফেলা যাবে না। তখন অন্যত্র জায়গা খুঁজতে হবে। কিন্তু ঢাকার আশপাশে এত খালি জায়গা কোথায়? অর্থাৎ বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা না করা হলে, মহাবিপাকে যে পড়তে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ঢাকার বিপুল পরিমাণ বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও এসব উদ্যোগ গতি পাচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে নানা জটিলতায় মূলত থমকে আছে এ উদ্যোগ।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ বর্জ্য সম্ভাবনাকে অবহেলা করলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই উৎসকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানিতে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছে। গ্রিসের পেত্রা শহরে পরিত্যক্ত তরল বর্জ্য থেকে প্রতিদিন ২৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর বর্জ্যরে বিপুল সম্ভাবনাকে ১০০ শতাংশ কাজে লাগায় জার্মানি। জার্মানিসহ ইউরোপের প্রায় দুই মিলিয়ন লোক চাকরি করে এই বর্জ্যভিত্তিক শিল্প-কারখানায়। এ থেকে যে আয় হয় প্রায় ১৪৫ থেকে ১৫০ বিলিয়ন ইউরো বা ১৯০ থেকে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। নাইরোবিতে রয়েছে এই বর্জ্য রিসাইক্লিং করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জৈব সার উৎপাদনের বিশাল শিল্প। সেইসাথে নাইজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইতালিও তাদের বর্জ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বর্জ্য বা আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তর করাই সাম্প্রতিককালের ভাবনা। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার সে বিষয়ে উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে। অথচ আক্বল খাটানো এবং পরিচ্ছন্ন থাকা দুটোই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশেই এ শিক্ষা কাজে লাগানোর সর্বাধিক দাবিদার। বাংলাদেশেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। কিন্তু নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এ প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে না। তাই ফাইলবন্দি না থেকে সত্বর বাস্তবায়নের জন্য আমরা আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমাদের প্রত্যাশা- বিদ্যুৎবান্ধব প্রধান উপদেষ্টা অবশ্যই বর্জ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাকেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখবে।
মূলত, এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অনন্তকালব্যাপী পালন করার ইলম ও জজবা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত মুবারক তথা মুবারক ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী, বাংলাদেশী এনায়েতুর রহমান এ শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীকে বিশেষ সহায়তা করতে চান।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই ছফর শরীফ এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বাআহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সমুদ্র অর্থনীতির সোনালী সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
শিশুর দেহে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্সের ভয়ানক উপস্থিতি
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শীতের সবজি, গ্রীষ্মের ফল, ফসল এখন বর্ষায় অকল্পনীয় বাম্পার ফলন হয়
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












