বন্যা- পানিবদ্ধতা নিরসনে সব সরকারই ব্যর্থ
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
অতিবৃষ্টি, পানিবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান
, ১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বন্যা ও পানিবদ্ধতা মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এরশাদ, সাবেক সরকার এবং বর্তমান বিএনপি সরকার, সব সরকারেরই চরমভাবে ব্যর্থ।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরাসরি বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ, সেচ, নিষ্কাশন ও খাল খনন করা হবে। এর মধ্যে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ ও বন্যা দেয়াল নির্মাণ-মেরামতের টার্গেট আছে।
পরিবেশ বন ও পানিবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলতি অর্থবছরে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এর ৭৫ দশমিক ২ শতাংশ বা ৩৮ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে অভিযোজন খাতে। এই অভিযোজনের মধ্যে আছে- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, বাঁধ নির্মাণ, উপকূলীয় সুরক্ষা ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা।
এ ছাড়া চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পূর্ব প্রস্তুতি, ত্রাণ ও গ্রামীণ অবকাঠামোর জন্য ব্যয় করার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তিন মন্ত্রণালয়ে বন্যা, পানিবায়ু পরিবর্তন ও প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পানিবায়ু অভিযোজন খাতে ৩৮ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই তিন মন্ত্রণালয়ে বন্যা, পানিবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ‘বন্যা প্রতিরোধ’ ধরলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকাই মূল বরাদ্দ। তবে বাঁধ, নদী খনন ও উপকূলীয় বাঁধ- এগুলো সব পানিবায়ু অভিযোজনের অংশ হিসেবেও খরচ হয়।
দৃশ্যত সরকার দেশের বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখে। কোনো কোনো বছর বরাদ্দের হার আগের বছরের চেয়ে বেশিও রাখা হয়। দেখা গেছে, প্রতি বছর গড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয় বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হয়। তবে প্রতি বছর অর্থ ব্যয় ঠিকই হয়, কিন্তু কাজের কাজ কতটা হয়- সেটিই মূল প্রশ্ন। আসলে প্রতি বছর বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যেসব প্রকল্প নেওয়া হয় তা সঠিক পরিকল্পনামাফিক গ্রহণ করা হয় না। আবার প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অনিয়মও হয় অনেক। যে কারণে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখার পরও প্রকল্পের কাজ ঠিকমতো শেষ করা যায় না বা মানসম্পন্ন হয় না। এ ছাড়া দুর্যোগের কবলে পড়া মানুষকে যেসব ত্রাণ দেওয়া হয় সেখানেও নানা অনিয়মের খবর মেলে। মূলত এসব কারণেই অনেক অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও সুফল পান না দেশের মানুষ।
এত বিপুল অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয়ের পরও সামান্য বৃষ্টিতে রাজধানী ঢাকা পানিতে ডুবে যায়। একইভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও পানিবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বাস্তবে এই বিপুল অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হলে স্থায়ী সমাধান অনেক আগেই সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই জনগণের প্রশ্ন, এই অর্থ কোথায় গেল এবং কারা এর সুবিধাভোগী হয়েছে। এ হিসেব দেশের মালিক জনগণকে যথাযথ বোঝাতে হবে। চোরদের চিহ্নিত করতে হবে। শাস্তি দিতে হবে। অর্থ পূনরুদ্ধার করতে হবে। বন্যা নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং মুজাদ্দিদে যামান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নীরব এই মহামারী নিরসনে সরকারের নিস্ক্রিয় ভূমিকা বরদাশতযোগ্য নয়।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২২ শে মুহররমুল হারাম শরীফ! এই মহান দিবসে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম বদদোয়া মুবারকের ফলশ্রুতিতে গযবে পতিত হয়ে পবিত্র কা’বা শরীফ ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে আসা কুখ্যাত আবরাহা বাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এই মহান দিবসে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম বদদোয়া মুবারকের ফলশ্রুতিতে গযবে পতিত হয়ে পবিত্র কা’বা শরীফ ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে আসা কুখ্যাত আবরাহা বাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












