মন্তব্য কলাম
বাড়ছে পরকীয়া, বাড়ছে তালাক সমাজে বাড়ছে কলহ-বিবাদ, শিথিল হয়ে পড়ছে পারিবারিক বন্ধন দ্বীনী মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বৈরিতাই এর মুখ্য কারণ। সরকারের উচিত- জাতীয়ভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শ ও শিক্ষা প্রচার ও প্রসার করে এই সামাজিক সমস্যাটি দূর করা।
, ০৮ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৬ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
দেশে ভয়ানকভাবে বেড়ে গিয়েছে পরকীয়া। স্বামীকে খুন-গুম করছে স্ত্রী, কোথাও স্ত্রীকে স্বামী। পরকীয়ার কারণে আপন মাকে হত্যা করছে সন্তান। ক্ষোভে-অপমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে অনেকে। কেউ আবার সবকিছু জেনেই সামাজিক মর্যাদা আর সংসার টিকিয়ে রাখতে নীরব থাকছে। এসবের মূলেই রয়েছে পরকীয়া। দাম্পত্য সম্পর্কগুলোকে ভেঙে খান খান করে দিচ্ছে এই অনৈতিক সম্পর্ক। উচ্চ বিত্ত থেকে শুরু করে দরিদ্র পরিবারেও আঘাত হানছে সর্বনাশা পরকীয়া।
চট্টগ্রাম মহানগরের ৪১টি ওয়ার্ডে গত বছর তালাকের আবেদন জমা পড়ে ৬ হাজার ৩৮৫টি। এর মধ্যে আবেদন প্রত্যাহার করা হয় ১৪৭টি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তালাক কার্যকর হয় ৬ হাজার ২৩৮টি। প্রতি মাসে গড়ে তালাক কার্যকর হয়েছে ৫২০টি। সমাজ ও আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক-ধর্মীয় অবক্ষয় ও নৈতিক বিপর্যয়ের কারণে দিন দিন তালাকের ঘটনা বাড়ছে। তালাকের চিত্রটি সামাজিক অবক্ষয় তলানিতে পৌঁছার বার্তা দিচ্ছে বলে অভিমত তাদের।
জানা যায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পারিবারিক আদালতে আবেদনের মাধ্যমে তালাক কার্যকর করতে হয়। বর্তমানে চসিকে দুটি আদালত আছে। গত বছর প্রথম আদালতে তালাকের আবেদন জমা পড়ে ২ হাজার ৬৪৮টি, এর মধ্যে প্রত্যাহার করা হয় ৬৪টি। দ্বিতীয় আদালতে আবেদন জমা পড়ে ৩ হাজার ৭৩৭টি, এর মধ্যে প্রত্যাহার হয় ৮৩টি। ২০২৩ সালে প্রথম আদালতে আবেদন জমা পড়ে ২ হাজার ২৫৯টি, প্রত্যাহার করা হয় ৬৫টি। দ্বিতীয় আদালতে আবেদন জমা পড়ে ২ হাজার ৩৩৭টি, প্রত্যাহার করা হয় ৬৫টি। ২০২২ সালে প্রথম আদালতে তালাকের আবেদন জমা পড়ে ২ হাজার ৫৩৪টি, প্রত্যাহার করা হয় ৮১টি এবং দ্বিতীয় আদালতে আবেদন জমা পড়ে ৩ হাজার ৪৪২টি, প্রত্যাহার করা হয় ৭৮টি।
বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিচ্ছেদের অধিকাংশ আবেদন স্ত্রীর পক্ষ থেকে করা হয়। আবেদনের পর সমঝোতার মাধ্যমে সংসার টিকে যাওয়ার ঘটনা মাত্র এক শতাংশ। নারীদের পক্ষে বিচ্ছেদের আবেদনের প্রধান কারণ হলো পরকীয়া, স্বামী মাদকাসক্ত, যৌতুক নিয়ে দ্বন্দ্ব, মতের অমিল, স্বামী-স্ত্রীর আয়ের টাকা নিয়ে বিরোধ, পারিবারিক অশান্তিসহ নানা কারণ। পক্ষান্তরে পুরুষদের আবেদনের প্রধান কারণ পরকীয়া, মেয়ে সন্তান জন্মদানে অসন্তুষ্টি, ঠিকমতো সংসার না করা, স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির কথা না শোনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো।
বর্তমান সমাজে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রায় অনুপস্থিত। বর্তমান প্রজন্মের কাছে মেনে নেওয়ার কিংবা সহ্য করার প্রবণতা নেই বললেই চলে। কেউ কারও কথা শুনতে চায় না, সব সময় ‘আমিই সেরা’ মানসিকতা লালন করে। নিজের মধ্যে আমিত্বই বেশি। সংসারে এসব নেতিবাচক কার্যক্রমের শেষ পরিণতি এবং সমাপ্তি ঘটে তালাকের মাধ্যমে। আমরা মনে করি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, পারিবারিক অস্থিরতা, সামাজিক বন্ধন কমে যাওয়া, যৌথ পরিবারে না থাকা, নারী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ থাকা ও নারীর ক্ষমতায়নসহ নানা কারণে তালাক বাড়ছে। ধর্মীয়-সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই এমনটি হচ্ছে।
এদিকে, সমাজ বিশেষজ্ঞদের অভিমত, মাদকাসিক্ত, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, পরকীয়া, শারীরিক অক্ষমতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিভিন্ন অ্যাপস, স্মার্টফোনের অপব্যবহার, ভুল বোঝাবুঝি, সন্দেহপ্রবণতা, স্বামী প্রবাসী হলে স্ত্রীর শ্বশুরপক্ষের লোকজনের অসহযোগিতা, সন্তান না হওয়া বা ছেলে সন্তান না হওয়া, একাধিক বিয়ের প্রবণতা, দম্পতিদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহনশীলতার অভাব, ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় ইত্যাদি কারণে সংসার ভাঙছে।
অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, রাজধানীতে দিন দিন বেড়েই চলেছে তালাকের ঘটনা। এতে বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। ভেঙে যাচ্ছে সংসার ও পারিবারিক বন্ধন। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবন। গত বছর বিগত বছরের তুলনায় তালাকের ঘটনা ঘটেছে বেশি। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রের বরাবর তালাকের আবেদনের সংখ্যাও বাড়ছে। বছরে যে পরিমাণ তালাকের আবেদন করা হয় তার গড়ে ৭০ শতাংশই স্ত্রীদের। স্বামীদের আবেদন কম।
পরকীয়ার কারণে তৈরী হচ্ছে নানান সামাজিক অপরাধ। এর পরিণতিতে খুন-খারাবি হচ্ছে নিয়মিত। প্রায় প্রতিদিনই পরকীয়ার খুন হচ্ছে মানুষ। এছাড়াও পারিবারিক কলহ বাড়ছে। পারিবারিক নির্যাতন বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদও।
পরকীয়ার কারণে মানুষ এখন শুধু ঘরের বাইরেই নয়, তার আপন মানুষটির কাছেও নিরাপদ নয়। পরকীয়ার কারণে প্রাণহানীর ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ বিভাগের তথ্যানুযায়ী বছরে মোট হত্যাকান্ডের প্রায় ৪০% হয় পারিবারিক কলহ তথা পরকীয়ার কারণে। সেইসাথে পরকীয়ার কারণে বাড়ছে তালাকের সংখ্যাও। গত ছয় বছরে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে অর্ধলাখের বেশি তালাকের আবেদন জমা পড়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতীয় সিরিয়ালের পাশাপাশি বিদেশী বিভিন্ন সিরিয়ালের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার হয়েছে। এইসব সিরিয়ালগুলোতে প্রকাশ্যভাবে পরকীয়াকে একটি বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঘরে ঘরে এখন ডিস পৌঁছে যাওয়ার কারণে ঘরে ঘরেই এসব সিরিয়ালের প্রভাবে দেশের নারীসমাজ ইচ্ছা-অনিচ্ছায় পরকীয়ার সবক নিচ্ছে। এরই পাশাপাশি দেশের শিক্ষা সিলেবাসে পরকীয়ার বিরুদ্ধাচারণ তো নয়ই বরং পরকীয়াকে বৈধ হিসেবে ঢোকানো হচ্ছে সিলেবাসে।
প্রসঙ্গত, পরকীয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা মনগড়া কর্মসূচি গ্রহণ করে সেগুলো মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বলার বিষয় হলো, কোনো কার্যক্রমই কাজে আসবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি পারিবারিক জীবন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে বাস্তবায়িত না হবে। পারিবারিক কলহ দূর করার জন্য প্রতিটি পরিবার হতে হবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চর্চাকেন্দ্র। পারিবারিক কলহ ও বিবাদ দূর করতে সর্বপ্রথম প্রতিটি পরিবারে সম্মানিত ইসলাম ও দ্বীনচর্চার দিকে নজর দিতে হবে। সমাজ ও পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে সম্মানিত ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক অনুসরণ ও অনুকরণ করতে হবে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একমাত্র এ বিষয়টির দিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দৃষ্টি দিয়েছে। পারিবারিক সম্পর্ক রক্ষা ও এর স্থিতিশীলতায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পারিবারিক বন্ধন যেন অটুট থাকে সে ব্যাপারে অসংখ্য দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “তোমাদের মধ্যে উত্তম সে ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম। ” তাই পরিবারের প্রতিটি সদস্য যেন ইসলামিক রীতি-নীতির অনুসরণ করে- রাষ্ট্রযন্ত্রকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
প্রসঙ্গত, আমরা মনে করি সম্মানিত ইসলামী পর্দার বিধান না মানা পরকীয়ার প্রধানতম কারণ। যদি ইসলামী পর্দাপ্রথা সঠিকভাবে মানা হতো, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষ্যমতে- মাহরাম ব্যতীত অন্য কারও সামনে খোলামেলা চলাচল না করা হতো, তাহলে পরকীয়া নামক এ ঘৃণ্য কর্মকান্ডের মাধ্যমে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলো ঘটতো না। তাই শালীনতা ও শুচি-শুভ্রতার প্রতীক পর্দার বিধান মেনে চলতে স্বামী-স্ত্রী সবাইকেই উৎসাহ প্রদান করতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে তথা সরকারকে সে ব্যবস্থা করতে কবে।
পরকীয়া পারিবারিক কলহের মূল কারণ হলো- কাফিরদের অপসংস্কৃতির ঘৃণ্য আগ্রাসন; তা বন্ধ করতে হবে। বিজাতীয় ভিনদেশী অপসংস্কৃতি অরুচিকর সংস্কৃতির কুপ্রভাবই মূলত পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালন থেকে বিরত থাকতে ইন্ধন যোগায়। আক্বীদা বিশ্বাসে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করে। বিশেষ করে পারিবারিক সম্পর্কের ভিত নাড়িয়ে দেয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বিরোধ ও সমস্যা তৈরি করে। অতএব, সমাজ-দেশকে বাঁচাতে, বিশেষত পরিবারগুলোকে কলহমুক্ত রাখতে কাফিরদের অপসংস্কৃতির স্রোত রোধ করতে হবে। জাতীয়ভাবে সরকারকে আর প্রতিটি পরিবারের ক্ষেত্রে পারিবারিক কর্তাব্যক্তিদের জন্য ইসলামী মূল্যবোধ উজ্জীবিত হওয়া অপরিহার্য কর্তব্য।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিজেদেরকে, ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সরকার বলে দাবী করে থাকে। কিন্তু তাদের দাবির বিপরীতে তাদের আচরণ একে অপরের সঙ্গে সাংঘর্ষিত অবস্থানে আছে। তাই সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পক্ষের সরকার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে চায় তাহলে সরকারের জন্য উচিত হবে অনতিবিলম্বে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শ-অনুভূতির সন্নিবেশ ঘটানো। পাশাপাশি দেশ থেকে পাশ্চাত্যের নোংরা সকল অপসংস্কৃতি, ভারতীয় টিভি-সিরিয়াল, পর্ণগ্রাফি, মাদক ইত্যাদির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা এবং রাষ্ট্র থেকে সেগুলো সমূলে উৎখাত করা। যুব প্রজন্মের মধ্যে ইসলামী মানসিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার করা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












