বাংলাদেশে জিএম ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে
, ২১ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৭ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০১ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) আপনাদের মতামত
বাংলাদেশে ইহুদী মালিকানাধীন বহুজাতিক নব্য নীলকর কোম্পানিগুলি গোল্ডেন রাইস এবং বিটিবেগুন এর মতো জেনেটিক্যালী মডিফাইড ফুড আমদানী করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শতকরা ৬৯ ভাগ চাষযোগ্য অনাবাদী জমি রয়ে গিয়েছে। এই জমিগুলি যদি সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে আবাদ করা হয় তবে এমনিতেই প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি ফলন উপহার নিয়ে আসতে পারে। তাহলে কেন নব্য নীলকরেরা বাংলাদেশে নীলচাষের আধুনিক রূপ জি এম ও ফুডের প্রচলন ঘটাতে চাইছে?
অন্য প্রাণীর জিন কৃষিবীজে ঢুকিয়ে জেনেটিক্যাললি মোডিফাইড ফুড বা জিএম ফুডের নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বীজ একবার বাজার দখল করতে পারলে দেশীয় জাতের বীজ চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে। কারণ এর ফসল থেকে বীজ সংগ্রহের কোন উপায় নেই। ফলে দেশীয় প্রজাতির বীজ হারিয়ে দেশের কৃষকরা তাদের ওপর আজীবন নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন। আর জিএম ফুডের বীজের জৈব চরিত্রগত গুন বদলাতে অন্য প্রাণীর জিন ঢোকানো হয় বলে তা মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ ফুড আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন করবে।
মূলত, জিএম শস্য মূলত বীজের বিকৃতির মাধ্যমে করা হয়। বিশেষ করে বীজকে বিশেষ বিশেষ কীটনাশক বা আগাছানাশকের ক্ষেত্রে সহনশীল তৈরি করে পুরো বীজটাকেই বিষাক্ত করে তোলা হয়। বীজের জৈব চরিত্রগত গুণ বদলাতে অন্য প্রাণীর জিন ঢোকানো হয়, যা মানুষের শরীরের জন্যে ক্ষতিকর হতে পারে। জিএম ফুডের কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদিত খাদ্য নিরাপদ কিনা জানার জন্যে মানুষের শরীরে কোন গবেষণা করেনি, শুধু পশুর শরীরে করেছে। তারা তথ্য গোপন করে। যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে ইঁদুরকে বিটি ভুট্টা খাওয়ানোর পর কলিজা, কিডনি নষ্ট হয়েছে, জিএম আলু খেয়ে অন্ত্রনালী নষ্ট হয়েছে। মানুষের শরীরে সরাসরি গবেষণা না করলেও একদা ভারতে বিটি তুলার চাষে কর্মরত কৃষি শ্রমিকদের মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা ধরা পড়েছে। তাদের চামড়া, চোখ এবং শ্বাসযন্ত্রে সমস্যার কারণে অনেক শ্রমিককেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। অথচ সাধারণ তুলা চাষে নিয়োজিত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়নি। জার্মানিতে বিটি ভুট্টা খেয়ে গরু মারা গেছে। এই সব নিয়ে এখন বিস্তর গবেষণা হয়েছে। জেফরি স্মিথের এবহবঃরপ জড়ঁষবঃঃব : ঞযব উড়পঁসবহঃবফ যবধষঃয ৎরংশং ড়ভ মবহবঃরপধষষু সড়ফরভরবফ ভড়ড়ফ’ যারা পড়েছেন, তারা ভয়ে আঁতকে উঠবেন।
-মুহম্মদ আব্দুল জাব্বারিউল আউওয়াল।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












