বাংলাদেশে জিএম ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে
, ০৫ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩০ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) আপনাদের মতামত
বর্তমানে বাংলাদেশে ইহুদী মালিকানাধীন বহুজাতিক নব্য নীলকর কোম্পানিগুলি মার্কিন গমসহ কিছু জেনেটিক্যালী মডিফাইড ফুড আমদানী করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শতকরা ৬৯ ভাগ চাষযোগ্য অনাবাদী জমি রয়ে গিয়েছে। এই জমিগুলি যদি সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে আবাদ করা হয় তবে এমনিতেই প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি ফলন উপহার নিয়ে আসতে পারে। তাহলে কেন নব্য নীলকরেরা বাংলাদেশে নীলচাষের আধুনিক রূপ জি এম ও ফুডের প্রচলন ঘটাতে চাইছে?
...........
যে সব দেশে জি এম শস্য চাষ শুরু হয়েছে, সেই সব দেশের কৃষক ও সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের সয়েল অ্যাসোসিয়েশন ২০০৩ সালে এক সমীক্ষায় দেখিয়েছে জি এম শস্য চাষের ফলে ১৯৯৯ সাল থেকে কৃষি ভর্তুকি ও রফতানি হ্রাস বাবদ আমেরিকার অর্থনীতিতে ১,২০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। জি এম শস্য চাষের ফলে উৎপাদন তো বাড়েইনি বরং অনেক ক্ষেত্রেই তা কমে গেছে। ভারতেও ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে উৎপাদন হ্রাসের কারণে ৩২,০০০ বিটি তুলা চাষি আত্মহত্যা করেছে।
আগাছানাশক সহনশীল শস্য ও বিশেষ পোকা বিনাশকারী বিটি শস্য চাষের ফলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমার পরিবর্তে সমস্ত ক্ষেত্রেই তা বেড়ে গিয়েছে। স্বভাবতই উৎপাদিত শস্যে অধিক পরিমাণে কীটনাশকের অবশেষ থেকে যাচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটছে।
বায়োটেক কোম্পানিগুলির জি এম শস্য চাষের পক্ষে এত প্রচার সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চল নিজেদের জি এম শস্য মুক্ত বলে ঘোষণা করেছে, এখনও করছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানিগুলিও জি এম শস্য বর্জন করেছে। এমনকী, গবাদি পশু ও অন্যান্য প্রাণীরাও জি এম শস্য এড়িয়ে চলছে।
আগাছা সহনশীল জি এম শস্য চাষ করার ফলে সংশ্লিষ্ট জিনটি সম জাতীয় আগাছাতেও ছড়িয়ে পড়েছে এবং সুপার আগাছার উদ্ভব ঘটেছে, যেগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে আরও বেশি পরিমাণে অধিক শক্তিশালী আগাছানাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। বিটি শস্যও কয়েক বছরের মধ্যেই তার পোকানাশক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। সংশ্লিষ্ট শস্যটি বেশি মাত্রায় বিভিন্ন রকম পোকার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। ফলে, প্রকৃতিতে স্বাভাবিক ভারসাম্য বিঘিœত হচ্ছে ও জৈববৈচিত্র হ্রাস পাচ্ছে।
-মুহম্মদ জিল্লুল্লাহ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












