মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশীদের গাজাবাসীর মত অত্যাচার করে ইসরাইলের মত নিপীড়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার হুমকী দিয়েছে বিজেপি নেতা। ড্রোন দিয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ করার হুমকী দিয়েছে বিজেপি নেতা সংসদে দাড়িয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ না করায় মোদীকে সরে যেতে বলেছে আসামের মূখ্যমন্ত্রী -এসবই মিথ্যা আস্ফালন, অলীক কথা, ভয়ঙ্কর বাতুলতা, নিকৃষ্ট বালখিল্যতা “বাংলাদেশ আক্রমণ করলে পাকিস্তানের মিশাইলের মেহমানদারি ভারতের জন্য অপেক্ষা করছে”- পাকিস্তানের এই জবাবই সত্য কথা।
, ১১ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৩ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
গত মে মাসে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকরভাবে
যুদ্ধ বিমান হারিয়ে এবং
হেরেও কান কাটা উগ্রবাদী হিন্দুদের লজ্জা হয় না
অথচ ভারতীয় বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছে
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে ভারত নিজেই টুকরা টুকরা হয়ে যাবে।”
বাংলাদেশ বাঁচবে- বাংলাদেশের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত। ইনশাআল্লাহ!
(২য় পর্ব)
বাংলাদেশ কি পারবে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম ভারতের মতো সামরিক দানবের মুখোমুখি হতে, নাকি ভারত বাংলাদেশকে আক্রমণ করলে নিজেই বিভক্ত হয়ে যাবে। আলাদা হয়ে যেতে পারে সেভেন সিস্টার।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ যা চীনের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৈন্যের অধিকারী দেশ। কিন্তু ভারতের সেনাবাহিনীর একটা বড় অংশ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে। কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশ এবং পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের যাদেরকে আমরা সেভেন সিস্টার হিসেবে জানি সেখানকার বিদ্রোহীদের দমন করতে ভারতসেনাবাহিনীর একটা বিশাল অংশ সেখানে নিয়োজিত আছে। আর তাদেরকে সেখানে থাকতে হবে। তা না হলে সেভেন সিস্টারসহ আরও বেশ কিছু রাজ্য বিভক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সৈন্য সংখ্যা সব কিছু মিলিয়ে সংখ্যা প্রায় সাত লক্ষের কাছাকাছি। যাদের একটা বড় অংশ সবসময় ভারতকে আক্রমণ করার সুযোগ খুঁজতে মুখিয়ে থাকে। আর এতে করে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্ততপক্ষে সেখানে আট লাখ সৈন্য প্রয়োজন।
পাকিস্তান এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ সঙ্কট মোকাবেলা করতেই এখানেই শেষ না ভারতের।অবশ্যই চীনের আগ্রাসন থেকে বাঁচার জন্য তিন লাখ সেনাবাহিনী চীন-ভারত সীমান্তের সব সময় মোতায়েন রাখতে হয়। কিন্তু অবশিষ্ট দুই লাখ সৈন্য নিয়ে ভারত যদি বাংলাদেশে আক্রমণ করতে চায় তবে সেটা ভারতের জন্য কাল হবে।
নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারার মতো হবে। কারণ সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন কোনও দেশকে দখল করতে গেলে সে দেশের শক্তির চাইতে তিনগুণ সৈন্য থাকা প্রয়োজন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যুদ্ধবিমান দিয়ে শত্রুর দেশকে শুধু ধ্বংসই করা যায়। কিন্তু দখল নিতে গেলে অবশ্যই আপনাকে সেখানে মোতায়েন করতে হবে পদাতিক বাহিনী।
আর তাই ভারতের দুই লাখ সৈন্য দিয়ে বাংলাদেশকে দখলে নেওয়া সম্ভব না। কারণ বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সংখ্যা দৃশ্যত হলেও আসলে ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু হলে দেশের ৪০ কোটি মুজাহিদ জাপিয়ে পড়বে ইনশাআল্লাহ। একেবারে কম না। আর তাই বলাই যায়, এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশকে আক্রমণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
তবে এখানে চীন, পাকিস্তান নিজেদের স্বার্থে ভারতকে সীমান্ত থেকে দূরে ব্যস্ত রাখতে বাংলাদেশকে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করার সম্ভাবনা অনেক বেশি, যা ভারতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।
মজার ব্যাপার হল, ভারতের বিমান বাহিনীতে তার রয়েছে বেশ দুর্বলতা। কারণ তাদের পর্যাপ্ত যুদ্ধবিমান আছে ঠিকই কিন্তু লজিস্টিক সহযোগিতা করার সক্ষমতা অতটা নেই। কারণ ভারতীয় বিমানবাহিনীর কাছে মাত্র ১০ টি হেভিওয়েট পরিবহন বিমান এবং ৩০ টা মিডিয়াম ক্যাটাগরির লজিস্টিক বিমান রয়েছে। অথচ ভারতের মতো একটা বিশাল দেশে সৈন্য এবং রসদ মোতায়েন করতেই কিছু ট্রান্সপোর্ট বিমান কোনও ভাবেই যথেষ্ট হবে না।
যেমন ২০২০ সালে চীনের সংঘর্ষের সময় ভারতের ট্রান্সপোর্ট ফ্লাইটের অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে ছিল ভারতের সৈন্য এবং সরঞ্জাম মোতায়েন করতে।এর ফলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে ভারতের বিমান বাহিনীর লজিস্টিক ফ্লাইট কোনো বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে না।
ভারতের জন্য আরো রয়েছে। কারণ ভারতের বেশিরভাগ যুদ্ধবিমান কাউন্টার স্ট্রাইক মিশন পরিচালনা করতে সক্ষম না। হ্যাঁ, ভারতের কাছে আছে ২০০ ৭০ এসি ৩০ ফাইটার। এছাড়া মিগ ২১ এবং জাগুয়ার ফাইটার জেট। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এগুলো বর্তমানের আধুনিক যুগে কিন্তু বেশ পুরনো মডেল।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর একমাত্র কার্যকরী এট্যাক মিশন বিমান হল মিরাজ ২০০০ এবং ডাসাল্ট রাফাল যুদ্ধবিমান। কিন্তু এদের সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। তাছাড়া ডাসাল্ট রাফাল এর মতো যুদ্ধবিমান গুলো কিন্তু বাংলাদেশের ব্যবহার করার মতো সুযোগ নেই। কারণ ভারতের কাছে মাত্র ৩৬ টি রাফাল ফাইটার জেট আছে এবং এগুলো মূলত চীন এবং পাকিস্তানকে মোকাবেলা করার জন্য প্রতিনিয়তই ভারতকে প্রস্তুত রাখতে হয়।
তাই বলাই যায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য বাংলাদেশের ব্যবহার করা যেতে পারে এমন যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নাই বললেই চলে।
ভারতের বিমান বাহিনী একদিকে যুদ্ধবিমানের সঙ্কটে ভুগছে, অন্যদিকে পাকিস্তানের কাছে রয়েছে বিপুল সংখ্যক জেট এবং এফ ১৬ এফ ১৭ যুদ্ধবিমান। যার সামনে ভারতীয় রাফায়েল যুদ্ধবিমান ও যথেষ্ট কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
এদিকে চীনের বিমানবাহিনীর তুলনায় ভারতের বিমানবাহিনীর সামরিক শক্তি অনেক পিছিয়ে। সুতরাং মিরাজ ২০০০ দিয়ে বাংলাদেশে আক্রমণ চালানো ভারতের জন্য অসম্ভব।
ভারতের বিমান মাত্র কয়েকটা স্থানে সাপোর্ট দিতে সক্ষম হবে, যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম। তাছাড়া গ্রাউন্ড স্ট্রাইক মিশনের সিস্টেমের কারণে নিয়মিত যুদ্ধবিমান ধ্বংস হবে। যার ফলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর শক্তি ধীরে ধীরে কমে যাবে।
আর এটা মোটেও এক নয়, বাংলাদেশের সামরিক শক্তি একদম পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশও মিলিটারি শক্তির দিক থেকে যথেষ্ট শক্তিশালী একটা দেশ। তা ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অস্ত্রশস্ত্র ক্রয়ের দিকে মনোযোগী হচ্ছে।
সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে তৈরি করা আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ারের (জিএফপি) ২০২৪ সালের সামরিক শক্তি সূচকে বিশ্বের ১৪৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৩৭তম অবস্থানে রয়েছে। এই সূচকে গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের তিন ধাপ উন্নতি হয়েছে।
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের (জিএফপি) ২০২৪ সালের সামরিক শক্তি সূচকে বিশ্বের ১৪৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৩৭তম অবস্থানে রয়েছে।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার বলছে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে সক্রিয় সৈন্য রয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার। সেনাবাহিনীতে ট্যাংক ৩২০টি এবং সামরিক যান রয়েছে ১৩ হাজার ১০০টি। এছাড়া সেনাবাহিনীতে সেল্ফ প্রোপেলড আর্টিলারি গান (এসপিজি) ২৭টি, মাল্টিপল লঞ্চ রকেট প্রোজেক্টর (এমএলআরএস) যান আছে ৭১টি। বাংলাদেশের নৌবাহিনীতে সক্রিয় সদস্য আছেন ২৫ হাজার ১০০ জন। আর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্রিয় সদস্য রয়েছে ১৭ হাজার ৪০০ জন।
সেই সাথে আপনাকে এটাও মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শক্তিশালী বাহিনী এবং সেই বাহিনীর দেশের যে কোনও বিপদের সময় নিজেদের সবকিছু দিয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত।
এমনকি এটা বললে ভুল হবে না যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং দক্ষতা ভারতীয় সেনাবাহিনীর চাইতেও অনেক এগিয়ে। কারণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৪৩টি দেশে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা লাভ করেছে।
বিপরীতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিকভাবে খুবই সীমিত।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের অধীনে প্রায় অর্ধশতাধিক দেশে সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এতে তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনাবাহিনীর চাইতে অনেকটা বেশিই বলা যায়।
তা ছাড়া পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ক্রয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
বিশেষ করে বিভিন্ন আগ্রাসন মোকাবেলায় বাংলাদেশ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যুদ্ধ ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সমরাস্ত্র সংগ্রহ করছে, যা বাংলাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করবে।
এমনকি বাংলাদেশ তুরস্কের কাছ থেকে বেশ কিছু সংখ্যক বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে অত্যাধুনিক ড্রোন বায়রাক্তার টিবি২ কিনেছে। সেইসাথে সমরাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানো এবং বাইরের দেশ থেকে আধুনিক অস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করছে।
২০৩০ সালের মধ্যে নতুন অস্ত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বহরে যুক্ত হবে, যা বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।
তাছাড়াও বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করতে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গুলোর মধ্যে একটি হলো ট্যাঙ্ক। সম্প্রতি বাংলাদেশ চীন থেকে চুয়ান্ন টা অত্যাধুনিক উভচর ট্যাংক অর্ডার করেছে। পানিতে এবং মাটিতে দুই জায়গাতেই বেশ কার্যকরী ভাবে চলতে পারে এই ট্যাঙ্কগুলো। এমনভাবে তৈরি যা তীব্র স্রোতে অনায়াসেই চলতে পারে। এগুলো বিশেষ ধরনের হামলা চালানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী, যা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শক্তি আরও মজবুত করবে। আর তা ছাড়া চীন ভারতের কাছে এই ট্যাঙ্কগুলো বিক্রিও করবে না।
ভারতের জন্য রয়েছে অশনি সংকেত। কারণ বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধে ব্যস্ত থাকলে চীন এবং পাকিস্তান অবশ্য ভারতের মানচিত্রে আক্রমণ করতে দ্বিধা বোধ করবে না। আর সেভেন সিস্টার আলাদা হওয়ার জন্য তাদের নিরস্ত্র আন্দোলনকে হয়তো সশস্ত্র আন্দোলনের পরিণত করতে পারে।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর দ্বীনদার ব্যক্তির জন্য দ্বীন ইসলামই সবচেয়ে বড়
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ছবি’ ও ‘বেপর্দা’- বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তেল আমদানিতে আমাদের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়, এতে আমাদের রিজার্ভে চাপ পড়ে। সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












