ফসলের একটি অংশ যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে! -এদেশে উপজাতি চৌকিদারকে কেন ‘রাজা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে?
, ১ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৫ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৪ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) আপনাদের মতামত
চৌকিদার ও চৌকিদারনী উভয়ে স্বঘোষিত ‘রাজা ও রানী’ পদবী দাবী করে কোন যুক্তিতে সাধারণ পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে একর প্রতি জুম ফসলের ৪২ পয়সা? এই অধিকার বাংলাদেশের ঠিক কোন আইনে সিদ্ধ? কে দিয়েছে তাদের?
বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি তাই উচ্চকিত চিৎকারে বলি, “এই সমস্ত সন্ত্রাসী সিস্টেম আমি মানিনা।” আমি পাহাড়ে এই রক্তচোষা সমস্ত সন্ত্রাসী সিস্টেমের বিলুপ্তি চাই।
একজন গরীব কৃষক রক্ত পানি করে ফসল ফলান। সেই ফসলের ৪২ পয়সা যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে। ইয়ায়ন ইয়ান সেই অর্থ দিয়ে হাতে উল্কি আঁকে। জেনে রাখো ওটা উল্কি নয় ইয়ান ইয়ান, ওটা পাহাড়ী মুসলিম ভাইয়ের শুকিয়ে কালচে হওয়া রক্ত।
আর আরেকটি ব্যাপার নিয়েও আমার প্রশ্ন, বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের পুরোধারা সমতলে এসে আওয়ামী লীগকে বাকশাল বলে গালি দেয়, বিএনপিকে গালি দেয়। কারণ এই দুই দলই নাকি গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। কিন্তু আশ্চর্য হই- এই বাম পুরোধারা কেন পাহাড়ের কথিত রাজতন্ত্র নিয়ে মুখে ছিপি এঁটে বসে থাকেন “এটি ওদের ইচ্ছে, ওদের পছন্দ” এমন অসাংবিধানিক কথা বার্তা বলে?
কি ভয়ংকর সাংঘর্ষিক চিন্তাধারা!! মানে দাঁড়ায়, সমতলে গণতন্ত্র হালাল আর পাড়াড়ে চলবে কথিত রাজতন্ত্র। তাই তো!! কথায় কথায় সাম্রাজ্যবাদের ভূত, ঈঙ্গ-মার্কিন শক্তির পিন্ডি চটকায় কিন্তু অঞ্চলভেদে ভিন্নরূƒপ সত্যিই অবাক করে।
একটি দেশের দুটি স্থানে দুই রকমে শাসন চলে। আমরা তো এমন একটা সিস্টেমের জন্য আসলে বাংলাদেশকে কল্পনা করিনা। তাহলে এটি মেনে নিতে হবে কেন?
বাংলাদেশের প্রতিটা জেলাতে ক্যান্টনমেন্ট থাকলে, সেনাবাহিনীর অফিস থাকলে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঠিক কি কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থাকবে না? শান্তিবাহিনী, জেএসএস, এরা দশকের পর দশক নিজেরা নিজেদের মেরে রক্তাক্ত করেছে আমার ভালোবাসার পাহাড়, আমার পাহাড়ের ভাইদের, বোনদের। পাহাড়ের কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদাবাজী করছে দেদারসে, অস্ত্রের ঝংকার তুলচে, মাদকের সা¤্রাজ্য গড়ে তুলেছে, আলাদা দেশ চাইছে, আলাদা সরকার চাইছে, ক্রমাগতভাবে এই দেশটাকে তারা দুর্বিষহ করে তুলছে, নিরীহ পাহাড়ী জনতারা তাদের ভয়ে কথা বলতে পারেন না, ব্যবসা করতে পারেন না। অথচ তারপরেও সেখানে আইন শৃংখলা বাহিনী থাকবে না কেন? কে জবাব দেবে তার?
-মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












