SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফতওয়া:%' OR titleBn LIKE '%ফতওয়া:%' OR descriptionEn LIKE '%ফতওয়া:%' OR descriptionBn LIKE '%ফতওয়া:%' OR slug LIKE '%ফতওয়া:%' OR metaTag LIKE '%ফতওয়া:%' OR metaDescription LIKE '%ফতওয়া:%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মতের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছেন
৩য় দলীল
অন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ سَعِـيْدِ ۣ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَحّٰى بِكَـبْشٍ اَقْـرَنَ وَقَالَ هٰذَا عَنِّـىْ وَعَمَّنْ لَّـمْ يُضَحِّ مِنْ اُمَّتِـىْ
“হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শিং বিশিষ্ট একটি দুম্বা সম্মানিত কুরব বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মতের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছেন
১ম দলীল
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন- “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমন একটি শিংওয়ালা দুম্বা আনতে যা কালোতে হাঁটে, কালোতে শোয় ও কালোতে দেখে অর্থাৎ যার পা, পেট ও চোখ সবই কালো। অতঃপর সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িয
৩য় দলীল
তিরমিযী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘তুহফাতুল আহওয়াযীতে’ বর্ণিত রয়েছে-
وَفِىْ رِوَايَةٍ صَحَّحَهَا الْحَاكِمُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَلٰى مَا فِى الْمِرْقَاةِ اَنَّهٗ كَانَ يُضَحِّىْ بِكَـبْشَيْنِ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِكَـبْشَيْنِ عَنْ نَـفْسِهٖ وَقَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَنِىْ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ اَبَدًا فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا فَرِوَايَةُ الْحَاكِمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ هٰذِهٖ مُخَالِفَةٌ لِرِوَايَةِ التِّرْمِذِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَيُمْكِنُ الْجَمْعُ بِاَنْ يُّـقَالَ اِنَّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ا বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িয
পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ দ্বারা অনেক ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা দলীল গ্রহণ করেছেন।
১ম দলীল
যেমন, হযরত আমীনুদ্দীন ইবনে ফিরিশতা যিনি ইবনে মালাক কিরমানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮৫৪ হিজরী) হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন-
يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْحِيَةَ تَجُوْزُ عَمَّنْ مَاتَ
“এই পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যারা ইন্তেকাল করেছেন উনাদের পক্ষ থেকে কুরবানী করা জায়িয।”
২য় দলীল
মিরআতুল মাফাতীহ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
وَالْحَدِيْثُ يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْح বাকি অংশ পড়ুন...
আপত্তিকারীদের তৃতীয় আপত্তি
নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করা যদি ফরয হয়। তাহলে কুরবানী না করলে ফরয তরক করার গুনাহ হবে? হ্যাঁ হবে। সেই জন্য বলা হচ্ছে কেহ একা করতে না পারলে একাধিক জন মিলে যেন করে। তা ১০/২০/৩০/৪০/৫০/৬০/৭০/৮০/৯০/১০০ জন আরো বেশিও হতে পারে। অর্থাৎ প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করতে হবে এমন নয়। তাহলে তো কোনো সমস্যা নেই।
বাকি অংশ পড়ুন...
আপত্তিকারীদের দ্বিতীয় আপত্তি
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ নাকি দ্বয়ীফ। আসলে পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে ইলিম-কালাম না থাকলে যা হয়, সেটাই হয়েছে।
সত্তাগতভাবে কোনো পবিত্র হাদীছ শরীফই দ্বয়ীফ বা দুর্বল নয়। রাবী বা বর্ণনাকারীদের অবস্থার ভিত্তিতে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদগণ এটা একটা পরিভাষা তৈরি করেছেন। সনদের দিক থেকে উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ দ্বয়ীফ মনে হলেও উছূলের মানদ-ে মোটেও দ্বয়ীফ নয়। পবিত্র হাদীছ শাস্ত্রের একটা উছূল হচ্ছে, কোনো হযরত ইমাম মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যেই পবিত্র হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত মুবারক পালন করার আদেশ মুবারক এবং খাছ করে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার আদেশ মুবারক পালন করার হুকুম
২য় দলীল
এছাড়া ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত আদেশ মুবারক সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আবূ নাঈম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বলতে শুনেছি-
اِذَا جَاءَ الشَّىْءُ عَنْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ عَلِىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَـثَـبَتَ فَخُذْ بِـهٖ
“কোনো বিষয় যখন ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররাম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত মুবারক পালন করার আদেশ মুবারক এবং খাছ করে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার আদেশ মুবারক পালন করার হুকুম
১ম দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكُمْ بِسُنَّـتِـىْ وَسُنَّةِ الْـخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ الْمَهْدِيِّـيْـنَ مِنْ بَۢعْدِىْ وَعَضُّوْا عَلَـيْـهَا بِالنَّـوَاجِذِ
“হযরত ইরবাদ্ব ইবনে সারিয়াহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হ বাকি অংশ পড়ুন...
আপত্তিসমূহের জওয়াব
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে যে পবিত্র কুরবানী করা সমস্ত উম্মতের জন্য ফরয, এ মাসয়ালা বা ফতওয়া অনেকে মেনে নিতে পারছে না। তাদের প্রশ্ন হচ্ছে, এটা কিভাবে ফরয হলো? নাঊযুবিল্লাহ!
আপত্তিকারীদের প্রথম আপত্তি
এই আমল মুবারক ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার জন্য খাছ। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে ওছিয়ত মুবারক করেছেন, আদেশ মুবারক করেছেন। অন্যদের জন্য মুস্তাহাব অর্থ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিছ। যার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...












