মন্তব্য কলাম
পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া প্রসঙ্গ বাংলাদেশ এই চতুর্মুখী সামরিক জোটে যোগ দিলে তা মুসলিম বিশ্বের প্রধান দেশগুলোর মধ্যে এক নজিরবিহীন নিরাপত্তা সমন্বয় তথা জোটের আত্মপ্রকাশ হবে ইনশাআল্লাহ।
যা উগ্রবাদী ভারতই শুধু নয় বরং বিশ্ব ডাকাত আমেরিকাকেও পর্যুদস্থ করার ক্ষেত্রে বিশেষ খোদায়ী শক্তিতে পরিনত হবে ইনশাআল্লাহ।
, ২৪ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৬ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ৩৯ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওই যুক্তি অনুযায়ী, সহযোগী কোনও দেশের উপর আক্রমণ নেমে এলে, একযোগে বাকিরা তার মোকাবিলা করবে।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের ২০২৫ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, কোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতির অনুকরণে গঠিত এই কাঠামো জোটকে শক্তিশালী করেছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির খুঁটিনাটি তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, চুক্তি অনুযায়ী, প্রয়োজনে পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারবে সৌদি আরব। একজোট হয়ে শত্রুর মোকাবিলা করবে দুই দেশ। এক দেশের উপর হামলা নেমে এলে, তা অন্য দেশের উপর হামলা হিসেবে ধরা হবে এবং তারা সর্বশক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ঘঅঞঙ-র ৫ নম্বর বিধিতেও এমন নীতি লিপিব্ধ রয়েছে।
এদিকে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক সংবাদ ভাষ্য অনুযায়ী-
আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশকে নিয়ে যেমন ঘঅঞঙ তৈরি হয়েছে, তেমনই পৃথক একটি প্রতিরক্ষা জোট গড়ে তোলার প্রস্তুতি এই মুহূর্তে তুঙ্গে। পাকিস্তান ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে শীঘ্রই যুক্ত হতে চলেছে তুরস্ক। সেই মর্মে চূড়ান্ত পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। শীঘ্রই ওই চুক্তির বাস্তবায়ন ঘটতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে নতুন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হবে, যা পশ্চিম এশিয়া এবং তার বাইরে ক্ষমতার ভারসাম্যকে ইসলাম ও মুসলমানদের পথে চালিত করবে বলে মত মুসলিম বিশেষজ্ঞদের।
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান তার সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের কথা রয়েছে।
রয়টার্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, পাকিস্তান ও সৌদি আরব প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনায় সম্মত হয়েছে। এসব যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদিত।
সম্ভাব্য এই প্রতিরক্ষা জোটকে কেউ কেউ ‘ইসলামিক ঘঅঞঙ’ বলেও উল্লেখ করছেন। এতে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ কাশ্মীর সমস্যার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছে তুরস্ক। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিন ব্যাপী যে ‘সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ’ চলে, তাতে পাকিস্তানকে সাহায্যও করে তারা।
পাকিস্তানকে তারা ৩৫০টি ড্রোন এবং অপারেটরও সরবরাহ করেছিল। ভারতের বিরুদ্ধে তুরস্কের ইধৎুৎধশঃধৎ ঞই২ এবং ণওঐঅ ড্রোন ব্যবহারও করে পাকিস্তান। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের ভিত্তিতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের জন্য যুদ্ধজাহাজও তৈরি করছে তুরস্ক। ঋ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলিকে উন্নততর করে তুলতেও খামতি রাখছে না তারা।
সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহই নয় শুধু, পাকিস্তানি সেনাকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। আঙ্কারার থিঙ্কট্য়াঙ্ক সংস্থা ঞঊচঅঠ-এর কৌশলী নিহাত আলি ওজকান জানিয়েছেন, তুরস্ক এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ এবং পৃথক প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলেছে তারা।
পাকিস্তান পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র, তাদের কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। টাকা জুগিয়ে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করার দায়িত্ব সৌদি আরবের।
আমেরিকা নেতৃত্বাধীন ঘঅঞঙ-রও সদস্য তুরস্ক। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘঅঞঙ-য় নিজেদের সৈন্যসংখ্যা বেশ খানিকটা কমিয়েছে। আর আমেরিকার পরই ঘঅঞঙ-য় সবচেয়ে বেশি সৈনিক রয়েছে তুরস্কের। আমেরিকা এই মুহূর্তে নিজের স্বার্থরক্ষায় উদ্যোগী। এই মুহূর্তে পশ্চিম এশিয়ার যা পরিস্থিতি, তাতে শত্রু ও বন্ধু বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে বিভিন্ন দেশ। সেই পরিস্থিতিতে ‘ইসলামিক ঘঅঞঙ’ বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।
যদি পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তাহলে তা অঞ্চলটির তিনটি বৃহৎ রাষ্ট্রকে এক সুতায় বাঁধবে, যাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে স্বতন্ত্র কৌশলগত শক্তি।
তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব আরব বিশ্বের একমাত্র জি-২০ অর্থনীতি এবং ইসলাম ধর্মের দুই পবিত্রতম স্থান মক্কা ও মদিনার নিয়ন্ত্রক দেশ। পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। আর ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী।
ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা উভয়ই এখন দ্রুতগতিতে বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হচ্ছে। তুরস্ক ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ করেছে।
একই সঙ্গে দেশটি সিরিয়ায় প্রধান সামরিক মিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং লিবিয়ায়ও তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান তার সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপান্তর করার চেষ্টা করছে। গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের কথা রয়েছে।
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যেই খসড়া প্রতিরক্ষা চুক্তির সঙ্গে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে বিমান বাহিনী প্রধানের পাকিস্তান সফরের সময় ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের বিষয় আলোচনা হয়েছে, যা দেশের ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া পাকিস্তান দ্রুত ‘সুপার মুশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সম্ভাব্য জোটের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় ছাড়াও গোপন তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ সামরিক মহড়ার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় এই জোট গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ দিতে পারে।
বাংলাদেশ এই চতুর্মুখী জোটে যোগ দিলে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে একটি নতুন ধরনের নিরাপত্তা সহযোগিতার সূচনা হতে পারে।
এই সহযোগিতা কেবল অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও যৌথ সামরিক মহড়াতেও বিস্তৃত হতে পারে।
বাংলাদেশ এই জোটে যুক্ত হলে- সামরিক প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ, সামরিক সরঞ্জামের যৌথ উৎপাদন-এই তিন ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানের পাকিস্তান সফরকালে জেএফ-১৭ থান্ডার (ঔঋ-১৭ ঞযঁহফবৎ) যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তান বাংলাদেশের জন্য সুপার মুশাক (ঝঁঢ়বৎ গঁংযংযধশ) প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ এই চতুর্মুখী সামরিক জোটে যোগ দিলে তা মুসলিম বিশ্বের প্রধান দেশগুলোর মধ্যে এক নজিরবিহীন নিরাপত্তা সমন্বয় তথা জোটের আত্মপ্রকাশ হবে ইনশাআল্লাহ।
যা উগ্রবাদী ভারতই শুধু নয় বরং বিশ্ব ডাকাত আমেরিকাকেও পর্যুদস্থ করার ক্ষেত্রে বিশেষ খোদায়ী শক্তিতে পরিনত হবে ইনশাআল্লাহ।
সঙ্গত কারণেই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত এক্ষনি এই জোটে শামিল হবার জন্য অগ্রণী হওয়া।
নির্বাচিত সরকারের বাহনায় বিষয়টি বিলম্বিত না করা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












