নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাস্সাম মুবারক উনার মধ্যে যা কিছু ছিলেন, সমস্ত কিছু ছিলেন পূত-পবিত্র থেকে পূত-পবিত্রতম ও মেশক-আম্বরসহ অন্যান্য সুগন্ধি থেকে লক্ষ কোটি গুণ বেশি সুগন্ধিময় এবং যারা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক পান করতে পেরেছেন উনারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ জান্নাতী (৪)
, ১৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন-
وَسَطَعَتْ مِنْهُ رِيْحٌ طَـيِّـبَةٌ لَّـمْ نَـجِدْ مِثْـلَهَا قَطُّ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক) থেকে যেই সুঘ্রাণ মুবারক বের হতেন, আমি সেই ধরণের সুরভি মুবারক অন্য আর কোনো সুগন্ধির মধ্যে পাইনি।” সুবহানাল্লাহ! (শিফা’ শরীফ ১/৬৪)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
وَمِنْهُ شُرْبُ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ دَمَهٗ يَـوْمَ اُحُدٍ وَّمَصُّهٗ اِيَّاهُ وَتَسْوِيْـغُهٗ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ ذٰلِكَ لَهٗ وَقَـوْلُهٗ لَهٗ لَنْ تُصِيْـبَهُ النَّارُ
অর্থ: “হযরত মালিক বিন সিনান রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্পর্কে বর্ণিত আছে। উহুদের সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বর্ম মুবারক উনার মাধ্যমে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইস্তিক্বামত মুবারক (জিহাদে আহত হওয়া শান মুবারক) প্রকাশ করার পর হযরত মালিক বিন সিনান রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার জিহ্বা মুবারক দিয়ে ঐ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রক্ত মুবারক) পান করেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَنْ تُصِيْـبَهُ النَّارُ
‘উনাকে কখনো দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না।’ সুবহানাল্লাহ! (মুস্তাদরাকে হাকিম ৩/৬৩৮, মা’রিফতুছ ছাহাবা লি আবী না‘ঈম ১১/৪৬৮, দারু কুতনী ১/২২৮)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ اَيـْـمَنَ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ) قَالَتْ كَانَ لِرَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ فَخَّارَةٌ يَّـبُـوْلُ فِـيْـهَا فَكَانَ اِذَا اَصْبَحَ يَـقُوْلُ يَا سَيِّدَتَـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ صُبِّـىْ مَا فِى الْفَخَّارَةِ فَـقُمْتُ لَيْـلَةً وَّاَنَا عَطْشٰى فَشَرِبْتُ مَا فِـيْـهَا فَـقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ يَا سَيِّدَتَـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَيْـهَا السَّلَامُ صُبِّـىْ مَا فِـى الْفَخَّارَةِ فَـقَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ قُمْتُ وَاَنَا عَطْشٰى فَشَرِبْتُ مَا فِيْـهَا فَـقَالَ اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আয়মন আলাইহাস সালাম) উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা মাটির পাত্র মুবারক ছিলেন, সেই পাত্র মুবারক-এ তিনি (রাতের বেলায়) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক রাখতেন। যখন সকাল হতো, তখন তিনি বলতেন, ‘হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম! মাটির পাত্র মুবারক-এ যা রয়েছেন, তা আপনি ফেলে দিন।’ একরাতে আমি পিপাসার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠি, ফলে মাটির পাত্রে যা ছিলেন (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক), আমি তা পান করে ফেলি। সুবহানাল্লাহ! তারপর (সকালে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম! মাটির পাত্র মুবারক-এ যা রয়েছেন, তা আপনি ফেলে দিন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি পিপাসার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠেছিলাম, তাই মাটির পাত্র মুবারক-এ যা ছিলেন (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক), আমি তা পান করে ফেলেছি। সুবহানাল্লাহ! তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَـعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
‘নিশ্চয়ই আপনি আজকের পর থেকে চিরকালের জন্য আর কখনও পেটের পীড়ায় ভুগবেন না’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ্ ওয়ান নিহায়াহ্)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তরফ থেকে বিশেষ দাওয়াত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশ
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












