মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খলক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
, ১৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৬ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত
আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খলক্বিল্লাহ্
‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্
আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩০
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মানুষ যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তাদের মতো মনে করে, তাহলে সে জীবনেও বুঝবে না। উনি তো কারো মতো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
اَيُّكُمْ مِثْلِىْ
‘তোমাদের মধ্যে কে আছে আমার মতো?’
لَسْتُ كَاَحَدِكُمْ
‘আমি তোমাদের কারো মতো না।’
তাহলে এর অর্থটা কি? এর অর্থ মানুষ বুঝেনি। সোজা অর্থ ধরেছে- ‘আমি তোমাদের মতো না। আমি রসূল, আমার উপর ওহী মুবারক নাযিল হয়।’
আরে এটা তো কিছুই না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন,
نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَـةِ وَمُـخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ
“আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, উনাদের দ্বারা সম্মানিত খিদমত মুবারক, সম্মানিত রহমত মুবারক উনার ঘর মুবারক এবং সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার খনি মুবারক (ইত্যাদি সমস্ত কিছু) থেকে পবিত্র রেখেছেন, ছমাদ অর্থাৎ বেনিয়ায (অমুখাপেক্ষী) করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে দুররে মানছূর ৬/৬০৬, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ৯/৩১৩৩)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে পবিত্র করেছেন।
তারা যে অর্থ করলো- ‘আমি তোমাদের মতো না। আমি রসূল, আমার উপর ওহী মুবারক নাযিল হয়।’
তাহলে তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হাক্বীক্বত মুবারক কি বুঝলো? বুঝতে পেরেছি কি? বুঝতে পারেনি।
এটা অন্যান্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমসু সালাম উনাদের শান মুবারকে হতে পারে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এ এটা বিষয় না। উনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন উনার উপর ওহী মুবারক নাযিল হয়। এটা হলো আমভাবে নুবুওওয়াত-রিসালাত মুবারক উনার একটা তর্জ-তরীকা। কিন্তু এটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোনো হাক্বীক্বত না। উনার মহাসম্মানিত হাক্বীক্বত মুবারক এর চেয়ে অনেক ঊর্ধ্বে। যেহেতু উনি সরাসরি যিনি খ¦ালিক্ব যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাহলে উনার শান-মান মুবারক কতটুকু? এটা ফিকির করতে হবে। বুঝতেছো এগুলি? হ্যাঁ; বুঝার চেষ্টা করো, ফিকির করো, বুঝবে।
মূল বিষয়টা হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক যদি মানুষ বুঝতে না পারে, তাহলে সে কিছুই বুঝতে পারবে না। সে কোনো রহমত, বরকত, সাকীনাহ্ লাভ করতে পারবে না। তাহলে তার আক্বীদাতে ত্রুটি থাকবে। উনার মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক যদি না বুঝে, তাহলে তার আক্বীদাই শুদ্ধ না। কাফিররা যে বলেছে-
مَالِ هٰذَا الرَّسُوْلِ يَاْكُلُ الطَّعَامَ وَيَمْشِىْ فِى الْاَسْوَاقِ
‘তিনি কেমন রসূল- খাদ্য খান, বাজারে যান?’ না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ: ৭)
তারা এটাই দেখেছে। তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হাক্বীক্বত মুবারক কখনোই বুঝেনি। তাহলে তারা এই শ্রেণির কাছাকাছি। এজন্যই খারিজীগুলি হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত এই ‘পবিত্র নূর মুবারক’ উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা নিয়ে চূ-চেরা করে। এরা বুঝেই না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক হলো, উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন। পবিত্র কুদরত মুবারক আবার কি? এরা জীবনে এগুলি বুঝে না। এরা ইস্তাওয়াই বুঝে না, পবিত্র কুদরত মুবারক বুঝবে কোথা থেকে? যার জন্য এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা অস্বীকার করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! একটা লোক যখন যেটা বুঝে না, তখন সে সেটা অস্বীকার করে। বুঝলে তো সে স্বীকার করতোই। তার বুঝ নেই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে মহাসম্মানিত শান মুবারক, এটা তো সূক্ষ্ম কঠিন বিষয়। এটা না বুঝলে আক্বীদাহ্ কোনো দিন শুদ্ধ হবে না। এটা বুঝতে হবে। এটা বুঝলে আক্বীদাহ্ শুদ্ধ হবে। অন্যথায় কস্মিনকালেও আক্বীদাহ্ শুদ্ধ হবে না। বুঝতেছো?
সুওয়াল: وَتَرٰىهُمْ يَنْظُرُوْنَ اِلَيْكَ وَهُمْ لَا يُبْصِرُوْنَ
“আর আপনি তাদেরকে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবেন; অথচ তারা প্রকৃতপক্ষে দেখতে পায় না।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: ১৯৮)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ কি শুধু কাফিরদের জন্য; না কি সবার জন্য?
জওয়াব মুবারক: সবার জন্যই। যারা অবুঝ, তাদের জন্য। কাফির তো আছেই। সবার জন্যই।
সুওয়াল: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কেউ চিনবে না। সেটা কি সবার জন্যই?
জওয়াব মুবারক: সবার জন্যই। কাফিররা তো চিনেনি; মুসলমানরাই বা চিনলো কোথায়? চিনলে তার মতো বলে কেন? বড় ভাই বলে কেন? তাদের মতো বলে কেন? আর চূ-চেরা করে কেন চিনলে? কোনো দিন চিনবে না এরা। এ কথাটাই আমি বললাম। এরা বুঝে না এগুলি।
সুওয়াল: তাহলে কি জ্ঞানের পরিধিই নেই?
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ; পরিধিই নেই। সেই যোগ্যতাই নেই। ঐযে যেমন বলা হয়েছে,
وَمَثَلُ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا كَمَثَلِ الَّذِىْ يَنْعِقُ بِمَا لَا يَسْمَعُ اِلَّا دُعَآءً وَّنِدَٓاءً. صُمٌّۢ بُكْمٌ عُمْىٌ فَهُمْ لَا يَعْقِلُوْنَ
“আর যারা কাফির তাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে, যেমন- কোনো ব্যক্তি পশুকে ডাকে, যেগুলো আওয়ায ও ডাক ছাড়া আর কিছুই শুনে না। তারা বধির, বোবা ও অন্ধ অর্থাৎ নির্বোধ। তাই, তারা কিছুই বুঝে না।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১৭১)
এরকমই নির্বোধ। নির্বোধ বুঝবে কিভাবে? বুঝবে না। এটা কঠিন বিষয়। আমি তো সেই কথাটাই বললাম।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কাফির মুশরিকদের থেকে দূরে থাকতে এবং তাদেরকেও দূরে রাখার ব্যাপারে নির্দেশ মুবারক
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফতওয়া: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১১)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘গরুর গোস্তে রোগ আছে’ এই সংক্রান্ত বাতিল হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (৮)
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












