নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খন্ডনমূলক জবাব (১৩)
, ৩০ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য বহু ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(৭) বিশিষ্ট ফক্বীহ্, আল আদীব, আল মুর্আরিখ, বদরুদ্দীন হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ হাসান ইবনে উমর ইবনে হাসান ইবনে হাবীব হালাবী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পবিত্র বিছাল শরীফ ৭৭৯ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
فَمَا اَكْرَمُ اَيَّامِ مَوْلِدِهِ الشَّرِيْفِ عِنْدَ مَنْ عَرَفَ قَدْرَهَا وَمَا اَعْظَمُ بَرَكَتِهَا عِنْدَ مَنْ عَرَفَ سِرَّهَا وَنَشْرَهَا وَحَقِيْقٌ بِيَوْمٍ كَانَ فِيْهِ وُجُوْدُ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ يَّتَّخِذَ عِيْدًا
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক উনার ক্বদর যে ব্যক্তি বুঝেছেন, উনার নিকট সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক কতই না মর্যাদাসম্পন্ন! আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক উনার তাৎপর্য এবং বিস্তৃতি যে ব্যক্তি জানতে পেরেছে, তার নিকট সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক কতই না সুমহান! আর যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল কুদরত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওজূদ পাক মুবারক) উনার প্রকাশ ঘটেছেন, সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক উনার হক্ব হচ্ছেন ঐ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা। ” সুবহানাল্লাহ! (আল মুক্বতাফা মিন সীরাতিল মুস্ত¡ফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১/৩২)
(৮) হাফিয আল্লামা মুহম্মদ ইবনে ইঊসুফ ছালিহী শামী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পবিত্র বিছাল শরীফ ৯৪২ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ পাঠকের উপর রহম করুন! যিনি পাঠ করেছেন,
يَا مَوْلِدَ الْمُخْتَارِ اَنْتَ رَبِيْعُنَا * * بِكَ رَاحَةُ الْاَرْوَاحِ وَالْاَجْسَادِ
يَا مَوْلِدًا فَاقَ الْمَوَالِدَ كُلَّهَا * * شَرَفًا وَسَادَ بِسَيِّدِ الْاَسْيَادِ
لَا زَالَ نُوْرُكَ فِى الْبَرِيَّةِ سَاطِعًا * * يَعْتَادُ فِىْ ذَا الشَّهْرِ كَالْاَعْيَادِ
فِىْ كُلِّ عَامٍ لِلْقُلُوْبِ مَسَرَّةٌ * * بِسَمَاعِ مَا نَرْوِيْهِ فِى الْمِيْلَادِ
‘হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ওজূদ পাক মুবারক! আপনি আমাদের বসন্তকাল, আপনার মাধ্যমে সমস্ত রূহ এবং জিসিম প্রশান্তি লাভ করে। হে মহাসম্মানিত বরকতময় ওজূদ পাক মুবারক! আপনার মর্যাদা সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে। আপনার কর্তৃত্ব মুবারক সমস্ত সৃষ্টির উপরে। আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সেই মাস মুবারক-এ প্রত্যেক অন্তর প্রতি বছর ঈদসমূহের ন্যায় হামদ, না’ত, ক্বাছীদাহ্, কবিতার মাধ্যমে খুশি প্রকাশে অভ্যস্ত হয়। যা আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মীলাদ শরীফ সম্পর্কে বর্ণনা করি। ” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১/৩৬৮)
(৯) হযরত ইমাম কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে মাহমূদ নাহ্রাওয়ানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পবিত্র বিলাদত শরীফ ৯১৭ হিজরী শরীফ : পবিত্র বিছাল শরীফ ৯৯০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
فِىْ سَنَةِ اِحْدٰى وَسَبْعِيْنَ وَسِتَّمِائَةٍ اَمَرَ السُّلْطَانُ يُوْسُفُ بْنُ يَعْقُوْبَ بْنِ عَبْدِ الْحَقِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ بِعَمَلِ الْمَوْلِدِ النَّبَوِىِّ وَتَعْظِيْمِهٖ وَالْاِحْتِفَالِ بِهٖ وَصَيَّرَهٗ عِيْدًا مِّنَ الْاَعْيَادِ فِىْ جَمِيْعِ بِلَادِهٖ وَذٰلِكَ فِىْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ مِنَ السَّنَةِ الْمَذْكُوْرَةِ
অর্থ: “সুলত্বান ইঊসুফ ইবনে ইয়া’কূব ইবনে আব্দুল হক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৬৭১ হিজরী শরীফ-এ মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার, উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার এবং উনার সম্মানার্থে সম্মানিত মাহফিল মুবারক করার নির্দেশ মুবারক দেন। আর তিনি উনার সারা দেশে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিবস মুবারক উনাকে ঈদসমূহ উনাদের মধ্য থেকে (বিশেষ) ঈদ হিসেবে পালন করেন। এটা ছিলো উল্লেখিত বছর (৬৭১ হিজরী শরীফ) উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) মাসে। ” সুবহানাল্লাহ! (আল ইস্তিক্বছা’ লি আখবারি দুওয়ালিল মাগরিবিল আক্বছা ২/৪৩)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আবূ আহমাদ ছিদ্দীক্বাহ্।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তরফ থেকে বিশেষ দাওয়াত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশ
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত বুছা মুবারক দেয়া
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা, কুবরা বা মূল, বড়, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারও মূল
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












