আপনাদের মতামত
নিরাপত্তায় ব্যর্থ সিসি ক্যামেরা; নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রহরীর বিকল্প নয়
, ১৩ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৩ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ১২ মে, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) আপনাদের মতামত
আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করার অজুহাতে সরকারিভাবে রাজধানীজুড়ে হারাম ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে রাজধানীর বহুতল ভবনগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য ভবন মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি কোনো ভবন থেকে ককটেল বা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে তার দায়ও ভবন মালিকদেরই নিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সিসিটিভি ও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চুরি-ডাকাতি, হত্যাকা- ইত্যাদি অপরাধ ঠেকানো যায় না। তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধ ঠেকাতে হলে ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সৎ নিরাপত্তা কর্মী; যেমন- আনসার, পুলিশ, সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী ইত্যাদি নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন।
সিসি ক্যামেরাটিকে কেউ ঘুরিয়ে রাখলে বা কোন কারণে ঘুরে গেলে টার্গেট স্পট ভিডিও হবে না, বৈদ্যুতিক তার কেটে দিলে সেটা অকার্যকর হয়ে যায়।
তাছাড়া সিসি ক্যামেরা অপরাধজনিত ঘটনাসমূহের চিত্র ধারণ করতে পারলেও এতে তাৎক্ষণিক অপরাধ ঠেকানো যাচ্ছে না। সেটা একমাত্র সম্ভব যদি সেখানে পুলিশ বা নিরাপত্তা প্রহরী থাকে। সুতরাং কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নিরাপত্তার অজুহাতে হারাম সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কোনো যৌক্তিকতা নেই, বরং এতে অপরাধ দমনে, পরিশ্রম ও সাহসিকতায় প্রশাসনের দুর্বলতা প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য, সিসিটিভি ক্যামেরা অপরাধ দমনে সহায়ক- এ বিশ্বাস নিয়েই ব্রিটেন সরকার বিলিয়ন বিলিয়ন পাউন্ড ব্যায় করে দেশজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলো। কিন্তু বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করে ব্রিটেনের পুলিশ প্রশাসন একটি তথ্য প্রতিবেদন রিপোর্ট প্রদান করেছিলো। সেখানে তারা উল্লেখ করেছে, ইউরোপে বিশাল বাজেট খরচ করেও স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। লন্ডনের সড়ক ডাকাতি সংক্রান্ত অপরাধের মাত্র ৩ শতাংশ ঘটনার অর্থাৎ ১০০টি অপরাধের মাত্র ৩টির সাক্ষ্য দিচ্ছে মাত্র। এতে অপরাধ দমন হচ্ছে না। (তথ্যসূত্র: দি গার্ডিয়ান, ৬ মে ২০০৮খৃ.)
-মুহম্মদ ইবরাহীম সোহেল।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












