দ্বীন ইসলাম বিরোধী এ শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে
, ২৪ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২১ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ০৫ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) আপনাদের মতামত
রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক ও অবশ্য পাঠ্য হিসেবে সমস্ত শ্রেণীর মূল বই হিসেবে সিলেবাস প্রণয়ন করে। সেখানে কোনো শিক্ষার্থী সব বিষয়ে ভালোভাবে পাস করলেও কমুনিজমে ফেল করলে তাকে অনুত্তীর্ণ করা হতো।
পাঠক! কট্টর যুলুমবাজ নাস্তিক সমাজতান্ত্রিক কমুনিস্টরা এতকিছু করার পরও তারা তাদের পতন ঠেকাতে পারেনি। কঠিন আযাব-গযবে তারা টুকরো-টুকরো হয়ে গেছে। এটাই স্বাভাবিক- কারণ তারা না-হক্ব। অথচ মুসলমান হক্ব হওয়ার পরও ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই দেশের শিক্ষানীতিতে ইসলামের চিহ্নটুকুও রাখতে পারেনি। বরং হিন্দু মুশরিক, নাস্তিক, মুরতাদ ও ইসলাবিরোধী লেখনীতেই পরিপূর্ণ হয়ে আছে মুসলমান দেশের সিলেবাস। প্রথম শ্রেণী থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত যেভাবে ধারাবাহিকভাবে কুফরীকে প্রাধান্য দিয়ে সিলেবাস সাজানো হয়েছে, তার পরিণতি ইতোমধ্যে ফলতেও শুরু করেছে। যদ্দরুন আজ দেশের মুসলিম যুব সমাজ সীরত-ছুরত, আচার-আচরণ আর সংস্কৃতিতে হয়ে গেছে হয় হিন্দু, নয়তো নাস্তিক, নয়তো ইহুদী-খ্রিস্টান। নাউযুবিল্লাহ!
বড়ই আফসুস! কাফির-মুশরিকদের থেকেও শিক্ষা নিতে পারলো না মুসলমানগণ। বরং তাদের চেয়েও চরম অপদার্থ ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে মুসলমানরা। কিন্তু এভাবে আর চলতে দেয়া যেতে পারে না। এভাবে চলতে থাকলে এই বাংলার যমীনকে গ্রাস করে নিবে হিন্দু, মুশরিক ও নাস্তিক মুরতাদদরা। তখন আফসুস করা ছাড়া আর উপায় থাকবে না। সেই ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সালের প্রায় দুশ বছরের ব্রিটিশ লুটেরাদের অধীনে থেকে যেভাবে যুলুম-নির্যাতন আর পরাধীনতার গ্লানি সহ্য করতে হয়েছে সেভাবেই হিন্দু মালউনদের গোলামী ছাড়া ভিন্ন কোনো উপায় থাকবে না। নাউযুবিল্লাহ!
তাই এই কুফরী শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ, আন্দোলন করার এখনই মোক্ষম সময়। দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের দাবি না মেনে কোনো সরকারই ক্ষমতায় থাকতে পারেনি, পারবে না। ইনশাল্লাহ!
-মুহম্মদ রিয়াসাত পারভেজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












