৭১ এ জামাত স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো, ৭১ এ আমেরিকা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছিলো
দুই শক্তির পথচলা এক। গুঞ্জন চলছে আমেরিাকা জামাতকে ক্ষমতায় এনে বাংলাদেশকে লিবিয়া, সিরিয়া, ইরাকের মত করতে চায়
জামাতের আমীর তাই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে উচ্ছাস প্রকাশ করে .কিন্তু সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির সরকার কী করে? সংসদ ভবনে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালন, পতাকা উত্তোলন অনুমোদন করে?
, ২১ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৮ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
গত ৪ঠা জুলাই ইয়াওমুস সাবত জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদান করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর।
শফিক বলেছে, আমেরিকা দীর্ঘ সময়ে ধরে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকা স্পষ্টতই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। ৪. মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তথা পাকিস্তানের পক্ষে। সুতরাং সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাদের পতাকা উড়বে- এটা যেমন বরদাশতযোগ্য নয় তেমনি স্বাধীনতা বিরোধী পরাশক্তির সাথে রাজাকার দলের নেতার একাত্মতা কোনো আশ্চর্যের বিষয় নয়। বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং এক ক্ষুরে মাথা কামানোর মতই অবস্থা।
রাজনীতির বিশ্লেষকরা বহুদিন ধরেই গুঞ্জন করছেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় বসাতে চায়। কারণ ছোট দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তারা একটা নীতি ফলো করে সেটা হচ্ছে মৌলবাদী রাজনৈতিক দলগুলোকে তারা টার্গেট করে এবং বিভিন্ন ছলেবলে কৌশলে তাদেরকেই ক্ষমতায় বসায়। এতে দেশ অস্থিতিশীল হয়ে যায় ফলে তারা সুন্দর করে বিভিন্ন এনজিও নামক দোকান দিয়ে তারাই অদৃশ্য ভাবে কন্ট্রোল করে।
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপের যেসব গুঞ্জন রয়েছে, সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশের সংসদ ভবন চত্বরে আমেরিকার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাকে নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা বা শুধুই দুই দেশের সম্পর্কের বিষয় বলে ভাবার সুযোগ নেই। বরং এর পেছনে কোনো বিশেষ দূরভিসন্ধি কিংবা সুদূর প্রসারী কুট পরিকল্পনার কথা সহজেই আচ করা যায়।
প্রসঙ্গত ১৯৭১ সালে যে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, সেই পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে (১৪ আগস্ট) যদি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এলাকায় পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান হতো, তাহলে কী স্বাধীনতার পক্ষের জনগণ তা মেনে নিতে পারতো? দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ কি এর প্রতিবাদ করতো না? যদি পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান হলে তার সমালোচনা হতো, তাহলে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সহযোগী আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে তাদের পতাকা কেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে উড়বে?
পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাতেই হতে হলো কেন? সংসদের অভিভাবক হচ্ছেন স্পিকার। তিনি যখন ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনে অংশ নিতে ইরানে অবস্থান করছেন, সেই মুহূর্তে সংসদ ভবন চত্বরে অনুষ্ঠানটি হলো। প্রশ্ন হলো, আমেরিকান দূতাবাসের এই অনুষ্ঠানের অনুমোদন কি স্পিকার দিয়ে গেছেন নাকি এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত?
মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর এই অঞ্চলের দুই পরাশক্তি ভারত ও চীনের কাছে কৌশলগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এর তীরবর্তী বাংলাদেশ এবং এই দেশের ৫১ কোটি মানুষকেও ওই দেশ দুটির পররাষ্ট্র ও সামরিক পরিকল্পনায় বিবেচনায় রাখতে হয়। তাছাড়া এই অঞ্চলে যেহেতু আমেরিকারও বড় স্বার্থ আছে, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে নিয়ন্ত্রণ তথা মিয়ানমারে নজরদারিসহ আরও নানা কারণেই বাংলাদেশ এবং এর আশেপাশের অঞ্চল মার্কিন প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, ফলে এখানে এইসব দেশের যেকোনো তৎপরতাকেই গভীর সন্দেহের চোখে দেখা দরকার।
কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের জনসচেতনতা কম। এমনকী যুক্তরাষ্ট্র যে জামাতের বন্ধু, তাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা এটা বিশ্বাস করতে চায় না। এই দেশকে তারা ইসলামিক দল নাম দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে দিতে চাচ্ছে এটা তাদের অন্ধ ভক্তরা বুঝেই না।
এদিকে ঢাকাস্থ আমেরিকার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে এক অভিনন্দন বার্তায় বলা হয়,
আমেরিকা যখন তার ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে, তখন আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তের বন্ধুদের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
তাদের মাঝে বাংলাদেশের মানুষও রয়েছেন। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে আমেরিকা সপ্তাহ এবং ২০২৬ সালজুড়ে আমাদের সঙ্গে আমেরিকার জন্মদিন উদযাপনে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাই। আসুন, আমরা একসঙ্গে উদযাপন করি স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব এবং অভিন্ন ভবিষ্যতের যৌথ অঙ্গীকার।
প্রসঙ্গত নারিকেল দ্বীপ দখলে উদ্যত,
করিডোর নিতে উদ্ধত,
নৌঘাটি এবং সেনাঘাটি করতে উদভ্রান্ত
গোলামী চুক্তির ষড়যন্ত্রের হোতা দেশে দুর্ভিক্ষ আনার কারিগর
জামাতকে ক্ষমতায় আনার রূপকার
বাংলাদেশকে সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক বানানোর স্বপ্নে বিভোর
আমেরিকা কী নির্লজ্জের মতে ইতিহাসের সর্বনিকৃষ্ট, মিথ্যাচার আর প্রতারণার মোড়কে দুষ্ট লোকের মিষ্ট কথার প্রবাদের মত প্রলোভন দিচ্ছে। ঐতিহাসিক সত্য আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রুর প্রয়োজন নেই।
কাজেই সেই শত্রু আমেরিকাকে যারা বন্ধু বলে, তারা বাংলাদেশের চিহ্নিত শত্রু। তাদের স্বাধীনতা দিবসে যারা উচ্ছাস প্রকাশ করে তারা বাংলাদেশের জনগণের ঘরের শত্রু। এদের প্রতিহত করা অপরিহার্য।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক বছরের পর বছর চালু রেখে এক সময় বিয়ে না করলে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষক হয় পুরুষ।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এখন চাপ আর চাপ এসব চাপকে- জনগণের নিজের মনে করতে হবে।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ হাজার একরের বেশি জমি ভারতের দখলে। উদ্ধারে নেই সরকারের সক্রিয়তা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
১৯৪৭ সালের বেনিয়া বৃটিশদের দেশবিভক্তির দোহাই দিয়ে এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের ভূখন্ড দাবী করছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












