মন্তব্য কলাম
খোলা চিঠি ও উদাত্ত আহ্বান: আসন্ন “পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ” “পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”
, ০৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩০ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৯ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
সর্বশ্রেষ্ঠ এ মুবারক দিনটি সর্বোত্তমভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ তৎপর এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ তথা বিশেষ ছাড়সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রসঙ্গে
দেশের সকল ব্যবসায়ী সংগঠন ও এর সংশ্লিষ্ট সব চেয়ারম্যান এবং সব পরিচালকদের প্রতি উদাত্ত আহবান
মুহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বাধীন বলেই আপনারা আজ ব্যবসায়ে এত সুপ্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা এবং সুযোগ ও সফলতা পেয়েছেন। তথা অর্জন করেছেন। যা যালিম পাকীদের আমলে সহজ ও সম্ভব ছিল না। তখন বাঙালি ব্যবসায়ী ও শিল্পোদোক্তাদের প্রতি মারাত্মক বৈষম্যও বঞ্চনা ছিল।
মুহতারাম,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যাদের কথা অনিবার্যভাবে আসে তারা হলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ।
প্রসঙ্গত, এ ‘শহীদ’ শব্দটি সর্বোতভাবেই পবিত্র দ্বীন ইসলামী বিশ্বাস, অনুভূতি ও আবেগ থেকে উৎসারিত। অর্থাৎ এদেশের উৎপত্তির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িয়ে আছে সম্মানিত ইসলামী বিশ্বাস ও অনুষঙ্গ। এদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও চেতনা।
মুহতারাম,
একই সাথে এদেশের স্বাধীনতা রক্ষার মূল চেতনাও পবিত্র দ্বীন ইসলাম। বলাবাহুল্য, যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, সন্ত্রাসী ও ধর্মব্যবসায়ীসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় এদেশের স্বাধীনতা হরণ ও নস্যাতে বিশেষ সক্রিয়।
এক্ষেত্রে তাদের প্রথম নীলনকশা হলো, এদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। এদেশকে বিদেশের বাজারে পরিণত করা। বিদেশী পণ্যে এদেশের বাজার সয়লাব করা। চটকদার বিজ্ঞাপনে বিদেশী পণ্যের প্রতি এদেশবাসীর মনকে আকৃষ্ট করা। এদেশবাসীকে বিদেশী পণ্যের ভক্ত করা।
মুহতারাম,
এ হীন কৌশলে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা এতই সফল যে, এদেশের ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারীরা বিদেশের থেকে ভালো পণ্য দ্রব্য উৎপাদন করলেও নিজেদের কোম্পানির লেবেল দিলে তা এদেশবাসী কেনে না। সেক্ষেত্রে এদেশের ব্যবসায়ীদের নিজের উৎপাদিত পণ্যদ্রব্যে নিজের দেশের তথা বাংলাদেশের নাম না দিয়ে বিদেশী ব্র্যান্ডের নাম দিতে হয়। তারপরে এদেশবাসী আকৃষ্ট হয়ে ওইসব পণ্যদ্রব্য কিনে।
মুহতারাম,
সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশ আজ ভারত, চীন, সিঙ্গাপুরসহ নানা বিদেশী রাষ্ট্রের নিজস্ব মার্কেটে পরিণত হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ভারতের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। এ কেবল সরকারি হিসাব। আর প্রকৃত হিসেবে এদেশের সুঁইসহ নিত্য প্রয়োজনীয় এবং বিলাসী তথা বাস-ট্রাক ইত্যাদি ভারী শিল্পসহ সবকিছু ভারতীয় বা বহুজাতিক কোম্পানীগুলো তথা বিদেশী ব্যবসায়ীদের একচ্ছত্র ও বিশাল মার্কেট।
মুহতারাম,
আয়তনে ছোট হলেও বাংলাদেশ মূলত প্রায় ৩০ কোটি লোকের এক বিশাল মার্কেট। যা তথাকথিত সুপার পাওয়ার আমেরিকার কাছাকাছি। এক্ষেত্রে প্রায় ৩০ কোটি বাংলাদেশী যদি বাংলাদেশী পণ্য ক্রয় করতো, তাহলে বাংলাদেশী কোনো কোম্পানিই লস বা লোকসান খেতো না। অথবা বাংলাদেশী উৎপাদিত পণ্যই প্রচুরভাবে চলতো। বাংলাদেশের সব ব্যবসায়ীর অবস্থায়ই আরো ভালো হতো এবং পাশাপাশি বাংলাদেশে আরো অনেক বড় বড় ব্যবসায়ী তৈরি হতো।
মুহতারাম,
এদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কোটিরও বেশি।
দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সংখ্যাও কোটির উপরে।
দেশে উৎপাদনশীল খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অর্ধলক্ষ।
দেশে মোট কুটির শিল্পের সংখ্যাও লক্ষ লক্ষ।
দেশে মোট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কোটি পেরিয়েছে অনেক আগেই।
কিন্তু এরা কেউই ভালো নেই। অথবা যতটা ভালো থাকার কথা ছিল তার কিছুই নেই। কারণ এদেশে উৎপাদিত জিনিস এদেশবাসীই কেনে না। জন্মগতভাবে ও জিহালতিভাবে তারা বিদেশী পণ্যকে পছন্দ করে। নিজের দেশের অর্থ বিদেশে পাঠায়।
মুহতারাম,
শুধু ভারত, চীনই নয়- এদেশে রয়েছে লক্ষ কোটি টাকার ইহুদীপণ্যের বিশাল মার্কেট। দামি শিশুখাদ্য, কসমেটিকসহ সব উচ্চমূল্যের পণ্যগুলো ইহুদীদের। এবং বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত তথা ধনীরা একচেটিয়া ইহুদীদের এসব পণ্যের ক্রেতা।
মুহতারাম,
অথচ এমনটি হওয়ার কথা ছিলো না। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে সরাসরি ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইহুদীরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড়শত্রু প্রথমত ইহুদীরা অতঃপর মুশরিকরা। ”
পাশাপাশি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দেশের প্রতি মুহব্বত ঈমানের অঙ্গ। ”
সুতরাং কোনো মুসলমান একদিকে যেমন কোনো ইহুদীপণ্য কিনতে পারে না, পাশাপাশি তারা দেশীয় পণ্য বাদ দিয়ে ভারতীয় বা বিদেশী পণ্যও কিনতে পারে না। কিন্তু তারপরেও এদেশবাসী তাই করছে। অথচ এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান।
মুহতারাম,
এর একমাত্র কারণ হচ্ছে, এদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে তাদের পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তিতে উজ্জীবিত করা হচ্ছে না। সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি আকর্ষিত করা হচ্ছে না। পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে না।
মুহতারাম,
এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এদেশের রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র ‘ইসলাম’। আর মুসলমান বা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মূলকথা হলো- “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহ” আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
বলাবাহুল্য, ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ আদৌ উচ্চারিত হতো না, যদি- ‘মুহম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু’ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উচ্চারণ না হতো।
অর্থাৎ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মূল হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি।
আর উনার প্রতি সব আবেগ, মুহব্বত, শ্রদ্ধা, আদব জানানোর মূল মাধ্যম হচ্ছে উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা মহাপবিত্র মহাসম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ যথাযথভাবে পালন।
মুহতারাম,
বিশ্ব সমাদৃত ও সুপ্রসিদ্ধ ‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- “যে ব্যক্তি ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে। ” সুবহানাল্লাহ!
আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- “যে ব্যক্তি পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে এক দিরহাম খরচ করলো, সে যেন বদর ও হুনাইন যুদ্ধে শরীক থাকলো। ” সুবহানাল্লাহ!
মুহতারাম,
সেক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে আপনারাসহ সব ব্যবসায়ীদের আশু কর্তব্য, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা বরকতময় ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি পরম মুহব্বত, শান-শওকত এবং জওক-শওকের সাথে পালন করা। সাথে সাথে গোটা দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করা।
মুহতারাম,
এলক্ষ্যে এদিনের দানের ফযীলত হাছিলের জন্য, তথা দেশবাসীর মাঝে এদিনের চেতনা ও প্রেরণা সম্প্রসারের লক্ষ্যে আপনারা প্রত্যেকেই যার যার কোম্পানীর পণ্যদ্রব্যের একটা বিশেষ ছাড় দিতে পারেন। এতে করে এ দিনের প্রেরণা মানুষের মাঝে তৈরি হবে। আপনারা সে ফযীলতও পাবেন। পাশাপাশি এ দিন উপলক্ষে খরচেরও বিশেষ ফায়দা পাবেন।
বিশেষত, এদিনের প্রেরণা বিস্তার লাভ করলে সবার মাঝে স্বদেশের প্রতি মুহব্বতের চেতনাও লাভ করবে। তাতে সবাই স্বদেশী পণ্য কিনতে উৎসাহী ও আগ্রহী হবে। এবং এতে দেশবাসীসহ দেশের ব্যবসায়ীদেরও সমৃদ্ধি আসবে। দেশের স্বাধীনতা অক্ষুণœ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
মুহতারাম,
প্রসঙ্গত, বিধর্মীরা তারা তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় বাজারে ওই সময় দেখা যায়- নতুন নতুন অফার।
ওদের বিভিন্ন উপলক্ষে মাসব্যাপী বিশেষ ছাড়ের অফার দিচ্ছে বিভিন্ন সুপার শপগুলো ও বড় বড় মার্কেটগুলো।
মুহতারাম,
তারা বিধর্মী হওয়া সত্ত্বেও এতটা করতে পারে; তাহলে যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; উনাকে সৃষ্টি করা না হলে হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনিসহ কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সৃষ্টি করা হতো না এবং উনাদের বিশেষ কোনো ঘটনাও সংঘটিত হতো না। উনার সম্মানার্থে মুসলমান হিসেবে আপনাদের কতটা করা উচিত।
মুহতারাম,
আপনাদের জানা আছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন না হলে- আসমান-যমীন, লওহো-কলম, আরশ-কুরসী, জিন-ইনসান, ফেরেশতা, বেহেশত-দোযখ এক কথায় কায়িনাতের কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য না থাকলে আমি আমার রুবুবিয়্যাতই প্রকাশ করতাম না। ” (কানযুল উম্মাল)
তাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে আগমন তথা পবিত্র বিলাদত শরীফ ও পবিত্র বিছাল শরীফ উনাদের দিন বরকতময় ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ কতো মহান, কতো বড় খুশি বা ঈদের দিন হবে তা ভাষায় বর্ণনার অযোগ্য। আর সে দিনটি উপলক্ষে যদি যথাযথ আড়ম্বর, জাঁকজমক ও সর্বোচ্চ আয়োজনের সাথে খুশি প্রকাশ না করা হয়; তাহলে যে কতো কঠিন শাস্তির বিষয় হবে, তা চিন্তা-ফিকিরের বিষয়।
মুহতারাম,
তবে শুধু পণ্যের বা ক্রেতা সম্পৃক্তই নয়; বরং দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা বরকতময় ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে সরকারের প্রতিও আপনাদের মাঝে কিছু করণীয় রয়েছে।
মুহতারাম,
সরকারের প্রতি আপনাদের কর্তব্য, আসন্ন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা বরকতময় ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বাধিক আয়োজনের জন্য বিশেষ দাবি পেশ করা।
মূলত, এ দিনের সম্মানে সব হারাম কাজ বন্ধ করে সর্বাত্মকভাবে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান ফুটিয়ে তোলার নিবেদন করা। উনার প্রতি মুহব্বত প্রকাশ করা, উনার আদর্শ অনুসরণ করা তথা সুন্নতসমূহ পালন করার জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার জোরালো আবেদন করা।
মুহতারাম,
যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে উল্লেখ্য যে, এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের পবিত্র দ্বীন- ‘ইসলাম’ উনার শিক্ষা ও মূল্যবোধ হলো- সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, আবেগ ও অনুভূতি দিয়ে সর্বাধিক ব্যয় করে সবচেয়ে প্রাধান্য ও গুরুত্ব এবং মহাআড়ম্বর ও জাঁকজমকের সাথে
“সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা বরকতময় ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ” সরকারি ও বেসরকারিভাবে পালন করা।
সঙ্গতকারণেই সরকারের উচিত- এ বিষয়ে যথাযথ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তাদের প্রতিশ্রুতি পূর্ণভাবে পূরণ করা। এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের অনুভূতির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করা। দ্বীনী মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। দ্বীনি অধিকার সংরক্ষণ করা।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করুন। তাওফীক দান করুন। গায়েবী মদদ করুন। আমীন।
: নিবেদক :
আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি
রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












