খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলল্লিাহ, ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহসি সালাম উনার ছোহবত মুবারক এবং আখিরী যামানায় মুর্দা দিলের পূনরুজ্জীবন।
, ১৬ জুমাদাল উলা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০২ সাবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
সময়ের ক্বছম করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। কেবল তারা ব্যতীত, যারা পবিত্র ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে।”
সময়ের গতি ও প্রবাহ অধিকাংশ মানুষকে প্রভাবিত করে। কালের ধারাবাহিকতায় আজকে যে যুগে আমরা বাস করছি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পরিভাষায় তা ‘আখিরী যুগ’ বলে অভিহিত।
আফযালুল আউলিয়া, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি স্বীয় ‘মাকতুবাত শরীফে’ এক হাজার হিজরী উর্ধ্বকাল বা সময়কে ‘আখিরী যামানা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
‘আখিরী যামানা’ ক্বিয়ামতের নিকটবর্তী যুগ। এ যামানার মানুষের পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিমুখতা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী ব্যক্ত হয়েছে।
এ সময়ের লোকেরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে তাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে মানতে অপ্রস্তুত। সম্মানিত ইসলামী চেতনা এখন বিরাজ করছে একটা ক্ষয়িষ্ণু ধারার মতো। ‘গান-শোনা পাপ’ সে অনুভূতি এ প্রজন্মকে আলোড়িত করে না। নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যতিরেকে বিপরীত লিঙ্গের অন্য কারো দিকে তাকানো পাপ, শক্ত গুনাহ, ব্যভিচার সমতুল্য- সে বোধ এ যুগের লোকদের পীড়াগ্রস্ত করে না। সুদ-ঘুষ, দুর্নীতির কামাই এ যুগের লোকদের যন্ত্রণাদগ্ধ করে না।
এ সময়ে মন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে প্রশাসনের সর্বত্রই এমনকি মাদরাসা-মসজিদের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অর্থ আত্মসাৎ করার মতো ঘটনা এতই বেশি হচ্ছে যে, অতি নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য হলেও এটাই যেন এখন সকলের কাছে সহনীয় হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ সর্বত্রই হারামের অবাধ সয়লাব। পাশাপাশি তথাকথিত সংস্কৃতিবাদী তথা বুদ্ধিজীবী মহল প্রগতিশীলতা আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসের নামে ক্রমাগতভাবে যেসব নাজায়িয উৎসবের অনুশীলন করছে, তাতে করে সাধারণ মানুষের নফস আরো প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে। ইবলিস শয়তান তাতে ওয়াসওয়াসা দিয়ে সাধারণের দিল ক্রমাগতই মুর্দা করে দিচ্ছে।
আর এই মুর্দা দিল- দুনিয়া ও আখিরাত- কোথাও শান্তি, স্বস্তি ও সফলতা কিছুই দেয় না। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ক্বিয়ামতের দিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনোই উপকারে আসবে না, কিন্তু যে সুস্থ দিল নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে আসবে।” (পবিত্র সূরা শুআরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯)
মুহাক্কিক মহল মনে করেন যে, বর্তমানে সেক্যুলার শিক্ষা, সমাজ, দর্শন, ব্যাপক গান-বাজনা, টিভি, ভিসিআর, সিনেমা, ডিশ-এন্টিনা, সিডি, কনসার্ট, লেজার লাইট শো, র্যাগ ডে পার্টি, পহেলা বৈশাখ, থার্টিফার্স্ট নাইট কালচার, বসন্তবরণ, ভ্যালেন্টাইন ডে ইত্যাদি অনৈসলামিক সংস্কৃতি ও অনুষঙ্গের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের অন্তর যেভাবে মুর্দা হয়ে পড়ছে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নূর, ঈমানের নূর, নেক আমলের স্বাদ, বদআমলের অন্তঃজ্বালা যেভাবে তাদের অন্তর থেকে তিরোহিত হচ্ছে; তাতে করে এ মুর্দা দিলবিশিষ্ট লোকদের অন্তরে যদি ফের পবিত্র ঈমান উনার চেতনা, আমল উনার জজবা, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুহব্বত জাগাতে হয়; তাহলে অনিবার্যভাবে দরকার রূহানী শক্তি। ইলমে তাছাওউফ উনার পরিভাষায় একে বলা হয় ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক।
বলা আবশ্যক, বর্তমান সময়ে এদেশ তথা সারা-বিশ্বব্যাপী যেরূপ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিপরীত বৈরী আবহ বিদ্যমান, সে প্রেক্ষিতে কি ব্যক্তি, কি পারিবারিক, কি সামাজিক জীবন, সর্বক্ষেত্রেই যদি বর্তমান ইসলাম বিমুখ মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হয়, সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধ ও জজবার জাগরণ ঘটাতে হয়; তাহলে প্রয়োজন ততোধিক ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক উনার ঘনঘটা।
যামানার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ মুবারক বিতরণকারী অমিত শক্তিধর রূহানী ব্যক্তিত্বের অস্তিত্বের কথা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ব্যক্ত করা হয়েছে। উনাকে মুজাদ্দিদুয যামান আখ্যায়িত করে প্রতি হিজরী শতকে উনার আবির্ভাবের কথা ব্যক্ত করা হয়েছে। এমনকি অপর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ‘যে যামানার ইমাম (মুজাদ্দিদুয যামান) উনাকে চিনলো না, সে জাহিলিয়াতের মধ্যে মারা যাবে’ বলে সাবধান করা হয়েছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনিই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ব্যক্ত সেই মহান মুজাদ্দিদ তথা সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম। উনার বেমেছাল রূহানী যোগ্যতা মুবারক, রূহানী দক্ষতা মুবারক, সুন্নতী আমল মুবারক, অভূতপূর্ব ইলমে লাদুন্নী মুবারক, প্রজ্ঞা ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পক্ষে বেপরোয়া মনোভাবের কারণে তিনি শুধু এদেশের সরকার ও এই দেশের জনগণ নয়; বরং গোটা বিশ্বের সরকার অর্থাৎ বিশ্ববাসীকেই হিদায়েত করার রূহানী হিম্মত রাখেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
কাজেই দেশের জনগণসহ সরকারের তথা বিশ্ববাসীর উচিত- উনার সকাশে যাওয়া ও নছীহত তথা উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করা এবং ফলতঃ অকল্পনীয় সহজ উপায়ে তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনের কুওওয়াত অর্জন করা। ঈমানদার হওয়া, মুসলমান হওয়া, সুস্থ দিল হাছিল করা। কামিয়াবী তথা ইতমিনান হাছিল করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা পিতার সমতুল্য হলে ছাত্রীদের সম্ভ্রমহরণ করে কিভাবে?
গত মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের কান ও মুখম-ল খোলা রাখার বিষয়ে এক আদেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের আপিল বিভাগ। তাতে বলা হয়েছিল, শিক্ষকরা পিতার সমতুল্য। সেজন্য পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য তারা ছাত্রীদের মুখম-ল দেখতে পারেন। নাউযুবিল্লাহ।
কিন্তু শিক্ষকরা যে কল্পিত পিতৃতুল্য নয় তার প্রমাণ আবারো হলো গতকাল সংবাদ শিরোনামে, ‘ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে।’ খবরে বলা হয়,
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। হল বিষয়ে পরামর্শের জন্য তার কাছে গেলে ওই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেন তিনি।
এ ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচারে্যর কাছে লিখিত অভিযোগপত্র দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের কাছে অভিযোগপত্র দেন তিনি। পরে উপাচার্য অভিযোগটি গ্রহণ করে তদন্ত করবেন বলে ভুক্তভোগীকে জানান। এদিকে, ঘটনার বিচারের দাবিতে বুধবার মানববন্ধন করার ঘোষণা দিয়েছে ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মুহম্মদ নুরুল ইসলাম। এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ এসেছিল।
অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী ছাত্রী উল্লেখ করেন, ‘গত ১১ সেপ্টেম্বর হল বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ইনস্টিটিউটের অফিস কক্ষের সামনে গেলে তিনি আমাকে নিজে থেকে তার কক্ষে ডাকেন। তখন আমি স্যারের কক্ষে যাই। স্যার আমাকে প্রয়োজনীয় দু’একটা কথা বলার পরপরই অপ্রাসঙ্গিক কথা বলতে শুরু করেন। আমার বাবা মৃত জানার পর তিনি আমাকে নানা রকমের সাহায্যের প্রলোভন দেখান এবং আমাকে বলতে থাকেন আমি যেন একা তার সাথে দেখা করি এবং বই নেই তার কাছে গিয়ে। তাছাড়া তার বিষয়ে বা তার সাহায্যের বিষয়ে যেন কাউকে কোনো কথা না বলি।’
ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ‘তিনি আমার সেল ফোন নাম্বার নেন এবং এক রকম জোর করেই আমার মেসেঞ্জারে নক করেন এবং যুক্ত হোন। তার কথার ধরণ এবং অঙ্গভঙ্গি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হলে তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়াই এবং তখন তিনি নিজেও তার নিজ আসন ছেড়ে আমার কাছে উঠে আসেন এবং আমাকে যৌন নিপীড়ন করেন। তিনি বার বার বলতে থাকেন, ‘তোমাকে আমার ভালো লেগেছে’-কথাটি বলেন। তিনি আমার শরীরের আপত্তিকর স্থানে স্পর্শ করেন, ঘটনার আকস্মিকতায় কিছু বুঝে উঠতে না পেরে আমি ভয়ে তার কক্ষ হতে দৌঁড়ে পালিয়ে যাই।’
উল্লেখ্য শুধু ঢাবি নয়, জাবি, জবি, রাবিসহ অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, কোচিং সেন্টার এমনকি গৃহ শিক্ষকের ক্ষেত্রেও ছাত্রী সম্ভ্রম হরণের ঘটনা ঘটছে। এর পরেও কি বলা হবে শিক্ষকরা পিতৃতুল্য। কাজেই আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘শিক্ষকরা পিতৃতুল্য’ পুরোটাই ভুল এবং হিজাব বিরোধী রায় ও ইসলামের দৃষ্টিতে ভুল। সঙ্গত কারণেই এ ভুলের অপনোদন করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-মুহম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, ঢাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো ২৫শে রমাদ্বান শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত সরকারী হাসপাতালে নানা সংকট বেসরকারী হাসপাতাল অত্যন্ত ব্যয় বহুল জনগণের জন্য উভয় সংকট দূর করার দায়িত্ব সরকারের
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে বছরে গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধ বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকার উপরে দ্বীনি অভিজ্ঞ চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন- গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধের বিরুদ্ধে বলা ছদকায়ে জারিয়া একটু সচেতনতা আর হাতের কাছের পথ্যেই গ্যাষ্ট্রিক নির্মূল সম্ভব
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান সব সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ) যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












