ইলমে তাছাউফ
কামিল শায়েখ উনার ছোহবত মুবারকের গুরুত্ব ও ফযীলত (১)
, ১৪ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) ইলমে তাছাউফ
ছোহবত উনার পরিচয়:
اَلصُّحْبَة (ছোহবত) শব্দের শাব্দিক পরিচয়-
اَلصُّحْبَة (ছোহবত) শব্দটি মূলত আরবী কিন্তু তা ফার্সী ও উর্দূ ভাষাতেও ব্যবহার করা হয়।
যার অর্থ- সাহচর্য লাভ করা, সঙ্গ, সাথে থাকা, সান্নিধ্য লাভ করা, নৈকট্য লাভ করা ইত্যাদি। যেমন বলা হয়- الصُّحْبَةُ تَثْبُتُ بِطُرُقٍ অর্থাৎ সাহচর্য বা ছোহবত অনেক পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। সেটা দেখার মাধ্যমে হতে পরে আবার কথা শ্রবণের মাধ্যমেও হতে পারে কিংবা সাথে থাকার মাধ্যমে হতে পারে অথবা স্পর্শ লাভের মাধ্যমেও হতে পারে। কাজেই ছোহবত শব্দটি বহুল অর্থে ব্যবহৃত।
اَلصُّحْبَة (ছোহবত) শব্দের পারিভাষিক পরিচয়-
ছোহবত বলা হয় কারো সামনে বা সংস্পর্শে গিয়ে উনার আচার আচরণ রীতি-নীতি দেখে কিছু তা’লীম বা শিক্ষা গ্রহণ করা। অর্থাৎ এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা বলা যায় না কিংবা লিখাও যায় না কিন্তু তা ব্যক্তির আচার আচরণে প্রকাশ পায়; উক্ত বিষয়গুলো সরাসরি দেখে, শুনে তা’লীম গ্রহণ করাকেই সাধারণভাবে ছোহবত বলা হয়।
মূলত ছোহবত শব্দের উক্ত সংজ্ঞাটি হলো সাধারণ। যা নেক ও বদ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন বলা হয় -সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। অর্থাৎ একথার দ্বারা বুঝানো হয়েছে কেউ যদি নেককার লোকের ছোহবত ইখতিয়ার করে তাহলে সে জান্নাত লাভ করতে পারবে। আর কেউ যদি বদ লোকের ছোহবতে যায় তাহলে সে জাহান্নামী হয়ে যাবে। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে ছোহবত শব্দটি একাধিক ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে আমরা এখানে যেই ছোহবতের কথা উল্লেখ করবো তা হচ্ছে আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার প্রসঙ্গে।
আর সম্মানিত তাসাউফ উনার পরিভাষায় ছোহবত বলা হয়- খ¦ালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রিযামন্দি-সন্তুষ্টি, মুহব্বত-মা’রীফাত, তায়াল্লুক-নিসবত, নৈকট্য ও কুরবত হাছীলের লক্ষ্যে হযরত কামিল শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শ বা সান্নিধ্য লাভ করা। (চলবে)
-মুহম্মদ হুসাইন নাফে’।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কৃপণতা জঘণ্যতম বদ খাছলত
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ উনাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৫) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৪) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৩) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’জীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫২) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫১) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৯) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৯) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৮) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক প্রসঙ্গে (৪৭)
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ছোহবত মুবারক গ্রহণের ফাযায়িল-ফযীলত, গুরুত্ব-তাৎপর্য ও আবশ্যকতা:
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












