মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবির সোপান তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে-
ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
, ২০ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৯ ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ০৮ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার রব উনার নাম মুবারক স্মরণ করুন বা যিকির করুন এবং উনার দিকে মনোনিবেশ করুন। তিনি পশ্চিম-পূর্ব তথা সমস্ত কয়িনাতের রব, তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। উনাকে কার্য সম্পাদনকারী হিসেবে গ্রহণ করুন।” সুবহানাল্লাহ। পবিত্র আয়াত শরীফে বলা হয়েছে, বান্দা যেন মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক স্মরণ করে বা যিকির করে এবং উনার দিকে মনোনিবেশ করে অর্থাৎ একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে তাহলে তিনি তাকে স্মরণ করবেন অর্থাৎ রহমত নাযিল করবেন এবং তার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। কেননা, রহমত-বরকত, সাকীনা সমস্ত কিছুই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনিই দান করেন। তাই উনাকে স্মরণ করতে হবে বা উনার যিকির করতে হবে, গাইরুল্লাহর দিকে রুজু না হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই রুজু হতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিকির কীভাবে করতে হবে সেই বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “আপনি আপনার রব উনার যিকির করুন স্বীয় অন্তরে বিনয়ের সাথে, বিনীতভাবে, চুপে চুপে বা হালকা আওয়াজে, উচ্চস্বরে নয়; সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে। এবং আপনার উম্মত যেন গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত না হয়।” শুধু তাই নয়, বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করলে তিনি বান্দাকে স্মরণ করেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা বাক্বারা শরীফ-এর ১৫২ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার যিকির করো বা আমাকে স্মরণ করো। আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন। মহান আল্লাহ পাক বলেন, নিশ্চয়ই আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী। যখন সে আমাকে স্মরণ করে বা আমার যিকির করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। যখন সে আমাকে একা স্মরণ করে বা আমার যিকির করে তখন আমিও তাকে একা স্মরণ করি। আর সে যদি আমাকে মজলিসে স্মরণ করে বা আমার যিকির করে আমি তাকে এর চেয়েও উত্তম মজলিসে স্মরণ করি।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি (মহান আল্লাহ পাক তিনি) মানুষের (ঘাড়ের) প্রাণ রগ অপেক্ষা অধিক নিকটে।” আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা যেখানেই থাকো না কেন মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের সাথেই রয়েছেন।” মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার সাথেই সবসময় রয়েছেন, কিন্তু বান্দা উপলব্ধি করতে পারে না। যখন বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করার দ্বারা উনার নৈকট্য লাভ করবে তখন তার পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার বিষয়টি অনুধাবন করা সম্ভব হবে। আর তখনই তার সমস্ত বিষয় কুদরতীভাবে ফায়সালা হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যিকিরকারীদের অনেক ফযীলত মুবারক দান করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহা প্রতিদান।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে সমস্ত লোক মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে বসেন, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা উনাদেরকে (যিকিরকারীদেরকে) পরিবেষ্টন করে নেন, রহমত মুবারক উনাদেরকে আচ্ছাদিত করেন, উনাদের উপর সাকীনা বা শান্তি বর্ষিত হয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার নিকটস্থ ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট যিকিরকারী উনাদের সম্পর্কে আলোচনা করতে থাকেন।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে জানতে চাওয়া হলো, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কোন বান্দা শ্রেষ্ঠ এবং অধিক উচ্চ মর্যাদাশীল? মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার অধিক যিকিরকারী পুরুষ-মহিলা (উনারাই সর্বশ্রেষ্ঠ এবং উচ্চ মর্যাদাবান)। জানতে আরজি পেশ করা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে জিহাদ করে গাজী হয়েছেন উনাদের থেকেও (শ্রেষ্ঠ এবং উচ্চ মর্যাদাবান)? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদিও সেই গাজী স্বীয় তরবারী দ্বারা কাফির, মুশরিকদের আঘাত করার ফলে তার তরবারী ভেঙ্গে যায় এবং নিজেও রক্তে রঞ্জিত হন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী, (সেই গাজী) উনার থেকেও মর্যাদার দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ দ্বারা যিকিরকারীর বেমেছাল সম্মান-মর্যাদার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। যদি বান্দা-বান্দী সবসময় যিকিরে মশগুল থাকে তবেই তাদের পক্ষে উপরোক্ত ফযীলত লাভ করা সম্ভব হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা বেশি বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করো, অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, সাবধান! নিশ্চয়ই দুনিয়া লা’নত প্রাপ্ত, লা’নত প্রাপ্ত যা কিছু তাতে (দুনিয়াতে) রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির, যিকিরকারী, আলিম, ত্বালিবে ইলম ব্যতীত।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের মাঝেই সর্বোত্তম তাক্বওয়া। যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে মশগুল হয়ে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নামায অস্বীকার করা কুফরী এবং নামায না পড়া চরম নাফরমানী ও ফাসিকী। স্বেচ্ছায় নামায তরককারী ব্যক্তি জাহান্নামে কঠিন আযাবের সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ! তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত নামায অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়ে ইখলাছের সাথে সময়মত আদায় করা।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক দৈনিক পাঠ করা সকলের জন্য আবশ্যক। কাজেই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, প্রতিদিন অন্তত একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় পবিত্র নসবনামাহ মুবারক অত্যন্ত মুহব্বত ও তা’যীম-তাকরীমের সাথে পাঠ করা।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। তাই, সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক এবং সর্বোত্তম হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ করা।
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ! অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পরকালের তুলনায় দুনিয়াবী সম্পদ অতি সামান্য। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়ার পিছনে না ঘুরে পরকালের দিকে মনোনিবেশ করা। এ জন্য তাক্বওয়া বা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করা। আর এটা তখনই সম্ভব হবে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারকের ইত্তেবা বা অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ পবিত্র সুন্নত মুবারক মুতাবিক জীবন পরিচালনা করতে হবে।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার রাতে দোয়া সুনিশ্চিতভাবে ক্ববুল হয়। প্রত্যেক মুসলমানের দ্বায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ঈদুল আদ্বহা উনার রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও বেশি বেশি দোয়া করা।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তাকবীরে তাশরীক পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত প্রতি ফরয নামাযের পর একবার পাঠ করা ওয়াজীব, ৩ বার পাঠ করা মুস্তাহাব। প্রত্যেক মুসলমানের দ্বায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র ৯ই যিলহজ্জ শরীফ বা ইয়াওমুল আরাফাহ তথা আরাফার দিন ফজর হতে পবিত্র ১৩ই যিলহজ্জ শরীফ আছর পর্যন্ত প্রতি ফরয নামাজের পর শরঈ তারতীব অনুযায়ী তাকবীরে তাশরীক পাঠ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ্ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক, বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহ্মত, মাগফিরাত এবং নাযাত লাভ করার কোশেশ করা।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












