পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক (সৃষ্টি মুবারক) করার পর থেকেই উনার প্রতি সম্মানিত ছলাত মুবারক পেশ করা শুরু করেছেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কুদরত মুবারক-এ ছিলেন। আর কেউ ছিলো না। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল রাখা।
(২) হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ছোহবত মুবারক থেকে দূরে রাখা।
(৩) হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতি আক্বীদা নষ্ট করে দেয়া।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِيْ فَإِنَّ لَه مَعِيشَةً ضَنْكًا وَّنَحْشُرُه يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمٰی قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمٰی وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا قَالَ كَذٰلِكَ أَتَتْكَ اٰيَاتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذٰلِكَ الْيَوْمَ تُنْسٰى
অর্থ: আর যে আমার যিকির তথা নিদর্শন মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে তার দুনিয়াবী জিন্দেগী সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি অন্ধ হয়ে উঠবে। তখন সে বলবে আয় আমাদের রব তায়ালা! আমাকে কেন অন্ধ করে উঠানো হলো? আমিতো চক্ষুষ্মান ছিলাম, আমারতো দৃষ্টিশক্তি ছিলো??? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
(১) তার দুনিয়াবী যিন্দেগী অভাব অনটন অর্থাৎ দারিদ্রতা পূর্ণ হয়ে যাবে।
(২) তার কবর সংকীর্ণ হয়ে যাবে।
(৩) হাশরের ময়দানে সে অন্ধ হয়ে উঠবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদা মুবারক উনার মাধ্যমে। সুবহানাল্লাহ!
এ কারণে যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও। তোমরা কখ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ছওয়াব রেসানী করার নিয়ম :
(১) পবিত্র ইস্তিগফার শরীফ তিনবার-
اَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ رَبِّ مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَّاَتُوْبُ إِلَيْهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ.
(২) পবিত্র আউযুবিল্লাহ শরীফ ও পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ (আল্হামদু শরীফ) একবার।
(৩) পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ (কুল হুওয়াল্লাহ শরীফ) তিনবার।
(৪) পবিত্র ইশা’র নামায উনার পরে তরীক্বার যে পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়া হয়, সেই পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঁচবার; তা জানা না থাকলে মহাসম্মানিত দুরূদ শরীফ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ পাঁচবার পড়ে মুনাজাত করবে বাকি অংশ পড়ুন...












