সম্পাদকীয়-১
আজ মহিমান্বিত ২২শে রজবুল হারাম শরীফ! খাজা আবূ তালিব ও কাতিবে ওহী, খলীফায়ে সাদিস, সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
যে মহান দিবস মুবারকের তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহ্র জন্য ফরয।
, ২৩ শে রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন , ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি:, ১০ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
তাফসীরের কিতাবে বর্ণিত আছে, যারা আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিন্তু আমলে দুর্বল তাদেরও মর্যাদা দিতে হবে। সুবহানাল্লাহ! বরং মুহাক্কিক আলেমগণ বলেছেন তাদের মর্যাদা মাশরুহ আয়াত শরীফের মত। যা তিলাওয়াত করতে হয়, সম্মান দিতে হয়।
আজ পবিত্র ২২শে রজবুল হারাম শরীফ। আজ খাজা আবূ তালিব এবং সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
আবূ তালিব তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রায় ৪২ বছর মুবারক খিদমতে আনজাম দিয়েছেন। যদিও তিনি ঈমান প্রকাশ না করেই ইন্তেকাল করেছেন। তাহলে উনার ৪২ বছরের খিদমত মুবারকের প্রতিদান কি? সেটাই খাজেগানে চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেছেন যে, শেষ যামানায় হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যখন আসবেন, তখন তিনি একজন মৃতকে জীবিত করবেন। আর সেই ব্যক্তি হবেন খাজা আবূ তালিব। তখন তিনি ঈমান আনবেন এবং ঈমানদার হিসেবে ইন্তেকাল করবেন।
(২)
প্রসঙ্গত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে একজন বিশেষ শ্রেণীর হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু অর্থাৎ ‘জলীলুল ক্বদর’ ছাহাবী হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি। আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জন্য খাছ করে দোয়া মুবারক করেছেন এভাবে, “আয় মহান আল্লাহ পাক! হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হাদী ও হিদায়েতপ্রাপ্ত করুন এবং উনার দ্বারা লোকদেরকে হিদায়েত দান করুন। ” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর থেকে হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নিজেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে নিয়োজিত রাখেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় শেষে পবিত্র মদিনা শরীফে যখন তাশরীফ মুবারক গ্রহন করেন, হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে পবিত্র মদিনা শরীফ চলে আসেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে অনেক আদর করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে পবিত্র ওহী মুবারক লেখক হিসেবে নিযুক্ত করেন। পবিত্র ওহী লেখা ছাড়াও তিনি দূর-দূরান্ত থেকে আগতদের অভ্যর্থনা, থাকা-খাওয়া এবং তত্ত্বাবধায়নের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি সমস্ত কাজ অত্যন্ত পারদর্শীতার সাথে সুষ্ঠুভাবে পালন করতেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি অত্যন্ত ধৈর্য-সহ্য, জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিবেচনার অধিকারী ছিলেন, সকলেই উনার বিচক্ষণতায় মুগ্ধ ছিলেন।
তিনি ইয়ারমুকের যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেন। আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার কর্মতৎপরতা ও বিচক্ষণতা বিবেচনা করে উনাকে প্রথমে জর্ডানের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করেন। পরবর্তীতে হযরত আবু উবায়দা ইবনুল র্জারাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করলে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দামেশকের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করেন। জর্ডান ও তার আশেপাশের এলাকাও উনারই নিয়ন্ত্রণে ছিলো।
(৩)
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের পর যখন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন সিরিয়া ও এর আশপাশের সমস্ত অঞ্চলের দায়িত্ব হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উপর ন্যস্ত হয়। কর্মচারী নিয়োগ ও বরখাস্ত করার ক্ষমতাও উনার হাত মুবারকে ছিলো। সর্বক্ষেত্রে তিনি বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। সমস্ত সিরিয়ায় পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শান্তি পতাকা উড্ডীন হয়। হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমেই রোমান ও পারসিকদের আগ্রাসন ইচ্ছা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
(৪)
কনস্টান্টিনোপল সেকালে পূর্ব ইউরাপের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে সেখানে হযরত সুফিয়ান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নেতৃত্বে এক বিশাল বাহিনী প্রেরণ করেন। এ অভিযানের প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইঙ্গিত মুবারক ছিলো, তাই অনেক বড় বড় ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অতি আগ্রহে এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। হযরত আবু আইউব আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এ অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পতাকা অনেক বিস্তৃত করেন। গভর্ণরের দায়িত্ব পালনের ২০ বছর আর খিলাফতের দায়িত্ব পালনের ২০ বছর মোট তিনি সুদীর্ঘ ৪০ বছর দ্বীন ইসলাম উনার যে আনজাম দিয়েছেন, তা সত্যিই বেমেছাল।
উল্লেখ্য, হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার এত শান-মানের পরও কিছু শিয়া, মওদুদী, সালাফী, খারেজী, ওহাবী উনার নামে অপবাদ দেয়, যা কাট্টা কুফরী, যা থেকে বেঁেচ থাকা ফরয।
সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন (সম্ভাব্য) আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের ৩ বছর পূর্বে। এবং তিনি বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন ৬০ হিজরীর ২২শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থাৎ আজকের এ মুবারক দিনটিই উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিন। সুবহানাল্লাহ! উনার পবিত্রতম মাযার শরীফ দামেস্ক-সিরিয়ায় অবস্থিত।
(৫)
প্রসঙ্গত ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশে হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মূল্যায়ন মুবারক, স্মরণ মুবারক অতি আবশ্যক। আজকের এই বিশেষ দিবস মুবারক উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা রাষ্ট্রযন্ত্রের একান্ত কর্তব্য। গোটা শিক্ষানীতিতে অর্থাৎ পাঠ্যক্রমে উনার সার্বিক আলোচনা মুবারক করা ফরয। উনাদের অনুপম আদর্শ মুবারক-ই পারবে আজকের এ বল্গাহারা জাতিকে আদর্শের লাগাম পরাতে, পূঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিধ্বস্ত মানবীয় চরিত্রকে মানবতার পরশ দিতে সর্বোপরি উচ্ছৃঙ্খল জনতাকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলো দিতে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












