আজ বিশেষ সম্মানিত, ফযীলত এবং রহমত, বরকতযুক্ত তথা ঐতিহাসিক ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
, ০১ আগস্ট, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
(১)
পাক ভারত উপমহাদেশেও খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খলীফা ছিলেন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমধিক পরিচিতি, সুখ্যাতি, অবদান এ উপমহাদেশে বুনিয়াদীভাবে প্রতিষ্ঠিত। সর্ব মহলে বহুল আলোচিত শ্রদ্ধাভরে অনুসৃত।
তাছাউফের তরীকা এবং সুন্নাহ পালনের অধিকতর জজবায় তিনি ছিলেন আলাদাভাবে সুষমামন্ডিত। স্বীয় ক্বওল শরীফে, তিনি মাটি কাটায় সুন্নত, জিহাদ করার সুন্নত, মূলত সব সুন্নতের সমাহারে স্বীয় তরীকায় উন্নত সোপানের কথা ব্যক্ত করেছেন। আলাদাভাবে নামকরণ করেছেন ‘মুহাম্মদিয়া তরীকা’। সুবহানাল্লাহ!
সেই থেকে উপমহাদেশের সব হক্ব সিলসিলাই এ তরীকার সমর্থন, মূল্যায়ন এবং পরিচর্যা করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
(২)
১৮২১ সালে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি হজ্জ করতে যান। দুই বছর পর ফিরে এসে তিনি আবার দ্বীন কায়িমের স্বপ্নে মাঠে নেমে পড়েন। মারাঠা শক্তি তখন হিসাবের ভেতরেই ছিল না। অপরদিকে ইংরেজরা ছিল ধারণার চেয়েও বড় শক্তি। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তৎকালীন ভারতের অভ্যন্তরে যুদ্ধ পরিচালনার কেন্দ্র স্থাপন করেননি। এটি উনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার পরিচায়ক। তিনি উনার কৌশলকে খানিকটা পরিবর্তন করে পাঞ্জাবকে উনার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেন।
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আট হাজার মুজাহিদ সঙ্গে নিয়ে পাঞ্জাবের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তবে তিনি সরাসরি পাঞ্জাব যাননি। বর্তমান ভারত ও পাকিস্তান পুরোটা ঘুরে লোকবল সংগ্রহ এবং জিহাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য প্রচার করে করে তিনি আফগানিস্তানে পৌঁছান। কান্দাহার, কাবুল অতিক্রম করে নওশহরে অবস্থান গ্রহণ করেন। সেখানে শিখ রাজা বুখ্য সিং-এর বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন। সে যুদ্ধ জয়ের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের সাহস, আগ্রহ-উদ্দীপনা শতগুণে বেড়ে যায়। ১৮২৬ সালে তিনি পাখতুন জাতিগোষ্ঠীর বাসস্থান পেশাওয়ারে পৌঁছান। পাখতুনদের নেতৃত্ব ছিল পাঠানদের হাতে। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি সেখানে গিয়েই ইসলামী অনুশাসন বাস্তবায়ন করেন।
১৮৩০ সাল পর্যন্ত হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি পুরো পেশাওয়ারের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তখন মুসলমানরা উনাকে ‘আমীরুল মু’মিনীন’ খেতাবে ভূষিত করে।
(৩)
১৮৩১ সালের ৬ই মে জুমুআর দিন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সৈন্যরা শিখ রাজা রনজিত-এর পুত্র শের-এর নেতৃত্বাধীন দশ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনীর মুখোমুখি হয়। ততদিনে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাতে বাকি ছিল মাত্র ছয় থেকে সাতশ সৈন্য। যৎসামান্য এ রসদ নিয়ে তিনি কাশ্মীরের মানসেহরা জেলার পাহাড়ঘেরা বালাকোট প্রান্তরে যুদ্ধ শুরু করেন।
স্থানীয় মুসলমানরা বিশ্বাসঘাতকতা করে শিখদেরকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল। যেসব সামন্ত ও পাঠানরা শিখদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আহ্বান করেছিল, তারাই পরবর্তীতে মুসলমানদেরকে সাহায্য না করে গোপনে শিখদের সাথে হাত মিলিয়েছিল।
দুই ঘণ্টা স্থায়ী বালাকোটের সে যুদ্ধ ছিল কারবালা যুদ্ধের দ্বিতীয় অধ্যায়। মুসলিম বাহিনী চুড়ান্ত বীরত্বের পরিচয় দিয়ে ছোট ছোট দল বানিয়ে শিখদের আক্রমণ করতে থাকেন। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের এক পর্যায়ে শিখদের অতর্কিত আক্রমণে শাহাদাত বরণ করেন আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি ।
(৪)
মাত্র ৪৫ বছরের জীবনে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যে তুলনাবিহীন কাজ সম্পন্ন করে দেখিয়েছেন, তার প্রভাব কল্পনার চেয়েও সুদূরপ্রসারী। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তাজদীদ, উনার জিহাদ, উনার তরীকায়ে মুহাম্মদিয়া যুগ যুগ ধরে উপমহাদেশের মুসলিম সমাজে ইসলামের প্রচার-প্রসার, শিরিক-বিদআতের অপসারণ ও আত্মশুদ্ধির মূল অনুপ্রেরণা হয়ে আসছে। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান দুই খলীফা হযরত মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত মাওলানা নূর মুহাম্মদ নিযামপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের সিলসিলাহ বৃহত্তর বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা ও আসাম এলাকায় ইংরেজদের প্রতিরোধ, স্বাধীনতা আন্দোলন, ইসলাম প্রচার, হিন্দুয়ানি রসম-রেওয়াজ অপসারণ, মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, ইলমে দ্বীন চর্চা, বাতিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদসহ সর্বোপরি ইসলামের যে পরিমাণ খিদমাত আঞ্জাম দিয়েছে, তা অনন্য।
(৫)
তাছাউফের অধিষ্ঠানে ‘হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তের’শ হিজরী সনের মহান মুজাদ্দিদ’। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু রেযাখানী নামধারী একটি মহল তারা পূর্ণমাত্রায় হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামে হিংসা-বিদ্বেষও প্রকাশ করে। অথচ রেযাখানীর নিজস্ব লিখিত কিতাবে পাওয়া যায় রেযাখানী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মাটির তৈরী বলেছে। নাউযুবিল্লাহ! এ ধরনের ভ্রান্ত আকিদার লোক হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কেও অপপ্রচার করবে, ভুল বুঝবে, ভুল ফতওয়া দিবে, সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াবে এবং বিভক্ত করবে- এটা তো খুবই স্বাভাবিক। সঙ্গতকারণে এদের সমাজ থেকে আলাদা করতে হবে। ওদের অপপ্রচারণাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে ইনশাআল্লাহ। মূলত রেযা খান ইংরেজদের দালালী করার কারণেই এরকম গীবতকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো। নাউযুবিল্লাহ!
(৬)
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার তথা ব্রিটিশ লেখকের অনুকরণে ভারতের অধিকাংশ ঐতিহাসিক হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ‘ওহাবী নেতা’ বলে চিহ্নিত করেছে। উনাকে তথা উনার দলবলকে ‘ওহাবী’ রুপে চিহ্নিত করে হান্টার তথা ইংরেজ লেখকদের কি লাভ হয়েছিল? এতে তাদের স্বার্থই বা কি ছিল? উত্তর একটাই, ইংরেজরা উরারফব ধহফ জঁষব ঢ়ড়ষরপু নীতিতে বিশ্বাসী ছিল।
জিহাদী আন্দোলনকে ইংরেজরা ‘ওহাবী’ বলে আখ্যায়িত করেছে পাক ভারতীয় মুসলমানদের সহানুভূতি নষ্ট করে তাদের প্রতি বিতৃষ্ণা ও বিদ্বেষ জাগাবার দূরভিসন্ধি মূলে। এবং ইংরেজরা এ প্রয়াসে এক শ্রেণীর মোল্লা-মওলবীকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছিল প্রচারণা কার্যে।” (ওহাবী আন্দোলন, পৃষ্ঠা-১৪৬)
ঐতিহাসিকগণ বলেছেন, ‘ওহাবী’ কথাটি একটি ভুল প্রয়োগ। অনেক মুসলমান এদের অমুসলমান বলে গণ্য করেন। আসলে বৃটিশরাই তাদের দূরভিসন্ধি চরিতার্থ করার জন্য উনাদের ‘ওহাবী’ বলে যেমন তারা পরবর্তীকালে সন্ত্রাসবাদীদের সম্পর্কে বলত।” (ভারতের মুক্তি আন্দোলনে মুসলমানদের অবদান, পৃষ্ঠা-৪)
* বিখ্যাত ইতিহাসবিদ গোলাম মর্তুজা তার কলকাতা থেকে প্রকাশিত “চেপে রাখা ইতিহাস”- কিতাবের ২০৯ পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেন, “হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ওফাত হওয়ার পর যেসব আন্দোলন, বিদ্রোহ বা সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছিলো, সেগুলোকে বিকৃত করে (বৃটিশ রাজশক্তি) তাদের নাম পাল্টে কোনটাকে ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ কোনটাকে ‘ওহাবী আন্দোলন’ বলেছে।”
উক্ত কিতাবের ২০৫ পৃষ্ঠায় আরো বর্ণিত আছে, “আলিগড়ের সৈয়দ আহমদ ও বেরেলীর হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি দু’জনই ইতিহাস প্রসিদ্ধ মানুষ। তবে আলিগড়ের আহমদ সাহেব পেয়েছেন ইংরেজদের পক্ষ থেকে ‘স্যার’ উপাধী, প্রচুর সম্মান, চাকরীর পদন্নতি প্রভৃতি। আর বেরেলীর হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইংরেজদের পক্ষ থেকে পেয়েছেন অত্যাচার ও আহত হওয়ার উপহার। আর সব শেষে শত্রুদের চরম আঘাতে উনাকে শহীদ হতে হয়েছে।
(৭)
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে শহীদ হতে হয়েছে আরো অনেক ক্ষেত্রে। উনার ইলমে লাদুন্নী, উনার নিসবত, কারামত সব অনন্য মর্যাদার হলেও রেযাখানীরা সেসব তথ্যকে শহীদ করেছে ও করছে। কেবলমাত্র যামানার মহান মুজাদ্দিদ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, কুতুবুল আলম, মুহ্ইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গাযীর ভূমিকায়, মুজাদ্দিদে যামানের ভূমিকায়, ছাহিবে ইলমে লাদুন্নী, ছাহিবে কারামতের অধিষ্ঠানে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।
যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ৮২তম সংখ্যায় ফতওয়া দিয়েছেন। আরো অনেক সংখ্যায় এবং দৈনিক আল ইহসানে বিরোধীদের কঠিনভাবে ভুল ও বাতিল প্রমাণ করেছেন।
বিশেষ করে আজ তেরো শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যে-
১২০১ হিজরী সনে পবিত্র ৬ই ছফর শরীফ ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ভারতের উত্তর প্রদেশের রায় বেরেলী শহরের বিখ্যাত সম্ভ্রান্ত সাইয়্যিদ পরিবারে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন-
সেদিনটিকে আইয়্যামুল্লাহ শরীফ হিসেবে কবুল করেছেন এবং পালনের বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এই নেক অবদান-
আরেকটি অভূতপূর্ব, ঐতিহাসিক তাজদীদ, যার শুকরিয়া জ্ঞাপনে সবারই অগ্রণী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমান মায়েরা কেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে গাফলতি করবে?
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট জনগণ উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, শুধুমাত্র মধ্যস্বত্য ভোগী, তথা সিন্ডিকেট নির্মূলেই দ্রব্যমূল্য সুলভ করা সম্ভব।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বছরে সাশ্রয় করতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা লাখ লাখ শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থ-সামাজিক খাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্ত, লা’নতগ্রস্ত, বেকারত্বে জর্জরিত।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












