সম্পাদকীয়-১
অরক্ষিত উপকূলে ঝুঁকিতে ৪ কোটি মানুষ ২০ বছরে ৯ ঘূর্ণিঝড়: ২৩ হাজার কোটি টাকার ক্ষত নিয়ে ধুঁকছে উপকূল উপকূলের মানুষ এখন ত্রাণ চান না, স্থায়ী বেড়িবাঁধ চান।
, ১১ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আকাশে কালো মেঘ দেখলেই প্রমাদ গোনেন উপকূলের বাসিন্দারা। সেখানে দুর্যোগ-দুর্বিপাক আঘাত হানে বারবার। আসে সিডর, আইলা, ফণীর মতো প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়। প্রতি বছরই ঝড়-তুফান ও ঘূর্ণিঝড় উপকূলবাসীকে তাড়া করে ফেরে। দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল ঘিরে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মোট ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের অধিকাংশই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা-খুলনা-বাগেরহাট উপকূলের ৪২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধই রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। লক্ষীপুর-নোয়াখালী, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, মহেশখালী, সেন্টমার্টিন সর্বত্রই বেড়িবাঁধের ধ্বংসযজ্ঞ বিদ্যমান। পানিচ্ছ্বাসসহ সামুদ্রিক ঝড় থেকে উপকূলীয় জনপদ রক্ষায় বন বিভাগ প্যারাবনসহ যে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলেছিল, তার বেশির ভাগই অবজ্ঞা, অবহেলা আর তদারকহীনতায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভয়াল দুর্যোগের থাবা থেকে জানমাল রক্ষায় উপকূলীয় জনপদে নির্মিত আশ্রয় কেন্দ্রগুলোও দীর্ঘ সংস্কারহীনতায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অরক্ষিত উপকূলীয় এলাকার ৪ কোটি মানুষ আছে চরম ঝুঁকিতে, সীমাহীন আতঙ্কে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশের উপকূলে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। এসব ঘূর্ণিঝড়ের বেশির ভাগই আঘাত করেছে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম উপকূলে। যেখানে জনবসতি, কৃষি, মৎস্য ও বনসম্পদের ওপর প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি।
গত দুই দশকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল বারবার বিধ্বস্ত হয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। ‘সিডর’ থেকে ‘রেমাল’- এই সময়ের মধ্যে অন্তত নয়টি বড় ঘূর্ণিঝড়ে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটসহ উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এসব ঘূর্ণিঝড়ে শুধু আর্থিক ক্ষতির পরিমাণই দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা। এর বাইরে রয়েছে প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি, জীবিকা হারানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও মানসিক ক্ষতি।
ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে সাধারণত নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ধরা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দুর্যোগ-পরবর্তী বাস্তুচ্যুত মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন গবেষণা বলছে, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে নারী ও শিশুদের জন্য পরিবেশ মোটেও নিরাপদ নয়।
‘আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নারীদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমগুলোর অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। পর্যাপ্ত আলো, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে এসব স্থানে নারীরা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা ও ভায়োলেশনের ঝুঁকিতে থাকেন। বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদনে এ ধরনের ঘটনার উল্লেখ থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপ এখনও দৃশ্যমান নয়।’
উপকূলীয় বাঁধ টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে শক্তিশালী করা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন এবং কৃষি ও জীবিকায় অভিযোজনমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে উপকূলকে নিরাপদ করা যাবে না। এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তবসম্মত অভিযোজন।
উপকূলের বিভিন্ন বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বাঁধগুলো আরও উঁচু ও টেকসই করে তৈরি করতে হবে। বেড়িবাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মনিটরিং টিম গঠন দরকার। একদিকে বাঁধ তৈরি হয়, অন্যদিকে ভেঙে যায়। বাঁধের টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও আছে। বাঁধ সংরক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মনিটরিং বাড়াতে হবে।
উপকূলের মানুষ এখন ত্রাণ চান না, স্থায়ী বেড়িবাঁধ চান।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নতুন সরকারের উচিত দেশের পতিত জমির দিকে নজর দেয়া প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫৫ হাজার শতক পতিত জমি আবাদের আওতায় এনে দেশকে মহা সমৃদ্ধ করা যায় যতদিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা না হবে ততদিন এসব নিয়ামত অধরাই থেকে যাবে (নাউযুবিল্লাহ)
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ আজ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরজ।
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো মহিমান্বিত ১১ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের আরো জোরদার সম্পৃক্ততা তথা লেনদেন দরকার সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতি একে অপরের বিশেষ পরিপূরক হতে পারে।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












