মসজিদে সিসি ক্যামেরা!!
উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
, ০১ জুমাদাল উলা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৮ সাদিস ১৩৯১ শামসী সন , ১৬ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ৩১ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) আপনাদের মতামত
হ্যাঁ পাঠক! সবার স্বাভাবিক চলাচলের মাঝেও আমার থমকে যাওয়ার কারণ ছিলো- মসজিদের প্রবেশমুখেই বসানো সিসি ক্যামেরা। কিছুুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম- প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু তখন ব্যাপারটিকে এত গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনি। মনে করেছিলাম- গণতান্ত্রিক প্রশাসনতো এরকম উদ্ভট ও অযৌক্তিক কত কিছুই তো করার উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু সবকিছুতো আর বাস্তবে করতে পারেনি। কারণ দেশের মানুষের বাধা, আপত্তি ও প্রতিবাদ ইত্যাদি।
কিন্তু ‘মসজিদে সিসি ক্যামেরা’ বসানোর মতো এমন একটি চরম ইসলামবিরোধী ও ইসলাম অবমাননাকর বিষয় বাস্তবে দেখবো সেটা কল্পনাও করিনি। পবিত্র হাদীছ শরীফে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ছাহিব নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাজার হাজার বার ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা ইত্যাদিকে অত্যন্ত কঠোর ও শক্তভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এমনকি যেখানে ছবি থাকবে সেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারকও বর্ষিত হবে না -এটাও ঘোষণা দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার এত শক্ত ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার পরও কিভাবে মসজিদে সিসি ক্যামেরা বসানো হলো- এটা অত্যন্ত কঠিন চিন্তা ও ফিকিরের বিষয়।
পরক্ষণেই ভাবলাম- মসজিদ সংশ্লিষ্ট যে সকল খতীব-ইমাম-মুয়াজ্জিন রয়েছে তারা কি করে এখনো এই মসজিদে নামায পড়ানো জারি রেখেছে? ‘কোনো নামাযী ব্যক্তির আশেপাশে ছবি থাকলে নামায হয় না’ এই মাসয়ালাটি কি তাদের জানা নেই? যেখানে সিসি ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার ছবি অনবরত তোলা হচ্ছে- সেখানে কি করে তারা নামাযের ইমামতি করে যাচ্ছে?
তাহলে তো এটাই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে- মসজিদ সংশ্লিষ্ট ওই সকল খতীব-ইমাম-মুয়জ্জিনরাই প্রকাশ্য এই হারাম কাজের সাথে জড়িত। কারণ আমাদের এই দেশসহ বিশ্বজুড়েই উলামায়ে সূ’ ধর্মব্যবসায়ীরা অনবরত অহরহ ছবি তুলে যাচ্ছে। তারা সরাসরি নিজেরাই এই হারাম কাজের সাথে জড়িত থাকার কারণেই প্রশাসনকে মসজিদে সিসি ক্যামেরা বসানোতে বাধা দিতে পারেনি। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ আজ যদি সকল ইমাম খতীবরা একত্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর প্রতিবাদ করে, প্রতিবাদে সিসি ক্যামেরা বসানো মসজিদে নামায পড়া বন্ধ করে দেয়- তাহলে কেউই মসজিদে সিসি ক্যামের বসানোর সাহস পাবে না।
-রিয়াসাত পারভেজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৮)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১০০০ নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের কৌশলগত অপরিহার্যতা (২)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (২)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (১)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারী জামাতীরা কী মনে করে? বেহেশতে- যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই দুনিয়াতেই হারাম মদের সাথে সম্পৃক্ত থাকা উচিত! নাউযুবিল্লাহ। বিএনপির ভাষায় জামাত মুনাফেক। জাহান্নামের নি¤œস্তরের বাসিন্দা মুনাফিকরা- ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে তারা যে সত্যিই বড় মুনাফেক, তাই প্রমাণ করছে। মাতালদের পক্ষেই সম্ভব ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বেচা।
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে কী পাচ্ছি আমরা? - আকসা ও জিসোমিয়া চুক্তি প্রত্যাখ্যান করুন
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিলে বাংলাদেশ যে সমস্ত গুরুতর হুমকিতে পড়বে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উত্তরাঞ্চলে এক ভয়ংকর চক্রান্ত ও আলেম সমাজের নীরবতা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পুরোনো স্মার্টফোন বিক্রির আগে যে কাজ না করলে বিপদ
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পেগাসাসের জাল বিস্তার বাংলাদেশেও। সবাই সাবধান।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৫০ লক্ষের বাহিনী ও ভবিষ্যতের সাইবার যুদ্ধক্ষেত্রের মহাপ্রস্তুতি (পর্ব-৩)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












