আপনি আপনার সন্তানকে স্কুল-কলেজে পাঠিয়ে শিক্ষিত(!) বানাচ্ছেন- এই আশা নিয়ে আপনি তার জন্য কতই না কষ্ট করছেন। তার জন্য কত শত টাকা-পয়সা খরচ করছেন। তার নিয়মিত স্কুলে যাওয়া তদারকি করছেন, পড়াশুনা ঠিকমত করছে কিনা সেটাও দেখাশুনা করছেন।
ভালো কথা! কিন্তু আপনি কি একবার আপনার সন্তান তার বইয়ে কি পড়ছে, কি শিখছে, কি দেখছে, সেটা একবারও দেখেছেন? তার বইগুলোর পাতাগুলো একবার খুলে দেখেছেন? তার সাথে এ নিয়ে কথা বলেছেন?
এ প্রশ্নগুলো করার পিছনে অবশ্যই কারণ আছে। বর্তমানে আমাদের দেশের শিক্ষানীতি, সিলেবাস ও পাঠ্যবই নিয়ে যে কত বড় ও কৌশলী চক্রান্ত হচ্ছে- সেটা হ বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিকায়ন তাদের ইতমিনান কেড়ে নিলো। ডিজিটালাইজড করতে দেশব্যাপী ছবি সংগ্রহ করা হয়। এক্ষেত্রে সে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চল সব কিছুরই ভিডিও করা হয় এবং সর্বদা স্যাটেলাইট দ্বারা তাদেরকে অনুসরণ করার ব্যবস্থা করা। ফলশ্রুতিতে তাদের সেই ছবি ও ভিডিওকে উপজীব্য করে অহরহ ড্রোন হামলা করছে মার্কিন সন্ত্রাসীরা।
সম্প্রতি বাংলাদেশের সরকারের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় গুগল দেশব্যাপী ছবি সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এক্ষেত্রে আধুনিকায়নের পচা মুলা দেখানো হচ্ছে দেশবাসীকে। কিন্তু এসবের শেষ পরিণতি সম্পর্কে একবার বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী শান্তি নিকেতনে রবীন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তোমার লেখায় ইসলাম ও বিশ্বনবী সম্পর্কে কোনো কথা লেখা নেই কেনো? উত্তরে রবীন্দ্র বলেছিলো, “কোরআন পড়তে শুরু করেছিলুম কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারিনি আর তোমাদের রসুলের জীবন চরিতও ভালো লাগেনি। ” (তথ্যসূত্র: বিত-া, লেখক সৈয়দ মুজিবুল্লাহ, পৃষ্ঠা -২২৯) নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
কত বড় স্পর্ধা, কত বড় বজ্জাত, কমজাত হলে এভাবে কথা বলতে তার কলিজায় কাঁপনও ধরলো না। ঠিক যেভাবে আবু লাহাব, আবু জাহেলরা কথা বলেছে সেভাবে সে কথা বললো।
এরপর আর কোনো কথা থাকতে পারে বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমান পালন করবে ইসলাম। মুসলমান নিজে বা কারো প্রভাবে ইসলামের বিপরীত কাজ-কর্ম করতে পারবে না।
মুসলমান হিসেবে নিজেকে দাবি করলে সে ব্যক্তি কখনোই বিধর্মীদের কোনো নিয়ম-নীতি চর্চা করার অধিকার রাখে না।
মুসলমান পরস্পরে কাটা-কাটি মারামারি দন্ধ কলহে জড়িত হবে না।
মুসলমানের ঘরে বাড়িতে টিভি ভিসিআর ডিস এন্টিনা ইত্যাদি থাকবে না।
মুসলমানের ঘরে আলমারীতে কোথাও প্রাণীর ছবি, মুর্তি, পুতুল ইত্যাদি পূজনীয় সরাঞ্জমাদি থাকবে না।
মুসলমান প্যান্ড, শার্ট, টাই, কোর্ট ইত্যাদি ইসলাম বহির্ভুত পোশাক পরিধান করতে পারে না।
মুসলমান পুরুষেরা চার টুকরা ব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার এক অগ্নিউপাসককে কিছু ঋণ দিয়েছিলেন। অতঃপর একদিন ঋণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে গমন করলেন। যখন উনি গৃহের দ্বারে উপস্থিত হলেন তখন উনার না’লাইন শরীফে কিছু ময়লা লেগে যায়। তিনি না’লাইন শরীফ একটু ঝেড়ে নিলেন। এতে ময়লা ঋণ গ্রহীতার বাড়ির দেয়ালে লেগে যায়। কিন্তু উনার নিজের না’লাইন শরীফ পরিষ্কার হয়ে গেল। হযরত ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি দেয়ালে ময়লা দেখতে পেয়ে বিব্রত হলেন। তিনি ভাবলেন যদি আমি এই অবস্থায় চলে যাই তাহলে এই লোকটির দেয়াল খারাপ করার কারণে আমি অভিযুক্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশে সংস্কৃতি চর্চার নামে অপসংস্কৃতি ও ইসলামবিরোধী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ সম্মত না হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই এসব উৎসবে দেখা যায় নাচ-গান, বেপর্দা-বেহায়াসহ হাজারো হারাম কাজের সমারোহ।
পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার দশম তারিখ হচ্ছে ‘ইয়াওমুল আশূরা’ শরীফ। যা স্মরণীয় ও মর্যাদাম-িত দিন। আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুরু করে প্রথম নবী ও রসূল হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার পর্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে মহান আল্লাহ পাক নারী-পুরুষের যে স্বাভাবিক সম্পর্ক দিয়েছেন, এটাই হলো বৈধ। এর বাইরে অনেক মানুষের মধ্যে অনেক কুরুচি ও অনৈতিকতা লক্ষ্য করা যায়। এগুলোকে বলা হয়, বিকৃতগামী বা পার্ভারশন। যারা এমন করে তাদের আমরা বলি, কুরুচি সম্পন্ন বা পার্ভার্ট। আমরা ইসলামী শরীয়তসম্মত স্বাভাবিক জিনিসকে স্বীকৃতি দেই, কিন্তু বিকৃতকে দেই না। কারণ বিকৃত মানেই মন্দ ও অস্বাভাবিক। পৃথিবীতে মানুষের মাঝে কুরুচির অভাব নেই। পশ্চিমাবিশ্ব বিকৃতগামী বা পার্ভারশনকে স্বীকৃতি দিতে গিয়ে অনেক কুরুচিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যেমন- অযাচার বা পারিবারিক নিকট সম্প বাকি অংশ পড়ুন...
যুগে যুগে মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা ধ্বংসের জন্য অনেক উপকরণ মানুষের সামনে এসেছে। তবে এর বেশিরভাগ এসেছে ‘মন্দ’ রূপে। মানুষ জেনেছে বিষয়টি খারাপ, তবু নফসের তাড়নায় সেই অবৈধ কাজটি করেছে। কিন্তু যখন সেই অনৈতিক উপকরণ ভালো ছূরতে আসে, তখনই ঘটে বিপত্তি।
বর্তমান যুগে সেরকম একটি ফিতনা হলো, সমকামীতা বা ‘এলজিবিটিকিউ+ মুভমেন্ট’, যার মাধ্যমে আমার আপনার সুস্থ-স্বাভাবিক সন্তানকে হিজরা, সমকামী বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে।
মূলতঃ এ ধরণের অনৈতিক বিষয়গুলো মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া ইহুদীদের একটি পুরাতন ষড়যন্ত্র। এ ধরণের বিষয়গুলোকে বলে, কাউন্টার কাল বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে- “সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানগণ উনাদের শত্রু। তোমরা কখনোই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না। ”
আজকে যারা কাফির-মুশরিকদের হারাম খেলাধুলাকে সমর্থন করছে, দেখছে, এবং খেলার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করছে খুশি প্রকাশ করছে। তাদের ঈমানতো থাকবে না। কারণ আক্বাইদের কিতাবে আছে যেকোনো হারামকে হালাল বললে কুফরী হয় এতে সে কাফির হয়ে যায়। তাহলে মুসলমানরা তাদের অজান্তেই কুফরী করে এক কাফির হচ্ছে। যার সাথে যার মুহব্বত তার সাথ বাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী বই’ বলে অপপ্রচার করা।
তাদের এহেন অপপ্রচারের কাারণে সূক্ষ্মভাবে মানুষ পবিত্র ইসলামের অন্যতম বুনিয়াদ জিহাদকে হেয় বা কটাক্ষ করে যাচ্ছে। অথচ খোদ পবিত্র কুরআন শরীফেই অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফেই জিহাদ করার আদেশ-নির্দেশসমূহ বর্ণিত হয়েছে। তাহলে তো বলতে হয় পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ঈমান রক্ষার জন্য ফান্ড তৈরি করা উচিত। যার যার আয় থেকে ৩০% অথবা ৪০% জমা করা উচিত। এটা প্রত্যেক মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। এই ফান্ডের টাকা দিয়ে পবিত্র ঈমান রক্ষার জন্য যা যা করার প্রয়োজন সেই বিষয়গুলোতে খরচ করতে হবে এবং সাথে সাথে কাফিরগুলোকে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করতে হবে।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতের আঞ্জাম দেয়ার জন্য, কাফিরগুলোকে মুসলমান বানানোর জন্য, কাফিরের দেশগুলো জয় করার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...












