মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে। ” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইহুদী-নাছারারা হিংসাবশত মুসলমানদের ঈমান আনার পর কুফরী করাতে চায়। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯)।
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান উনাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ইহুদী এবং মুশরিকরা। কাফির-মুশরিক, বিধর্মীরা তারা তোমাদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানিয়ে দিতে চায়। নাউযুবিল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা হও। ’
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইলিম হচ্ছে দু’প্রকার। প্রথমতঃ ক্বলবী ইলিম, যা উপকারী ইলিম। দ্বিতীয়তঃ জবানী ইলিম, যা আদম সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে দলীল স্বরূপ। ” (দারিমী শরীফ, মিশকাত শরীফ, কানযুল উম্মাল)
ক্বল্ব্ অর্থ হচ্ছে অন্তর। ক্বলবী ইলিম হচ্ছে অন্তর বা ক্বল্ব্ পরিশুদ্ধ করার ইলিম। যে ইলিম অর্জন করলে অন্তরের বদখাছলত দূর হয়ে নেক খাছলত বা নেক স্বভাব পয়দা হয়।
জবানী ইলিম হচ্ছে, ইলমে ফিক্বাহ বা ইলমে শরীয়ত। ইলমে ফিক্বাহ মাদরা বাকি অংশ পড়ুন...
এটা সবারই জানা আছে, পড়ালেখা করুক আর না করুক- সবাই এই কথাটিকে আওড়িয়ে থাকে। ‘শিক্ষা জাতির মেরুদ-’। কিন্তু শিক্ষা নামক এই মেরুদন্ড নিয়ে এ দেশের মুসলমানদের কখনো কোনো চিন্তা-ভাবনা করে থাকে বলে মনে হয় না। কারণ আজ অনেক বছর থেকেই দেশের প্রচলিত সিলেবাসে, পাঠ্যবইগুলোতে ইসলামী শিক্ষাকে একপাশে সরিয়ে যেভাবে হিন্দুত্ববাদ, নাস্তিক্যবাদ শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তা কারোই নজর এড়ানোর কথা নয়। কারণ নিজের সন্তান, ভাই-বোনরাইতো ওইসব বই পড়ে থাকে। বাসায়ও এনে রাখে। ওইসব ছাত্রছাত্রীদের পিতামাতা অভিভাবকরা কি কখনো এইসব বই একবারের জন্যও খুলে দেখেনি? তাছাড়া ত বাকি অংশ পড়ুন...
মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। ” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৮৫)
এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে মৃত্যুবরণ না করে পারবে। কারো পক্ষেই মৃত্যুবরণ না করা সম্ভব নয়। সকলকেই মৃত্যুবরণ করতেই হবে। তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি সকল জিন-ইনসানকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক উ বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেই দাবি করে থাকে, সউদী আরবে যদি হারাম টিভি থাকে, তবে অন্যস্থানে রাখতে সমস্যা কোথায়? নাউযুবিল্লাহ!
এর উত্তরে বলতে হয়, সউদী আরব পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল নয়, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ। পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুসারে ছবি বা টিভি হারাম, তাই সউদী আরব কি করলো তা মুসলমানদের দেখার দরকার নাই।
তারপরও যে সকল মূর্খ এ ধরনের কথা বলে, তাদের সউদীতে টিভি প্রবেশের ইতিহাস জেনে রাখা প্রয়োজন। আসুন ইতিহাস পড়ে নেই-
সউদী আরবের ওহাবী কথিত বাদশাহ ফয়সাল (শাসনকাল: ১৯৬৪-১৯৭৫) সর্বপ্রথম ১৯৬৫ সালে দেশটিতে হা বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক লাদেন, আইএস, তালেবান, সউদী ওহাবী শাসক বা তার সমগোত্রীয়রা কি বলছে সে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্রিকা।
ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানের জযবা, ঈমানী কুওত এতই কমে গেছে, যার ফলশ্রুতিতে মুসলমানরা তাদের দিকে রুজু হয়ে পড়ছে। আর এক শ্রেণীর পত্রিকা আছে যেগুলো ছলচাতুরি করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাফিরদের বড়ত্ব বর্ণনা করে। ফলে সাধারণ মুসলমানরা বিভ্রান্ত হয়ে কাফিরদের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
অথচ কাফিররা জন্মলগ্ন থেকে মুসলমান বাকি অংশ পড়ুন...
মাত্র দুটি অক্ষর কিন্তু এর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। এই পৃথিবীতে সবাই সুখী হতে চায় কিন্তু জানে না সুখের পায়রাটা কোথায়? সুখ হৃদয়ের একটি অনুভূতি। ছূফীরা যাকে বলে ‘তাতমাইন্নুল ক্বুলুব’- হৃদয়ের প্রশান্তি। মানুষের হৃদয় বেশি সময় এটা ধরে রাখতে পারে না। অশান্ত চিত্ত, নফসে আম্মারা শুধু ডালে ডালে ঘুরে বেড়ায় সুখের সন্ধান পায় না। নফসে আম্মারা হলো অস্থির চিত্ত কোনো কিছুতে সে সন্তুষ্ট নয়। আরো চাই আরো চাই- হলো তার ইচ্ছা। এ ক্ষুধা মেটানো অসম্ভব। অশান্ত চিত্তকে সুখী করা যাবে না। এর ঊর্ধ্বগতিকে নিম্নমুখী করতে হবে। অতৃপ্ত ক্ষুধা শয়তানের স্বভাব, বাকি অংশ পড়ুন...
প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ অবস্থান মুবারক করার সময় কতিপয় যুবক তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মদীনা শরীফ হিজরত মুবারক করলেন তখন ঐ সমস্ত যুবকদেরকে তাদের বাপ-দাদা ও বংশের লোকেরা বন্দী করে রাখে এবং দ্বীন ইসলাম পরিত্যাগের জন্য তাদের উপর নির্যাতন চালায়। এতে তারা ঈমান ধরে রাখতে না পেরে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ত্যাগ করে। ন বাকি অংশ পড়ুন...
আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ধর্মবিদ্বেষী লেখিকা তসলিমা নাসরিন একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলো। স্ট্যাটাসটি ছিলো এমন- “সায়েন্স পড় সায়েন্স পড় বলে বলে মানুষকে র্যাশনাল (যুক্তিনির্ভর) হওয়ার উৎসাহ দিয়েছি জীবনভর। লাভ হয়নি। সায়েন্সে পড়া মানুষগুলো, মানে ওই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারগুলো, ফিজিক্স কেমেস্ট্রির পন্ডিতগুলো, বেশির ভাগই দেখি ধর্মের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে। ধর্মের আজগুবি গপ্প নিয়ে সন্দেহ করে, প্রশ্ন করে,বা ধর্ম থেকে সরে আসে যারা, তারা অধিকাংশই আর্টসের সাব্জেক্ট নিয়ে লেখাপড়া করেছে, সাহিত্য বা দর্শন পড়েছে, আর্ট কলেজে পড়েছে ,ফিল্ম নিয়ে পড়েছে। ত বাকি অংশ পড়ুন...
লক্ষ্য করুণ, হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন- আমি ইহুদী ও নাসারাদের আরব উপদ্বীপ হতে অবশ্যই বহিষ্কার করব। মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে সেখানে বসবাস করতে দিব না। [সহীহ আবূ দাউদ, মুসলিম]
আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই পবিত্র আদেশ হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব আলাইহিস সালাম নিজ খিলাফত আমলে বাস্তবায়ন করেন।
অথচ সৌদ পরিবার সেই আদেশ লঙ্ঘন করে কাফির-মুশরিক, ইহুদী-খ্রিস্টানদের নিয়ে আসছে আরব উপদ বাকি অংশ পড়ুন...












