ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে বসে থাকে। তারা বলে থাকে- মাজুরতার কারণে তারা এভাবে নামায পড়ে। আর এজন্য ইমাম সাহেবের থেকেও কোনো বাধা নিষেধ থাকে না। এর একটি কারণ কমিটির প্রভাবশালীদেরকে তোষণ করা আর অন্যটি হলো ইমাম সাহেবদের অজ্ঞতা মূর্খতা।
অথচ পবিত্র মসজিদ শরীফ হলো শুধুমাত্র সুস্থ মুসল্লীদের জন্য। যারা অসুস্থ মুসল্লী তাদের জন্ বাকি অংশ পড়ুন...
চালের দাম বাড়িয়ে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে সে টাকা দিয়ে দেশের মানুষ ফ্লাইওভারে চড়বে, মেট্রোরেলে চড়বে, বড় বড় শপিং মলে গিয়ে চড়া দামে মার্কেট করবে এমনটি দেশের কত পার্সেন্ট মানুষ চেয়েছিলো? না, এটা এদেশের কোটি কোটি সাধারন মানুষরা চায়নি। চেয়েছিলো এদেশের লোভী প্রশাসনের লোকগুলো, চেয়েছিলো মজুদদার ও সিন্ডিকেট ব্যবাসায়ীরা।
গুটিকতক লোকের লোভের করুণ পরিণতি ভোগ করছে আজ দেশের কোটি কোটি মানুষ। তারা এখন আর সঞ্চয় করাতো দূরের কথা, যতটুকু সঞ্চয় ছিলো ততটুকুই ভেঙ্গে খরচ করছেন, যতটুকু কামাই করেন সেটা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
দেশের মানুষের সেবা করতে বাকি অংশ পড়ুন...
যত্রতত্র বিভিন্ন কোম্পানীর অশ্লীল ছবিযুক্ত সাইনবোর্ড কমবেশি সবারই দৃষ্টিগোচর হয়। সাইনবোর্ডগুলো শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেক স্থানে মসজিদের উপরেও অশ্লীল ছবিযুক্ত সাইনবোর্ড লাগানো আছে। মুসল্লিরা নামায পড়তে মসজিদের দিকে মুখ ফিরালে সেই সাইনবোর্ডে চোখে পড়ে।
এছাড়াও বাংলাদেশসহ ভারতীয় অশালীন নায়িকাদের কতই না সাইনবোর্ড, পোস্টার ও ব্যানার দেখা যায়। এখন যেন ছোট কাপড় পরিধানকৃত নায়িকাদের সাইনবোর্ড, পোস্টার ও ব্যানারগুলো ফ্যাশানে রূপান্তরিত হয়েছে। অপরদিকে শপিংমলগুলো মূর্তির শপিংমলে রূপান্তরিত হয়েছে। শপ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ‘প্রত্যেকে যা আমল করবে সে হিসেবেই তার জন্য নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে। ’ (পবিত্র সূরা আনআম: আয়াত শরীফ-১৩২)
‘হে মু’মিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর; যেখানে নিয়োজিত আছেন দৃঢ় অন্তর ও শক্ত প্রকৃতির ফেরেশতাগণ। (পবিত্র সূরা আত-তাহরীম: আয়াত শরীফ-৬)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হেয়েছে- “জাহান্নামের সবচেয়ে কম ও সহজতর শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তি পৃথিবী পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তার বিনিময়ে এ আযাব থেকে মুক্তি পাও বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। ” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
তথাকথিত অধুনাবাদীদের ভাষ্য হলো- প্রাচীনকাল তথা অন্ধকার যুগের অসভ্যতা থেকে নাকি আমরা ক্রমেই সভ্য হচ্ছি ! পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণ আমাদেরকে আধুনিক আর সভ্য করছে- এটাও সভ্য মানুষের ভাষ্য, “যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়”। এই কথা “যুগের” স্থলে “শয়তানের” বললে মন্দ কি? কে কত সভ্য আর সম্মানিত তা নির্ণয় করা হয় কে কত পশ্চিমা অর্থাৎ ইহুদী-মুশরিকও নাছ বাকি অংশ পড়ুন...
ইদানিং সরকার বিদেশী বিভিন্ন আগ্রাসী কর্পোরেট কোম্পানীর সাথে জিএম ফুড নিয়ে চুক্তি করছে। এই চুক্তি করছে কোন রকম গবেষণা ছাড়াই। একটা জিএম ফুড বাজারে ছাড়ার আগে তার ক্ষতিকর দিক কি হতে পারে, বীজসত্ব কি হবে, খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়বে কি না , মানুষ এই খাবার খেলে কি উপকার পাবে, খাদ্য উৎপাদন কেমন হবে, পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে কি না তা যাচাই করা ছাড়াই চুক্তি হচ্ছে, বীজ বাজারে ছাড়া হচ্ছে যা সনদের লঙ্ঘন।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করবেন এবং প্রাকৃতিক সম্প বাকি অংশ পড়ুন...
পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের দোষারোপ এবং তাদের প্রতিপক্ষ ধরে নিয়েছে? এর মূল কারণ হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ব্যাপক সংখ্যক মানুষের ঝুঁকে পড়া। সম্মানিত ইসলামই এখন বিশ্বে একমাত্র দ্বীন, যার অনুসারীর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের সূত্র থেকে জানা গেছে, অনেক দেশ তাদের মুসলমান নাগরিকদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করে না। ভারত, চীন, তানজানিয়া, ইথিওপিয়াসহ বিভিন্ন দেশ মুসলমান নাগরিকদের যে সংখ্যা প্রকাশ করে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরো বেশি। প্রতিবেদনে একট বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত কাফিরদের দেশে মুসলমানদেরকে জুলুম, নির্যাতন, শহীদ করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমানদের জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ইলিম অর্জন করা ফরয। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অনেক জায়গায় মহান আল্লাহ পাক তিনি জানিয়েছেন, কাফির-মুশরিকরা হলো নিকৃষ্ট জীব, নাপাক, জাহান্নামী। এরা মুসলমানদের চরম শত্রু, এদেরকে কখনো বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। এদেরকে পরামর্শদাতা হিসেবে গ্রহণ করো না, এরা মুসলমানদের ভালো চায় না, এদের অন্তরে মুসলমানদের প্রতি কঠিন বিদ্বেষ ও হিংসা রয়েছে। এদেরকে কখনো অনুসরণ করো না ইত্যাদি।
প্রত্যেক মুসলম বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেহেতু মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মী অমুসলিমদের সাথে কোনো প্রকার মিল-মুহব্বত এবং তাদের তর্জ তরীক্বা, নিয়ম-নীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন, তাহলে তাদের তৈরিকৃত বা উদ্ভাবিত আসবাব, যন্ত্রপাতি তথা কম্পিউটার, মোবাইলসহ অন্যান্য মেশিনারিজ ব্যবহার করার বিষয়ে অনেকেই সঠিক ও সুস্পষ্ট ফায়সালা করতে পারে না।
প্রথ বাকি অংশ পড়ুন...












