১৯৪৮ সালে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইহুদীবাদি ইসরাইল। ওই বছরই আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ফিলিস্তিনি ভূখ-সহ বেশ কিছু আরবভূমি দখল করে নেয় ইসরাইল। এরপর ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ফিলিস্তিনের প্রায় পুরোটাই ও মিসরের কিছু ভূমিও দখল করে ইসরাইল। প্রায় ৭০ বছরে ইসরাইলিরা লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি মুসলমানকে শহীদ করেছে।
ইতিহাস বলে, সেই ১৯৫১ সালেই এই দখলদার ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় হিন্দুত্ববাদী ভারত। ইসরাইলের সঙ্গে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদির ভারতের বন্ধনের বিষয়টি বাকি অংশ পড়ুন...
অন্ধের হাতি দেখার ঘটনাটির মতো একই দশা হয়েছে আমাদের দেশের জনগণের ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের। তারা নিজেদের অনেক দুর্বল ও শক্তি-সামর্থ্যহীন মনে করে। হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিন্তু আসলে ব্যপারটি কখনোই এরকম হওয়ার কথা ছিলো না।
মুসলমান আজ কোন অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলতে ভয় পায়, হারাম-নাজায়িজ কাজের প্রতিবাদ করতে ভয় পায়। কিন্তু এসকল মানুষ যদি আজ সিনেমা দেখা বন্ধ করে দেয়, তাহলে কি সিনেমার ব্যবসা বন্ধ হবে না? অবশ্যই বন্ধ হবে। কারন দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। আর যারা হারাম-নাজায়িজ সিনেমা, নাটক করে তারা সর্বসাকুল্যে মাত্র লাখখানেক বাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী বই’ বলে অপপ্রচার করা।
তাদের এহেন অপপ্রচারের কাারণে সূক্ষ্মভাবে মানুষ পবিত্র ইসলামের অন্যতম বুনিয়াদ জিহাদকে হেয় বা কটাক্ষ করে যাচ্ছে। অথচ খোদ পবিত্র কুরআন শরীফেই অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফেই জিহাদ করার আদেশ-নির্দেশসমূহ বর্ণিত হয়েছে। তাহলে তো বলতে হয় পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসে যতটুকু পাওয়া যায় তা হচ্ছে কোয়াকার-রা প্রায় ৩৫০ বছর ধরে এই মিনিট নিরবতা পালনের অনুষ্ঠান করে আসছে। এটি একটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস হিসেবে এটি পালন করে থাকে।
এছাড়া যা জানা যায় তা হচ্ছে- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে (জার্মানির সাথে যুদ্ধ বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত) ব্রিটিশদের যেসব যোদ্ধারা মারা যেত তাদের স্মরণে সাউথ আফ্রিকার কেপ টাউনে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হতো। এই নিরবতা পালনের বিষয়টি রয়টার্সের একজন সাংবাদিক লেখালেখির মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে দেয় এবং যা পরে কালচ বাকি অংশ পড়ুন...
আমার সাথে একটা মেয়ে পড়তো। তার নাম ছিল মনীষা। গান পাগল মেয়ে , নাচ পাগল মেয়ে। তার মেয়ে বন্ধুর চেয়ে ছেলে বন্ধু বেশী। তার অনেক বন্ধু। এর মধ্যে তার হিন্দু বন্ধুও ছিল। ......... একদিন শুনলাম সে তার সেই হিন্দু বন্ধুটাকে বিয়ে করেছে। নাউজুবিল্লাহ!
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, সৎ সঙ্গে জান্নাতবাস আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। ”
ফার্সিতে একটা শে’র আছে। কবি বলেন,
صحبت صالح ترا صالح کند + صحبت طالح ترا طالح کند
অর্থাৎ, সৎ সঙ্গ তোমাকে ভাল করে আর অসৎ সঙ্গ খারাপ করে।
কবি আরো বলেন,
پسر نوح بابداں بنشست + خاندان نبوتش گم شد
ساگ اصحاب کہف روزے چند + پئے نیکاں گرفت مردم شد.
অর্থাৎ, হযরত নূহ্ আলাইহিস্ সালাম উ বাকি অংশ পড়ুন...
পাঠ্যবই বিতর্ক এখন দেশজুড়ে। তবে নানা রকম বিতর্কের মাঝে অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, দেশাত্মবোধক, মানবতাবাদী বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা বেশি। তারা(!) বলতে চায়- ইসলাম শিখবেন, দ্বীন শিখবেন বাসায়, বাড়িতে, মা-বাবার কাছে। আর স্কুল-কলেজে এসে বাকি বিষয় শিখবেন; স্কুল-কলেজ নাকি দ্বীন শিক্ষার জায়গা নয়।
আমরা যদি ইসলামকে পরিপূর্ণ বলে স্বীকার করেই থাকি, তাহলে তো ইসলাম ছাড়া বাকি যা আছে তাকে অনৈসলামী বা ইসলামবিরোধীই বলতে হবে। তবে তাদের (!) কথার প্রেক্ষিতে বলতে হয় স্কুল-কলেজ কি তাহলে বিধর্মী-বিজাতীয় শিক্ষা লাভের জায়গা?
মূলত এ ধরণের কথা মুসলমানদের কথ বাকি অংশ পড়ুন...
বাঙালী কর্তৃক উপজাতীয় নারী নির্যাতনের বিষয়ে উপজাতী সন্ত্রাসীদের প্রচার- প্রপাগা-া, প্রতিবাদ মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশের আড়ালে, পাহাড়ে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে উপজাতি কর্তৃক বাঙ্গালী নারী সম্ভ্রমহানির ঘটনা।
১. ২০১২ সালের ১৩জুন মাটিরাঙ্গা উপজেলার পলাশপুর জোন সদরের কাছাকাছি দক্ষিণ কুমিল্লা টিলা এলাকায় মুসলিমপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে কুলসুম আকতার (১২) নামে এক কিশোরী উপজাতি সম্ভ্রমহানির শিকার হন।
২. ২৩ জুলাই ২০১২ মহালছড়ির মাইসছড়ি এলাকায় এক বাঙ্গালী গৃহবধুকে উপজাতি যুবক কর্তৃক সম্ভ্রমহানি করেছে।
৩. এ ঘটনার কয়েক মাস বাকি অংশ পড়ুন...
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’ নামধারণকারী একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে আমাদের দেশে। সেই প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব হলো দেশের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই ছায়া হয়ে ভুক্তভূগীর পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু কি করছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন?
পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি অঞ্চল যেখানে সারা দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি বিচার বহির্ভূত অপরাধ সংগঠিত হয়। উপজাতী সন্ত্রাসীদের নিত্য অপকর্মে এখানকার জনজীবন অসহায়। সুতরাং এই অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে থাকাটা অবশ্যই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু কী করছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন?
পা বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েকদিন পরপরই হিন্দুত্ববাদীরা তুচ্ছ অজুহাত তুলে মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করে! ভারতে মুসলমান নিধনকারী দাঙ্গা শুধু আজকে নয়, বহু পূর্ব থেকেই উগ্র হিন্দুরা জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে আসছে।
১৯৬১-এর অক্টোবরে আলিগড় মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৬২-তে মধ্য-প্রদেশের জাবালপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৬৪-তে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৬৭-তে বিহারের রানচিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৬৯-তে গুজরাটের আহমেদাবাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৭০-এ মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দি, জালগন ও মালাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা।
১৯৭১-এ বিহারে মুসল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমাদের কাছে আযাব-গযব আসার এবং সাহায্য ও সহায়হীন হওয়ার পূর্বেই তোমরা তোমাদের মহান পালনকর্তা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ধাবিত হও এবং উনার কাছে আত্মসমর্পন করো তথা পূর্ণ আজ্ঞাবহ হও। (সূরা যুমার: আয়াত শরীফ ৫৪)
আযাব-গযব আসলো গেলো; কারো কোন ফিকির বা চিন্তা নাই। অথচ মহান আল্লাহ পাক কতইনা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন আযাব-গযব আসবে। উক্ত আয়াত শরীফ পড়ে মুসলমানদের সতর্ক হওয়া উচিত।
কখন আযাব-গযব আসে?
১) যখন মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ-নিষেধ অমান্য করতে শুরু করে। নাউজুবিল্লাহ।
২) যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবু বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা শহীদ হয়েছে, দেশের উন্নয়নে ও দেশের স্বার্থ উদ্ধার করতে যারা সারা জীবন ব্যয় করেছে তাদেরকে দেশের সরকার-প্রশাসন সম্মান জানাতে চায়, শ্রদ্ধা জানাতে চায়। কিন্তু সেটা কিভাবে? যেহেতু তারা মুসলমান ছিলো, তাহলে শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতেই তাদের প্রতি সম্মান বা শ্রদ্ধা প্রকাশ করার কথা।
কিন্তু বাস্তবে কি হয় বা কি হচ্ছে? অমুসলিম-মুশরিকদের মতো করে বেদী বানিয়ে তাতে ফুল দেয়া হয়। গান, নাটক, নাচ ইত্যাদি করা হয়। এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
কিন্তু যাদের উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে, তারাতো ঈমানদার ছিলো, মুসলমান ছিলো। তারা ঈমানী বাকি অংশ পড়ুন...












