সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কথা বলার পূর্বে সালাম দাও।”
মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে, প্রথমে সালাম দিয়ে এরপর কথা বলা শুরু করা। সম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে জানা যায় যে, যে প্রথমে সালাম দেন তিনি ৯০টা নেকী পান এবং যিনি জবাব দিবেন তিনি পান ১০টা নেকী। সুবহানাল্লাহ!
সালাম দেয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত এবং সালামের জবাব দেয়া ওয়াজিব। অর্থাৎ কেউ যদি সালাম দেন তাহলে অবশ্যই জাওয়াব দিতে হবে। না দিলে গুনাহগার হবে।
সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনিই কায়িনাতের বুকে একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আমাদের আরো দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। একজন মুসলমান তখনই একটি বিষয় প্রচার করবে, যখন সে নিশ্চিত হবে, প্রচারকৃত বিষয়টি শতভাগ সত্যি। পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘কোনো মানুষ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে (সত্য-অসত্য যাচাই না করে) তাই বলতে বা প্রচার করতে থাকে’। (বুখারী শরীফ)
কোন একজন রেস্টুরেন্টের খাবার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ পেয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সেটা যাচাই করবেন, আদৌ তা সত্য না মিথ্যা। যদি তার অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তখন বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ০৯ শাওওয়াল শরীফের পর)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন,
‘হে আবূ যর, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একটি পবিত্র আয়াত শরীফ শিক্ষা করা আপনার জন্য একশত রাকায়াত নফল নামায পড়ার চেয়েও উত্তম। ইলিমের একটি অধ্যায় শিক্ষা করা আপনার জন্য এক হাজার রাকায়াত নফল নামায পড়ার চেয়েও উত্তম। চাই এর উপর আমল করা হোক বা না হোক। (সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ২১৯)
ইলিম অর্জনের উদ্দেশ্য হলো, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, বাকি অংশ পড়ুন...
তালক্বীন সম্পর্কে কিতাবে আরো উল্লেখ করা হয়েছে-
وكيفيته أن يقال يا فلان ابن فلان أذكر دينك الذي كنت عليه في دار الدنيا بشهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: তালক্বীন করার নিয়ম হলো- কোনো একজন, মৃত ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে বলবে-
“হে অমুকের সন্তান অমুক” (তুমি এই সময় স্বরণ করো/বলো) দুনিয়ায় থাকাকালীন অবস্থায় তুমি যার উপর কায়িম ছিলে অর্থাৎ মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ব্যতীত কোন মা’বুদ নেই, আর অবশ্যই আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বাকি অংশ পড়ুন...
পারিবারিক জীবন শান্তিময় করার জন্য আহাল-আহলিয়া উভয়ের ভূমিকা অপরিসীম। আর শান্তিময় জীবন-যাপন করা তখনই সম্ভব যখন পবিত্র কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী জীবন পরিচালিত হবে। একজন আহাল তার সম্মান রক্ষা করতে পারে তার আহলিয়ার দ্বারা এবং একজন আহলিয়াও তার সম্মান রক্ষা করতে পারে তার আহালের দ্বারা। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে উভয়কে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّن
অর্থ মুবারক: “তোমরা (পুরুষরা) তাদের (মহিলাদের) আব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ উনার ২৪ ও ২৫নং আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ ضَرَبَ اللَّـهُ مَثَلًا كَلِمَةً طَيِّبَةً كَشَجَرَةٍ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِي السَّمَاءِ ﴿٢٤﴾
تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا ۗ وَيَضْرِبُ اللَّـهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٢٥﴾
অর্থ মুবারক: “আপনি কি লক্ষ্য করেননি, কিভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম কথার মেছাল পেশ করেছেন? অর্থাৎ আপনি লক্ষ্য করেছেন, কিভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম কথার মেছাল পেশ করেছেন। (উত্তম কথা) উত্তম গাছের মতো। যার শিকড় খুবই মজবুত এবং যার শাখা-প্রশ বাকি অংশ পড়ুন...
বিবাহের দ্বারা রিযিক বৃদ্ধি পায়
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দী মুবারক হাছিল অর্থাৎ নিজের চরিত্রকে পূত-পবিত্র রাখার নিমিত্তে যারা বিবাহ করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-
جَاءَ رَجُلٌ اِلَـى النَّبِـيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَشْكُوْ اِلَيْهِ الْفَاقَةَ فَأَمَرَه اَنْ يَّتَزَوَّجَ
অর্থ: একদা এক ব্যক্তি মহাসম্মানিত হাবীব ও বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন ‘আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ‘মুমিন নারীদেরকে বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে। (পবিত্র সূরা আন-নূর শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)
অন্য মহাপবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তোমরা (মহিলারা) নিজ গৃহে অবস্থান কর, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য্য প্রদর্শন ক বাকি অংশ পড়ুন...












