মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে, মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত সব অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা।
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ ইত্তেবা করতে পারবেন উনারাই মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
পতিতালয় নারী নিপীড়নের একটি জঘণ্য কারখানা। এটা এমন একটা জায়গা যেখানকার প্রত্যেকটা মেয়েকেই তাদের অনিচ্ছায় এই পেশায় নিযুক্ত হতে বাধ্য করা হয়েছে। সমাজে পতিতালয় অবস্থান থাকার কারণেই নিরীহ-নিরপরাধ সহজ-সরল অনেক মেয়ের জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। তাদের জীবনটা হয়ে যায় অভিশপ্ত। যেই অভিশপ্ত জগৎ থেকে তারা কোনো দিন আর ফিরে আসতে পারে না সভ্য সমাজে, আপন পরিবারে। জীবনের সকল স্বপ্ন-সাধ-আসা-আকাঙ্খা পরিবার-সংসার সবই শেষ হয়ে যায় এখানেই।
বিভিন্ন গবেষণা, জরিপ ও তথ্য-উপাত্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- বিশ্বে নারী পাচার ও নারী অপহরণের প্রধান কারণ পতি বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান মহিলাদের অবস্থা অবলোকন করলে আফসুস করতে হয় যে, তারা শুধু নামেই ‘মুসলিম মহিলা’। কিন্তু তাদের হাল-হাক্বীক্বত, সীরত-ছূরত অন্যান্য বাতিল ধর্মাবলম্বীদের মতো। তথাকথিত প্রগতিশীল মহিলাবাদীদের দ্বারা উন্মুক্ত ‘মহিলা স্বাধীনতা’র আজ জয়-জয়কার। ‘মহিলা স্বাধীনতা’র নামে ঘর থেকে মহিলাদের বের করতে উদ্বুদ্ধ করা, বেপর্দা হওয়া, ছেলে-মেয়ে একত্রে বাজারে বাজারে ঘুরে বেড়ানোর প্রচলন, মহিলা-পুরুষ একত্রে স্ব স্ব সহশিক্ষার স্থানে কর্মে নিয়োজিত ইত্যাদি কর্মকান্ডের দাপটে আজ মহিলা সমাজ ডুকরে কাঁদছে। নিজেরাই বিসর্জন দিচ্ছে নিজ নিজ মান-সম্ভ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা (মহিলারা) ঘরে অবস্থান করো এবং আইয়্যামে জাহিলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বাইরে বের হয়োনা। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ)
এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি খাছভাবে মহিলাদের পর্দার কথা বলেছেন। মহিলাদের সবসময় পর্দার সাথে ঘরে অবস্থান করতে হবে। সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বাইরে বের হওয়া যাবেনা। যদি কখনও জরুরতে বের হতে হয় তাহলে মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত ঢেকে বের হতে হবে। এটাই সম্মানিত শরীয়ত উনার আদেশ মুবারক। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “একজন মহিলা যখন ঘর থেকে বেপর বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু কিছু গন্ডমূর্খ, জাহেল খাইরুল কুরূনের পর আবিষ্কৃত প্রত্যেক নতুন জিনিসই বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বলে থাকে। অথচ ইহা মোটেও শুদ্ধ নয়। কেননা যদি তাই হতো, তবে আমাদের সমাজে প্রচলিত এমন অনেক নতুন বিষয় রয়েছে, যা অবশ্যই পরিত্যাগ করা জরুরী হয়ে পড়তো।
যেমন-
(ক) বর্তমানে যে পদ্ধতিতে মাদরাসায় ইলিম শিক্ষা দেয়া হয়, সেই পদ্ধতি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন নূরে মুুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুরু করে “খাইরুল কুরুন” পর্যন্ত কারো সময়ই ছিল না।
(খ) বর্তমানে আমরা যে নাহু ছরফ শিক্ষা করে থাকি, তাও “খাইর বাকি অংশ পড়ুন...
সুমহান সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে যারা বিদয়াত বলে, তারাই সর্বপ্রকার হারাম কাজগুলো করে থাকে। যেমন-
পহেলা বৈশাখ পালন করে।
ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করে।
থার্টি ফার্স্টনাইট পালন করে।
মা-বাবা দিবস, বন্ধু দিবস পালন করে।
মে দিবস ও এপ্রিল ফুল পালন করে।
খালি পায়ে পূজা করতে শহীদ মিনার, স্মৃতি স্তম্ভে যায়।
পূজা মন্ডপে যায়।
রবীন্দ্র দিবস পালন করে।
খেলাধুলা করে, দেখে।
বেপর্দা হয়ে ইসলাম প্রচারের কথা বলে।
বেপর্দা হয়ে নারী পুরুষ একাকার হয়।
গণতন্ত্র করে।
নির্বাচন করে।
লংমার্চ করে।
হরতাল করে।
অবরোধ করে।
ব্লাসফেমী আইন চায়।
ক বাকি অংশ পড়ুন...
খাছ ও মূল ফতওয়া হচ্ছে, মহিলাদের জামায়াতে নামায পড়ার জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া কুফরী। কারণ এর দ্বারা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বিরোধিতা করা হয় এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে যিনি দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতা করাসহ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরও বিরোধিতা করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ!
আর আম বা সাধা বাকি অংশ পড়ুন...
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ঘর ছাড়া অন্য ঘরে প্রবেশ করোনা, যে পর্যন্ত অনুমতি না নাও এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না করো। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা স্মরণ রাখ। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৭)
উক্ত আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমভাবে সকলকেই যে কারো ঘরে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ কারো ঘরে প্রবেশ করার পূর্বে ঘরওয়ালাদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের বিবাহ-শাদীতে মোহর নির্ধারণ করা ফরয। আর সে মোহর যথাযথভাবে পরিশোধ করে দেয়াটাও ফরয। কারণ এটা স্ত্রী বা আহলিয়ার হক। আজকাল বিয়েতে কে কত বেশি মোহর ধার্য করবে তার প্রতিযোগিতা লেগে যায়। দশ লাখ, বিশ লাখ, পঞ্চাশ লাখ। এমনকি কোটি কোটি টাকাও মোহর ধার্য করা হয়। কিন্তু এদের অনেকেই মোহর পরিশোধ করে না এবং করার চিন্তাও করে না। নাউযুবিল্লাহ! এতে করে তাদের গুনাহের বোঝাই ভারি হচ্ছে। কারণ ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে আহলিয়া বা স্ত্রীর মোহর পরিশোধের ফায়ছালা না হওয়া পর্যন্ত আহলিয়া বা স্ত্রীর সাথে অবস্থান আহাল বা স্বামীর জন্য হালাল হয় না।
হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের জন্য অলঙ্কার ব্যবহার করা সুন্নত। স্বয়ং হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলঙ্কার যেমন- গলার হার, কানের দুল, আংটি ইত্যাদি ব্যবহার করেছেন। যেমন হাদীছ শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে-
خرج النبى صلى الله عليه وسلم يوم عيد فصلى ركعتين لـم يصل قبل ولابعد ثم اتى النساء فامرهن بالصدقة فجعلت الـمراة تصدق بخرصها وسخابها.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঈদের দিন বের হলেন এবং দুই রাকায়াত (ঈদের) নামায আদায় করলেন। এর আগে এবং পরে আর কোনো নফল নামায পড়েননি। অতঃপর মহিলাদের কাছে আসলেন এবং তাদেরকে ছদকা করতে আদে বাকি অংশ পড়ুন...












