একবার জনৈক ব্যক্তি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ষষ্ঠ ইমাম (ইমামুস সাদিস) হযরত ইমাম জাফর ছদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার কাছে এসে আরজ করলেন যে, “হুযূর! আমি হজ্জে যাচ্ছি। আপনি অনুমতি দিলে আমি আপনার কাছে আমার জীবনের সঞ্চিত অর্থ দশ হাজার দীনার দিয়ে যেতে চাই। আপনি আমার জন্য এই দীনার দিয়ে কোনো একটি সরাইখানা কিনবেন, যাতে আমি ফিরে এসে সপরিবারে তাতে বসবাস করতে পারি।” অনুমতি পেয়ে লোকটি কথা অনুযায়ী হজ্জ সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে চলে গেলো।
হজ্জ থেকে ফিরে এসে সেই ব্যক্তি হযরত ইমামুছ সাদিস আলাইহিস সালাম উনার খিদমতে হাযির হলো। সালাম কা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে,
وَعَنْ أَبِـي الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰـى عَنْهُ عَنِ النَّبِـيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قالَ اِنَّ أَثْـقَلَ شَيْءٍ يُـوْضَعُ فِـيْ مِيْـزَانِ الْمُؤْمِنِ يَـوْمَ الْقِيَامَةِ خُلُقٌ حَسَنٌ وَإِنَّ اللّٰهَ يُـبْغِضُ الْفَاحِشَ الْبَذِيَّ. (رواه الترمذي وقال هذَا حديثٌ حسنٌ صحيحٌ)
হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন মু’মিনের মিযানে (অর্থাৎ ওজনের পাল্লায়) সর্বাপেক্ষা ভারী যে জিনিস রাখা হবে, ত বাকি অংশ পড়ুন...
২২ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,০২,৮৭৬ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৪৩০ টাকা
২১ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ৯৮,২১০ টাকা
২১ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,১৩৮ টাকা
১৮ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ৮৪,২১৪ টাকা
১৮ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৫,২৬৩ টাকা
২২ ক্যারেট ১ ভরি রূপার দাম ১,৭১৪ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা রূপার দাম ১০৭ টাকা
সূত্র: বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি
বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও দেখিনি আপনায়
তবুও ইশকে বেকারার
স্বার্থপর এই দুনিয়াটায়
আপনিই আপন আমার।
ওগো আম্মাজী ক্বিবলাজান
ডাকি আপনাকে নাফরমান
রেজায় বানান মোরে সন্তান
আপনিতো সবচেয়ে দয়াবান।
অভাগার দিলটা মরুময়
দীদারের বৃষ্টি ঢেলে দিন
এই পাথুরে হৃদয় মাঝে
রহমের ফুল ফুটিয়ে দিন।
নিবেদন করছি নালায়েক
আম্মাজী দয়ার নজর দিন
জীবনের ভুল বেয়াদবীর
ক্ষমা চাই এই আবেদীন।
বাকি অংশ পড়ুন...
কাঁচা পেঁপে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি পেঁপে দিয়ে বাহারি সব পদও তৈরি করা যায়।
যার মধ্যে অন্যতম হলো কাঁচা পেঁপের লাড্ডু। এটি খেতে খুব সুস্বাদু, আবার তৈরিও করা যায় খুব কম সময়েই। জেনে নিন এই লাড্ডুর রেসিপি-
১. কাঁচা পেঁপে ২ কাপ (গ্রেট করা)
২. এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ
৩. কনডেন্স মিল্ক আধা কৌটা
৪. ঘি ৩ টেবিল চামচ
৫. গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ ও
৬. সবুজ ফুড কালার কয়েক ফোঁটা।
প্রথমে পেঁপে স্লাইসারে কেটে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে হাত দিয়ে চেপে চেপে পানি ঝড়িয়ে নিন। চাইলে গরম পানিতে হালকা ভাপ দিয়ে নিতে হবে।
এরপর চুলায় প্যান বসি বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্যাটি লিভার থেকে সন্তানকে রক্ষা করতে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। যার ফলে আপনার শিশু প্রাথমিক অবস্থাতেই এই রোগ থেকে রক্ষা পাবে।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন:
পেডিয়াট্রিক এনএএফএলডির প্রাথমিক চিকিৎসা হল জীবনযাত্রার পরিবর্তন। শিশুকে ফলমূল, শাকসবজি, শস্য এবং চর্বিযুক্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়ান। চিনিযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট থেকে দূরে রাখুন। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ পরিচালনায় নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপও অত্যাবশ্যক। বাবা-মায়ের উচিত সন্তানকে ডিভাইস থেকে দূরে রাখা। সন্তানদের বয়স-উপযোগী শারীরিক ক্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
তখন তারা বললো, ‘হুযূর! বেয়াদবি মাফ করবেন। আমরা দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত ছিলাম, যার জন্য মারা গিয়েছি। এখানে আমরা যে চারজন লোক রয়েছি, তার মধ্যে তিনজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আর একজন বাইরের লোক। আমরা যখন এখানে এসে তিনটা স্বর্ণের ইট দেখলাম, তখন মনে মনে চিন্তা করলাম যে, তিনটা ইট নিয়ে কি করা যেতে পারে? কারণ আমরা তো তিনজন বন্ধু, আর একজন অতিরিক্ত। তারপর আমরা সেই অতিরিক্ত একজনকে বাজারে পাঠালাম কিছু খাদ্য নিয়ে আসার জন্য। সে চলে গেলে আমরা পরিকল্পনা করলাম, সে ফিরে আসার সাথে সাথেই তাকে পিটিয়ে হত্যা করবো, আর তিনজনে তিনটা ইট ভাগ করে নিয়ে য বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
যার চরিত্র উত্তম সে ব্যক্তিই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে প্রিয়। এজন্য প্রত্যেকের উচিত চরিত্রকে উত্তম করা।
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وَعَنْ أَبِـيْ ذَرٍّ رَضِىَ اللّٰهُ تَــعَالٰـى عَـنْهُ قَالَ قَالَ لِـىْ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِتَّقِ اللّٰهَ حَـيْثُ مَا كُنْتَ وَ اتْبِعِ السَّـيِّــئَـةَ الْـحَسَنَةَ تَـمْحُهَا وَ خَالِقُ النَّاسَ بِـخُلُقٍ حَسَنٍ. (رواه احمد و الترمذى و الدارمى)
হযরত আবূ যর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
১৬ই শা’বান, ১৪৪১ হিজরী (ইয়াওমুল খমীস)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَإِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِـيْمٍ ﴿৪﴾ سورة القلم
নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী। সুবহানাল্লাহ! [সূরা ক্বলম শরীফ: ৪]
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ مَالِكٍ رَحْـمَةُ اللّٰهِ عَلَيْهِ بَـلَغَهٗ اَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بُـعِـثْتُ لِأُتَـمِّمَ حُسْنَ الْاَخْلاَقِ. (رواه فِـيْ الـموطا واحـمد)
হযরত মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত, উনার কাছে পৌঁছেছে যে, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি উত্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম সফর করতে করতে অনেক দূর চলে গেলেন। একস্থানে গিয়ে দেখলেন, তিনটা স্বর্ণের ইট পড়ে রয়েছে। ইহুদী বললো, “হুযূর! এই স্বর্ণের ইট তিনটা আমরা নিয়ে নেই। আমাদের কাজে লাগবে।” কিন্তু হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম বললেন, “আমাদের এগুলো দরকার নেই। মহান আল্লাহ পাক কুদরতীভাবে আমাদের সবকিছুর ফায়সালা করবেন। এগুলো যারা দুনিয়াদার তাদের জন্য।” তারপর হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম সেখান থেকে সরে অন্যস্থানে চলে গেলেন। ক্লান্তির কারণে একটি গাছের ছায়ায় উনার লাঠি মুবারক পাশে রেখে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলেন। এই স বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
ফতওয়ার কিতাবসমূহে আরো উল্লেখ রয়েছে, পরবর্তী ফক্বীহ রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ ফতওয়া দেন যে, মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়াহ, ঈদসহ যে কোন নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া মাকরূহ্ তাহরীমী বা নিষিদ্ধ। এ ফতওয়া সকল স্থানের জন্যই প্রযোজ্য অর্থাৎ চাই হেরেম শরীফে হোক অথবা মসজিদে নববী শরীফে। হিন্দুস্থানে হোক অথবা আরব দেশে সকল স্থানেই মাকরূহ্ তাহরীমী বা নিষিদ্ধ। (ফতওয়ায়ে রহীমিয়াহ্ ১ম খ- ১৭৩ পৃষ্ঠা, ফতওয়ায়ে নঈমিয়াহ্ ৩৫ পৃষ্ঠা, তরীকুল ইসলাম ৭ম খ- ৩৩ পৃষ্ঠা)
ফতওয়ার কিতাবসমূহে আরো উল্লেখ রয়েছে, “মহিলাদের মসজিদে গিয়ে জামায়াতে বাকি অংশ পড়ুন...
হামেলা অবস্থায় মহিলাদের কোষ বিভাজন এবং প্রোটিন বৃদ্ধিতে জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মা এবং গর্ভেও সন্তানের পুষ্টির চাহিদা পূরণে জিঙ্ক খুবই কার্যকর। গর্ভাবস্থায় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি প্রায়ই দেখা যায়। এটি মা ও শিশু দুইজনের স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলে।
হামেলা অবস্থায় জিঙ্ক হবু মা এবং তার ক্রমবর্ধমান সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। দৈনিক প্রায় ১২ মিলিগ্রাম পরিমাণ জিঙ্ক খাওয়া উচিত। জিঙ্ক এমন একটি উপাদান, যা সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শারীরিক বাকি অংশ পড়ুন...












