একজন বুযুর্গ ব্যক্তির অত্যন্ত ধনী এক মুরীদ ছিল। সে অনেক ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় তার শায়েখ উনার ছোহবত ইখতিয়ার করতো। খানকা শরীফের নিকটবর্তী সদর রাস্তায় কিছু গরীব ও অন্ধ ভিক্ষুক ভিক্ষা করতো। একদিন এক অন্ধ ভিক্ষুককে দেখে লোকটির দয়া হলো। তাকে পাঁচ টাকা দান করে সে ছোহবতে চলে গেলো।
পরের দিন মুরীদ আবার ছোহবতের জন্য যাওয়ার পথে ঐ অন্ধ ফকীরকে দেখল। সে আরেকজন অন্ধ ফকীরকে বলছে, ‘গতকাল এক ব্যক্তি আমাকে পাঁচ টাকা হাদিয়া দিয়েছে। তা দিয়ে আমি শরাবখানায় গিয়ে শরাব পান করেছি এবং আনুষঙ্গিক আরো কিছু খারাপ কাজ করেছি।’ মুরী বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে শিশুদের নিরাপদ রাখার প্রধান শর্ত হলো গরম কাপড় পরানো। তবে না বুঝে অস্বস্তিকর গরম কাপড় পরাবেন না। যেহেতু বড়দের চেয়ে শিশুদের শীতের অনুভূতি বেশি থাকে, তাই শীতের তীব্রতা বুঝে শিশুকে শীতের কাপড় পরাতে হবে।
শীতে শিশুর ডায়রিয়া:
শীতকালে শিশুর ডায়রিয়ার মূল কারণ খাদ্যনালিতে রোটাভাইরাসের অবস্থান। এটি মুখের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে খুব সহজেই প্রবেশ করে। শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। এ সময় শিশুর স্বাভাবিক খাবার বন্ধ করা যাবে না। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ২-৩ ঘণ্টা পরপর মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। ছোট ইসতিনজার বাকি অংশ পড়ুন...
একরাত্রে এক চোর হযরত আহমদ খাযরাবিয়্যাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘরে প্রবেশ করলো। তখন তিনি ঘরের এক কোণে নামায পড়ছিলেন। চোর ঘরের ভেতর এদিক সেদিক হাতড়ে কোথাও কিছু না পেয়ে নিরাশ মনে ফিরে যেতে উদ্যত হলো। এমন সময়ে হযরত আহমদ খাযরাবিয়্যাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলে উঠলেন, ‘হে যুবক! বালতি দ্বারা কূপ থেকে পানি উঠিয়ে ওযূ করো এবং নামাযে মশগুল হও। কাল সকালে কিছু পাওয়া গেলে আমি তা তোমাকে দিয়ে দিব। আমার ঘর থেকে তোমাকে খালি হাতে যেতে দিবো না। ’ সত্যিই চোর উনার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করলো।
পরদিন সকালে জনৈক হৃদয়বান ধনী লোক একশত স্বর্ণমুদ্র বাকি অংশ পড়ুন...
এক লোক প্রতিদিন বাদশাহর দরবারে যেত এবং একটা ঘোষণা দিত। বাদশাহর সামনেই সে বলতো, ‘নেক লোকদের সাথে তোমরা সদ্ব্যবহার করো। আর যারা দুষ্ট, দুরাচার, ফাসেক-ফুজ্জার, তাদেরকে তাদের আমলের উপর ছেড়ে দাও। তাদের বিচারের কোশেশ করো না। তাদের আমলই তাদের বিচার করবে।’ এই ঘোষণা দেয়ার কারণে বাদশাহ লোকটাকে খুব পছন্দ করতো এবং পুরস্কার দিত। এটা দেখে বাদশাহর কিছু সভাসদদের হিংসা হলো। তারা ভাবলো, ‘এই লোকটাকে বাদশাহ এত ইনাম দেয়, পুরস্কার দেয়! অথচ সে কিছুই করে না! সে শুধু একটা কথাই ঘোষণা করে। সুতরাং তাকে দরবার থেকে সরিয়ে দিতে হবে।’
একদিন সেই লোকটা ঘোষণা শেষ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সুসংবাদ প্রদানকারী ও সতর্ককারী
(পূর্বে প্রকাশের পর)
স্মরণীয় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মতের মাঝে নিয়ামত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। উনার আগমনের পূর্বে তাদের পরষ্পরের মাঝে শত্রুতা বিরাজ ছিল এবং সবাই ছিল জাহান্নামের কিনারে কিন্তু উনার আগমনের কারণে শত্রুতা দূর হয়ে পরস্পরের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন তৈরী হয়েছে; এমনকি তিনি তাদেরকে জাহান্নামের কিনার থেকে রক্ষা করেছেন। এই বিষয়গুলো মহান আল বাকি অংশ পড়ুন...
মানতিকের ইমাম হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাদরাসায় লেখাপড়া শেষ করেছেন। তিনি কিতাবে পড়েছেন, ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ উভয় প্রকার ইলমই অর্জন করতে হবে। প্রত্যেকের জন্য সেটা ফরয। তিনি তো ইলমে ফিক্বাহ অর্জন করেছেন মাদরাসায় গিয়ে। কিন্তু তখন পর্যন্ত উনার ইলমে তাসাউফ অর্জন করা হয়নি। তাই তিনি ইলমে তাসাউফ অর্জন করার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত নাজীবুদ্দীন কুবরা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ গেলেন। গিয়ে বললেন, হুযূর! আমি আপনার কাছে বাইয়াত হতে এসেছি।
হযরত নাজীবুদ্দীন কুবরা রহমাতুল্লাহি আলাইহি তি বাকি অংশ পড়ুন...












