ছোট্ট একজন বালক, তখনও মক্তবে যাওয়া শুরু করেননি। বাসাতেই মায়ের কাছে তা’লীম নেন। মা ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ এবং আল্লাহওয়ালী মহিলা। তিনি উনার সন্তানকে তাওয়াক্কুল (আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ ভরসা করা) শিক্ষা দিতে চাইলেন। উনার ছেলে মিষ্টি খেতে খুব পছন্দ করতেন। তাই তিনি একদিন ছেলেকে ডেকে আদর করে বললেন, ‘বাবা! আপনি যদি নিয়মিত নামায কালাম আদায় করেন, যিকির ফিকির করেন, আপনার প্রতিদিনের ছবক্ব সম্পন্ন করেন, তাহলে মহান আল্লাহ পাক আপনাকে প্রতিদিন মিষ্টি হাদিয়া করবেন।’ ছেলে খুব খুশি হলেন। এরপর থেকে প্রতিদিন ছেলে যখন নামায-কালাম, যিকির-ফিকি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে খুশি প্রকাশ করা
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رِضْوَانٌ مِّنَ اللّٰـهِ أَكْبَـرُ ﴿৭২﴾ سورة التوبة
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক সবচেয়ে বড়। [সূরা তওবা শরীফ: ৭২]
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللّٰهُ وَرَسُوْلُهٗ أَحَقُّ أَنْ يُـرْضُوْهُ إِنْ كَانُـوْا مُؤْمِنِـيْـنَ ﴿৬২﴾ سورة التوبة
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (উনারাই সন্তুষ্টি লাভের) অধিক হক্বদার বা উপযুক্ত, যদি তার বাকি অংশ পড়ুন...
‘তাযকিরাতুল আউলিয়া’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে, হযরতুল আল্লামা মাওলানা জালালুদ্দীন রুমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার পীর সাহেব, হযরত শামস তাবরিজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ইন্তিকালের পূর্বে মহান আল্লাহ পাক প্রদত্ত নিয়ামত আল্লামা রুমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে প্রদান করার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত হয়ে রোম দেশের দিকে রওয়ানা করেন। পথিমধ্যে এক জঙ্গলের পার্শ্বে দেখতে পেলেন যে, এক বৃদ্ধা মহিলা সম্মুখে একটি মৃত যুবক ছেলেকে নিয়ে খুব কান্নাকাটি করছে। তখন হযরত শামস তাবরিজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বৃদ্ধা মহিলাকে বাকি অংশ পড়ুন...
পরকালে নেককার ও বদকারদের অবস্থা কিরূপ হবে
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে,
قَالُوْا بَلٰى قَدْ جَاءَنَا نَذِيْـرٌ فَكَذَّبْـنَا وَقُـلْنَا مَا نَـزَّلَ اللّٰـهُ مِنْ شَيْءٍ إِنْ أَنْـتُمْ إِلَّا فِـيْ ضَلَالٍ كَبِيْرٍ ﴿৯﴾ وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَـعْقِلُ مَا كُنَّا فِيْ أَصْحَابِ السَّعِيْـرِ ﴿১০﴾ فَاعْتَـرَفُـوْا بِذَنْبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَابِ السَّعِيْـرِ ﴿১১﴾ إِنَّ الَّذِيْنَ يَـخْشَوْنَ رَبَّـهُمْ بِالْغَـيْبِ لَـهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيْـرٌ ﴿১২﴾ سورة الملك
তখন অপরাধীরা বলবে, অবশ্যই আমাদের কাছে সতর্ককারী এসেছিলেন। অতঃপর আমরা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছি এবং আমরা বলেছি, মহান আল্লাহ পাক তিনি ক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَأَسِرُّوْا قَـوْلَكُمْ أَوِ اجْهَرُوْا بِهٖ إِنَّهٗ عَلِيْمٌ بِذَاتِ الصُّدُوْرِ ﴿১৩﴾ أَلَا يَـعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ اللَّطِيْفُ الْـخَبِيْـرُ ﴿১৪﴾ هُوَ الَّذِيْ جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُوْلًا فَامْشُوْا فِـيْ مَنَاكِبِهَا وَكُلُوْا مِنْ رِّزْقِهٖ ۖ وَإِلَيْهِ النُّشُوْرُ ﴿১৫﴾ أَأَمِنْـتُمْ مَّنْ فِـي السَّمَاءِ أَنْ يَـخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَـمُوْرُ ﴿১৬﴾ سورة الملك
তোমরা তোমাদের কথাগুলো গোপন রাখো বা প্রকাশ করো, নিশ্চয়ই তিনি অন্তরের অন্তঃস্থলের খবর জানেন। তিনি কি জানবেন না, যিনি সৃষ্টি করেছেন! তিনি সূক্ষ¥াতিসূক্ষ¥ বিষয়ের খবর রাখেন। তিনি যমী বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে সাধারণত শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেকটাই বাড়ে। শিশু থেকে বয়স্ক অনেকেই শ্বাসকষ্টে ভোগেন। শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ হল অ্যাজমা। বাংলায় প্রচলিত হাঁপানি রোগই অ্যাজমা। এটি শ্বাসনালির একটি দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক প্রদাহজনিত সমস্যা। অ্যাজমার কারণে শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ বিশেষত ইয়োসিনোফিল ও অন্যান্য কোষের উপাদান জমা হয় এবং শ্বাসনালিকে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। পরিবেশের সাধারণ বস্তুগুলোর প্রতি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল হয় বলে অ্যাজমা রোগীর শ্বাসনালির পথও সংকীর্ণ হয়। তখন রোগী শ্বাসকষ্ট, শুকনা কাশি, বুক জ্যাম হওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম আবু আব্দিল্লাহ মুহম্মদ ইবনে সাঈদ আল বুসিরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি রচিত ‘ক্বাছীদাতুল-বুরদা’ শরীফ সমগ্র বিশ্বময় সর্বাধিক পঠিত একখানা দীর্ঘ ক্বাছীদা শরীফ। একশত ষাট পংক্তি বিশিষ্ট এই ক্বাছীদা শরীফটি রচিত হয়েছে সপ্তম হিজরীতে। আজও এ ক্বাছীদা শরীফ প্রতিদিন অগণিত সূফী সাধক ওযীফার ন্যায় পাঠ করে থাকেন। পৃথিবীর এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে ‘ক্বাছীদাতুল বুরদা’ শরীফ উনার নিয়মিত পাঠক পাওয়া যাবে না। এই ‘ক্বাছীদাতুল বুরদা’ শরীফ উনার সাথে একটি বরকতময় স্বপ্নের ঘটনা জড়িত আছে।
হযরত ইমাম হাসান আল বুসিরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার বয়স যখন ষ বাকি অংশ পড়ুন...
পর্দার আবশ্যকতা:
প্রতিটি নর-নারীর জীবনে পর্দা এমন একটি জরুরী বিষয়, যার বাস্তবতা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। পরিবারের মানসিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হচ্ছে পর্দা। এটি অস্বীকার করে কোন মানুষ তার চারিত্রিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটাতে পারে না। অফিস, আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল থেকে শুরু করে নিজের শয়নকক্ষ পর্যন্ত পর্দা একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পর্দা না থাকার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারী পুরুষের মাঝে বহু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে যা কিছু আমরা স্বচক্ষে দেখছি আর বহু ঘটনা আমরা দৈনিক পত্রিকাগুলোতে অহ বাকি অংশ পড়ুন...
এক লোক প্রতিদিন বাদ আছর, গাউসুল আ’যম হযরত বড়পীর সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত মুবারকে যেত। তার যাতায়াতের রাস্তায় এক আলিমের বাড়ি পড়তো। আলিম প্রতিদিন মুরীদ লোকটিকে তার বাড়ির সামনে দিয়ে যেতে দেখতেন।
একদিন সেই আলিম, মুরীদ লোকটিকে আটকালেন। জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি প্রতিদিন কোথায় যান?’ মুরীদ লোকটি উত্তর দিলেন, ‘আমি আমার সম্মানিত শায়েখ হযরত বড়পীর সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতে যাই।’ আলিম বললেন, ‘ঠিক আছে। আমি আপনাকে একটি মাসয়ালা জিজ্ঞেস করবো। যদি উত্তর দিতে পারেন তাহলে আপনি যেতে পারবেন। নইলে আমি এই রা বাকি অংশ পড়ুন...












