মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, সুলতানুল আরেফীন, হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন, তিনি হজ্জ করেছেন অনেকবার। একবার হজ্জ সমাধা হওয়ার পর তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করলেন, ‘আয় আল্লাহ পাক! হজ্জ তো হয়ে গেলো। লক্ষ লক্ষ লোক হজ্জ করেছেন। এরমধ্যে কার হজ্জ কবুল হলো, আর কার হজ্জ কবুল হলো না, যদি দয়া করে সেটা আমাকে জানাতেন।’ মহান আল্লাহ পাক বললেন, ‘হে হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি! যেহেতু আপনি আমার ওলী, আমার বন্ধু, সুতরাং আপনার আরজু পূরণ করা হবে। আপনি জেনে রাখুন, ছয় লক্ষ লোক হজ্জ করেছে এই বছর। সকলেরই হজ্জ কব বাকি অংশ পড়ুন...
যখন কেউ এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে তখন আমরা প্রথমে রোগীর ইভ্যালুয়েশন করি, রোগটা দেখি এবং বিবেচনা করি। বয়স কত, জীবনাচরণ কেমন, শরীরের কী অবস্থা, আগে থেকে কোনো রোগ আছে কিনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসি। এসবের ওপর ভিত্তি করে আমরা আসলে ফোকাস করি রোগীর কী হয়েছে। কেন রোগী কষ্ট পাচ্ছে। এরপর আমরা সরেজমিনে পরীক্ষা করি-রক্তশূন্যতা আছে কিনা, তার পালস কেমন। পাশাপাশি আমরা তার হাঁটু পরীক্ষা করি, ঘাড়ে সমস্যা থাকলে ঘাড় পরীক্ষা করি। এরপর আমরা দেখি তার আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগবে কিনা। আমাদের যদি বিবেচনায় আসে পরীক্ষা নিরীক্ষা না করলেও চলবে তখন ওষুধ বাকি অংশ পড়ুন...
একবার কিছু লোক কোথাও থেকে অনেক ছাগল লুট করে কূফায় নিয়ে এলো এবং সেগুলোকে কূফার বাজারে বিক্রি করে দিল। তখন লুটের ছাগলগুলো কূফার অন্য সব ছাগলের সঙ্গে মিশে গেল। তাই লুটের ছাগল আলাদা করে চেনার কোনো উপায় ছিল না। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি এ ঘটনা জানতে পেরে লোকদের জিজ্ঞেস করলেন, একটি ছাগল সর্বোচ্চ কত বছর জীবিত থাকতে পারে?
লোকেরা বলল, সর্বোচ্চ সাত বছর।
এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কূফায় অবস্থানকালে সাত বছর পর্যন্ত ছাগলের কোনো গোশত খেলেন না। কারণ, উনার কাছে লুট বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মালেক দীনার রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দামেশক নগরীর একজন ধনী অধিবাসী ছিলেন। তিনি হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নির্মিত দামেশক জামে মসজিদে এক বছর ই’তিকাফ করেছিলেন। উনার উদ্দেশ্য ছিল সেই মসজিদের মুতাওয়াল্লী হওয়া। তিনি আশা করেছিলেন, যদি তিনি সেখানে ইবাদতে মশগুল থাকেন তবে সবাই বিশ্বাস করে উনাকে মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করবেন। তিনি সর্বক্ষণ নামাযে ও ইবাদতে মশগুল থাকতেন। এভাবে এক বছর অতিবাহিত হয়ে যায়।
একদিন রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য ওযূ করার উদ্দেশ্যে তিনি মসজিদ থেকে বের হলেন। হঠাৎ শুনতে পেলেন, কে যেন বলছে বাকি অংশ পড়ুন...
এই নাজাতপ্রাপ্ত দলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উনারা আক্বীদা-আমল, ইবাদত-বন্দেগী, স্বভাব-চরিত্র ও আচার-ব্যবহার সর্বদিক থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে তা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নকারী হবেন। উনাদের নিকট দ্বীনের ব্যাপারে কোনো বিদয়াত খুঁজে পাওয়া যাবে না। উনারা মহান আল্লাহ পাক এবং রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে সর্বোচ্চ আদব রক্ষা করে চলবেন।
আর দ্বিতীয় বিষয়টি হলো দীর্ঘ আকাক্সক্ষা। মানুষের আকাক্সক্ষা হলো দুনিয়াতে অনেকদিন বেঁচে থাকবে, অনেক ধন-সম বাকি অংশ পড়ুন...
একবার শাসক হারুনুর রশীদের দরবারে ঐ যুগের বিখ্যাত বুযুর্গ হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাশরীফ আনলেন। কাজের ফাঁকে শাসকের পানির পিপাসা লাগল। শাসক খাদেমকে বললেন, আমাকে পানি দাও। খাদেম একটি গ্লাসে ঠা-া পানি এনে শাসকের দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
শাসক হারুনুর রশীদ তার হাত থেকে পানির গ্লাস নিতেই হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হে শাসক! একটু থামুন। শাসক থেমে গেলেন।
হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমাকে একটি কথা বলুন, আপনার এখন পিপাসা লেগেছে; যদি এমন এক সময় আসে যে, আপনার এমন পিপাসা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি যিনি হাম্বলী মাযহাবের ইমাম। তিনি একবার কিছু আটা এনে উনার খাদিমের কাছে দিলেন রুটি বানানোর জন্য এবং তাড়াতাড়ি করে রুটি বানিয়ে দিতে বললেন। কারণ ক্ষুধা লেগেছে। খাদিম মনে মনে চিন্তা করলেন, উনার যেহেতু ক্ষুধা লেগেছে তাই তাড়াতাড়ি রুটি তৈরি করে উনার সামনে পেশ করি। তারপর তিনি তাড়াতাড়ি রুটি তৈরি করে সামনে পেশ করার পরে হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, এত তাড়াতাড়ি কি করে রুটি তৈরি করলে? লবনই বা কোথায় পেলে? আর আগুনই বা কোথায় পেলে? উনাকে বলা হলো, হুযূর! মূলতঃ তাড়াতাড়ি কর বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক বা সুন্নাহ শরীফের অনুগামী না হওয়া পর্যন্ত মু’মিনে কামিল বা পরিপূর্ণ মু’মিন হওয়া যাবে না।
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثِـنْـتَانِ وَسَـبْـعُوْنَ فِـىْ النَّارِ وَ وَاحِدَةٌ فِـىْ الـجَنَّـةِ وَهِىَ الْـجَمَاعَةُ وَاَنَّهٗ سَيَخْرُجُ فِـىْ اُمَّتِىْ اَقْـوَامٌ يَــتَجَارٰى بِـهِمْ تِلْكَ الاَهْوَاءُ كَمَا يَــتَجَارٰى الْكَلْبُ بِصَاحِبِهٖ لَايَــبْـقٰى مِنْهُ عِرْقٌ وَ لَامَفْصَلٌ اِلَّا دَخَلَهٗ. (رواه أحمد وأبو داؤد)
হযরত মুয়াব বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ নফসের অনুসরণ কখন করে এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
فَإِنْ لَّـمْ يَسْتَجِـيْـبُـوْا لَكَ فَاعْلَمْ أَنَّـمَا يَـتَّبِعُوْنَ أَهْوَاءَهُمْ وَمَنْ أَضَلُّ مِـمَّنِ اتَّــبَعَ هَوَاهُ بِغَيْرِ هُدًى مِّنَ اللّٰهِ إِنَّ اللّٰهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِيـْنَ ﴿৫০﴾ سورة القصص
যদি তারা আপনার ডাকে সাড়া না দেয়; জেনে রাখুন, তারা তাদের নফসের বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। ঐ ব্যক্তিই সর্বাধিক গোমরাহ যে মহান আল্লাহ পাক উনার হিদায়েত উনার পরিবর্তে তার নফসের বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিমদেরকে হিদায়েত দান করেন না। নাঊযুবিল্লাহ! [সূরা ক্বছাছ শরী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَتَـخَوَّفُ عَلٰى أُمَّتِـيْ اَلْـهَوٰى وَ طُوْلُ الْأَمَلِ فَأَمَّا الْـهَوٰى فَـيَصُدُّ عَنِ الْـحَقِّ وَ أَمَّا طُوْلُ الْأَمَلِ فَـيُـنْسِي الْاٰخِرَةَ وَ هٰذِهِ الدُّنْــيَا مُرْتَـحِلَةٌ ذَاهِبَةٌ وَ هٰذِهِ الْاٰخِرَةُ مُرْتَـحِلَةٌ قَادِمَةٌ وَ لِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْـهُمَا بَـنُـوْنَ فَإِنِ اسْتَطَعْـتُمْ أَنْ لَا تَكُوْنُـوْا مِنْ بَنِـي الدُّنْـيَا فَافْـعَلُوْا فَإِنَّكُمُ الْيَـوْمَ فِـيْ دَارِ الْعَمَلِ وَ لَاحِسَابَ وَ أَنْــتُمْ غَدًا فِـيْ دَارِ الْـحِسَابِ وَ لَا عَمَلَ. ( رواه البيهقي فى شعب الإيـمان)
হযরত জাবির রদ্বিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
এ রোগের লক্ষণগুলো কী কী?
এ রোগের মূল লক্ষণ হলো হাঁটুতে ব্যথা, মূলত জয়েন্টে ব্যথা। হাঁটুর ব্যথা নিয়েই রোগীরা আমাদের কাছে বেশি আছে। এটা মূলত আমরা বলে থাকি বয়সজনিত সমস্যা, অর্থাৎ প্রাকৃতিক সমস্যা। রোগীদের মধ্যে অনেক সমস্যা দেখা যায়। কেউ একজন এসে বলে ইদানীং তার হাঁটু গেড়ে বসতে সমস্যা হয়, নামাজ পড়তে সমস্যা হয়। নিচে বসে তরকারি কাটা, কাপড় কাচা, বঁটিতে বসে কাজ করা অর্থাৎ মায়েরা যে নিয়মিত বসে কাজ করে ইত্যাদি করতে সমস্যা হয়। নিচে বসে কৃষকরা যে কৃষিকাজগুলো করেন সেখানে বারবার তাদের নিচে বসা লাগে, এ কাজগুলো করতে সমস্যা হয়। আগে এ কাজগুলো করতে বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি এমন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ও ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত সুমহান ইমাম ছিলেন, যাঁর কোনো মেছাল নেই। ইলমের সমস্ত শাখা প্রশাখায় উনার অসামান্য দক্ষতা, সূক্ষ¥ সমঝের কারণে সকলের মাথার তাজ ছিলেন তিনি। সেই জগদ্বিখ্যাত ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার যিনি সম্মানিতা মা ছিলেন, তিনি উনার যামানার একজন হক্বানী আলিম সাহেবের মাসয়ালা-মাসায়েল অনুসরণ করতেন। অর্থাৎ সেই আলিম সাহেব উনার মুকাল্লিদ ছিলেন তিনি। সে সময় ইমামে আ’যম হযরত আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সমস্ত আল বাকি অংশ পড়ুন...












