ইন্দোনেশিয়া। জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র।
ঐতিহাসিক মাসউদি এ অঞ্চলের নাম উল্লেখ করতে গিয়ে লিখেছিলেন ‘জুযুরুল মাহারাজ’ মানে মহারাজার দ্বীপপুঞ্জ। অপর ঐতিহাসিকগণ এ অঞ্চলের পরিচয় দিয়েছেন সুমাত্রা, জাভা প্রভৃতি বিভিন্ন দ্বীপের মাধ্যমে।
কেউ কেউ বলেন, ইন্দোনেশিয়া শব্দটি ইন্দো এবং নেশিয়া এ দুটি শব্দের মাধ্যমে গঠিত। ইন্দো মানে হচ্ছে হিন্দু এবং নেশিয়া মানে হচ্ছে দ্বীপপুঞ্জ। এমনিভাবে অনেক ঐতিহাসিক এ অঞ্চলকে হিন্দুস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। কেউ এর নাম দিয়েছেন সবুজ ভূখ-। তবে খ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাদা ঠোঁট আর কালো রঙের এই পাখিটির নাম কালকূট। এদের কালকুঁচও বলে।
ইংরেজি নাম ঈড়সসড়হ ঈড়ড়ঃ। বৈজ্ঞানিক নাম ঋঁষরপধ ধঃৎধ। শরীরের মাপ ৪০ সেন্টিমিটার। লেজ খুবই ছোট।
কালকূট মূলত পানির পাখি। নিরিবিলি বিল-ঝিল, হাওর-বাওড়ই এদের বেশি পছন্দ। দলবেঁধে থাকে, চরে বেড়ায়। পানির অন্য পাখিদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকে। ভালো সাঁতার জানে। ডুব দিতেও ওস্তাদ। হাঁসের মতো ডুব দিয়ে পানির নিচে গিয়ে খাবার খুঁজতে পারে। শুধু লেজটাই জেগে থাকে।
এরা বেশি সাহসী ও বুদ্ধিমান পাখি। কালকূটের খাদ্য তালিকায় আছে উদ্ভিদ-গুল্মের কচি অংশ, ছোট ছোট মাছ, ব্যাঙ ও পানিজ পোকামাকড়। বাকি অংশ পড়ুন...
এবার ফিরে আসা যাক সেই প্রশ্নে, মহাকাশে পৃথিবী নিজে কোথায় পড়ছে?
বৈজ্ঞানিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ছোট সব সময় বড়র ওপর পড়ে। পৃথিবী সূর্যের তুলনায় একদম ছোট। এই কারণে পৃথিবী সূর্যের ওপর পড়ছে।
কিন্তু এ যে ভয়ানক ব্যাপার! সূর্য হলো একটা অগ্নিপি-। এর অর্থ, পৃথিবী শিগগিরই সূর্যের গায়ে আছড়ে পড়বে, তবে পড়া মানেই কিছুর গায়ে আছড়ে পড়া নয়। পাশ কাটিয়েও পড়া যায়।
পৃথিবী যদি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকত, তাহলে সোজা পড়তে থাকত সূর্যের দিকে।
কিন্তু আসল ঘটনা এখানেই যে পৃথিবী এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না। পৃথিবী এক পাশে ছুটে যায় ঠিক যেন গতিবেগ অর্জনের উদ্দেশ্যে, য বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীতে সবই কিছু না কিছু অবলম্বন করে থাকে। যদি অবলম্বনের কিছু না থাকে তাহলে নিচে পড়ে যায়।
অনেকে বলবে, সত্যি নয়। গ্যাস-বেলুন অথবা হালকা ফেঁসো তো মাটিতে নাও পড়তে পারে? শুধু তাই নয়, তারা ওপরেও উঠতে পারে। কিন্তু তার একমাত্র কারণ এই যে গ্যাস-বেলুন ও ফেঁসো বাতাসে ভর দিয়ে থাকতে পারে। তারা এতই হালকা যে বাতাসে ভাসে, যেমন কাঠের টুকরো পানি ভর্তি একটা পাত্রে ভাসতে পারে। পাত্র থেকে পানি ফেলে দিলে দেখা যাবে কাঠের টুকরোটাও সঙ্গে সঙ্গে তলায় এসে ঠেকবে। বাতাসের ক্ষেত্রেও তাই। পৃথিবী থেকে সব বাতাস যদি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো তাহলে যে সব বস্তু বাতাস বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৮ সালে ফারাক্কা বাঁধে নেভিগেশন লক চালু হওয়ার পর থেকে গঙ্গার ইলিশের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ইলিশের প্রজনন এবং চলাচল কমে গেছে, যা গঙ্গার ইলিশের স্বাদকে প্রভাবিত করেছে।
সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সমীক্ষা অনুযায়ী, ফারাক্কা বাঁধ স্থাপনের পর থেকে উজানের দিকে ইলিশের প্রজনন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গঙ্গার ইলিশের স্বাদ আগের তুলনায় কমে গেছে এবং পশ্চিমবঙ্গের ইলিশের সুনাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
গঙ্গার দূষণ এবং হুগলি নদীর প্রবেশ পথে পলিমাটির জন্যও গঙ্গার ইলিশের স্বাদে ভিন্নতা দেখা যায়। ফা বাকি অংশ পড়ুন...
পদ্মার ইলিশের স্বাদ বেশি হওয়ার কারণগুলোকে বোঝার জন্য কিছু প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক উপাদান বিবেচনা করতে হবে। পদ্মা নদী বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী, যার প্রবাহ অনেক দীর্ঘ এবং শক্তিশালী। পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহের মিঠা এবং লবণাক্ততার ভারসাম্য এবং স্রোতের গতিবেগ-এসব উপাদান ইলিশ মাছের স্বাদকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।
গঙ্গা ও পদ্মার ইলিশের পার্থক্য কী?
গঙ্গা ও পদ্মার ইলিশের উৎস যদিও একই, অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর, তবুও এদের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
সরকারি তথ্যমতে, বাংলাদেশে তিন ধরনের ইলিশ পাওয়া যায়: সাধারণ ইলিশ, চন্দনা ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
বন্যার কারণ দেখিয়ে ডুম্বুর পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত। ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবারের মতো এই প্রকল্পের বাঁধ খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায়ও বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বাঁধ খুলে দেওয়া স্বস্তিতে নেই ত্রিপুরা কর্তৃপক্ষও। কারণ, বাঁধ খুলে দেয়ার কারণে ত্রিপুরার বন্যা পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে। সমভূমিতে নদীর পানি ধারণক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যেই সুফল পাওয়ার জন্য এই বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল সেই সুফল কি আদতে পেয়েছিল ত্রিপুরা? আসুন জেনে নেই সেই প্রশ্নের উত্তর।
ডুম্বুর ড্যাম বা বাঁধ ১৯৭৪ সালে ত্রি বাকি অংশ পড়ুন...
মোবাইল ফোন হচ্ছে এমন একটি যন্ত্র যার অপব্যবহার হতে পারে আপনার মূল্যবান সময় নষ্টের কেন্দ্র। আমাদের জীবন এমন এক পর্যায়ে পৌছেছে যে, চাইলেই আমাদের জীবন থেকে মোবাইল ফোনকে আলাদা করা অনেকটাই কঠিন।
মোবাইল ফোনের হারিয়ে যাওয়ার ফলে, নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হবার ফলে কিংবা মোবাইল ফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার ফলে অনেকের মধ্যে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে। এসব লক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ‘নোমোফোবিয়া’য় আক্রান্ত ব্যক্তি বলা যেতে পারে।
রোগটির দুই ধরনের লক্ষণ রয়েছে- মানসিক এবং শারীরিক। মানসিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন থেকে দূরে স বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকগুলো দেশ আছে যে দেশগুলো একটা দীর্ঘসময় ছিল উপনিবেশ শাসনে। সেই দেশগুলো একসময় উপনিবেশের কবল থেকে রাজনৈতিক বিচ্ছেদ ঘটলেও তাদের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটানো অনেকক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। কারণ দেশগুলো কাঁচামাল সরবরাহ অব্যাহত রাখে পূর্বের দখলদার দেশগুলোতে।
বিভিন্ন সময়ে নানা পরিকল্পনা ও নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পরিবর্তনের যে স্বপ্ন উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশগুলো দেখে থাকে, দেখানো হয়ে থাকে, বাস্তবে সেটাতো ঘটেই না বরং শহরতলিতে তৈরি হতে থাকে বস্তি, তৈরি হয় নতুন শহুরে দরিদ্রশ্রেণী। নতুন নতুন অর্থনৈতিক, সামাজি বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের এই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে যানজটে আটকে থেকে প্রায় সবার একটা কথা মনে হয়, এতো মানুষ এই ছোট্ট শহরে থাকে কীভাবে? ঢাকা মহানগরীর মোট জনসংখ্যা সরকারী হিসেবেই সাড়ে ৪ কোটিরও বেশি। তবে জানেন কি, এরকম বিশ্বের আরও অনেক শহরেই অনেক অনেক বেশি মানুষ বাস করে একটি শহরে।
টোকিও :
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ বলা হয়ে থাকে টোকিও’কে। যার জনসংখ্যা ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯১। আসলে টোকিওর জনসংখ্যা এত বেশি যে, এটি জনবহুলতার প্রায় পুরো কানাডার চেয়েও বেশি! তারপরেও শহরটি এই তালিকার শীর্ষে বেশি দিন নাও থাকতে পারে। অনেকে মনে করে যে, এই তালিকার অন্যান্য শ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে সে দেশের পুলিশ, সেনাবাহিনী সহ আরও অন্যান্য বাহিনীগুলো। তবে জানেন কি, বিশ্বের অনেক দেশেই পুলিশ, কোনো কোনো দেশে সেনাবাহিনী নেই। তবে এগুলোকে দেশ বলা হলেও আদতে দু একটি বাদে বেশিরভাগ এলাকাগুলোই একেকটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শহরের সমতুল্য।
আসলে এই দেশগুলোর কোনোটিতে আগে পুলিশ বা সেনাবাহিনী ছিল। কিন্তু নানান কারণে তা তারা বাতিল করেছে। দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে তারা নিজেরা কিংবা অন্য কোনো সংস্থা। চলুন এমন কয়েকটি দেশ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-
কোস্টারিকা :
সামরিক বাহিনী নেই এমন প্রথম দেশ হলো কোস্টা বাকি অংশ পড়ুন...












