কিছু মানুষ আছে তাদের নিত্যদিনের কাজ হলো মানুষের সাথে মিশে মানুষকে বিভিন্ন অপরাধের দিকে প্ররোচনা ও উসকিয়ে দেওয়া। আর এসব প্ররোচনা ও উসকানি নিয়ে যাবে বিভিন্ন অপরাধের দিকে।
প্ররোচনা:
প্রত্যক্ষভাবে অপরাধ কাজের সঙ্গে যাদের সংযোগ পাওয়া যায়, আমরা শুধু তাদেরকে দ-যোগ্য আসামি বলে মনে করি। কিন্তু একটি অপরাধের পেছনে থাকতে পারে বহু ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহায়তা। কেউ আবার আড়ালে-আবডালে থেকে কলকাঠি নাড়েন এবং অপরাধ কাজে প্ররোচনা দিতে থাকেন। অপরাধ কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিটির মতোই সহায়তা বা প্ররোচনাদানকারীরাও সমান অপরাধ বাকি অংশ পড়ুন...
বদরের অবস্থান:
পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত বদরের প্রান্তর।
মুসলিম বাহিনীর পতাকা:
হযরত মুসআব ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাতে জিহাদের পতাকা অর্পণ করা হয়। এ পতাকা ছিলো সাদা রঙের। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মুখে ছিলো দুটি কালো পতাকা। এর একটি ছিলো সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার হাত মুবারকে। এ পতাকার নাম ছিলো ইকাব। আর অন্য পতাকাটি ছিলো জনৈক আনছার ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাত মুবারক-এ।
জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত বদর জিহাদ হচ্ছে হক্ব না হক্ব পার্থক্যকারী জিহাদ। সুবহানাল্লাহ! এই সম্মানিত জিহাদে মুসলমানদের সংখ্যা ছিলো অনেক কম বিপরীতে কাফির মুশরিকদের সংখ্যা ছিলো অনেক বেশি। এই সম্মানিত জিহাদে মুসলমান উনারা বিজয় লাভ করেন। আর কাফির মুশরিকরা চরমভাবে লাঞ্চিত ও পরাজিত হয়। এই সম্মানিত বদর জিহাদে অংশগ্রহণকারী ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বেমেছাল শান- মান, মর্যাদা- মর্তবা মুবারক দান করেন। সুবহানাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়। )
পূর্ব প্রকাশিতের পর
ঐতিহাসিক বদর জ বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়।)
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র হাদ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদ জিহাদে হযরত মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনাদের অবদান:
সম্মানিত উহুদ জিহাদে পুরুষ ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের পাশাপাশি হযরত মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারাও বেমেছাল অবদান মুবারক রেখেছেন। উনারা সম্মানিত এই জিহাদ মুবারকে হযরত পুরুষ ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উনারা পানি পান করাতেন। আবার কোন হযরত মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারা স্বশরীরে সম্মানিত জিহাদ মুবারকে অংশগ্রহণও করেছেন। সুবহা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ মুহম্মদ আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আবূ সুফিয়ান ইবনে হারব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র যিলহাজ্জ মাসে সাবীকের যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বাহির হন। হযরত মুহম্মদ ইবনে জা’ফর ইবনে যুবাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ও হযরত ইয়াযীদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং আরও কিছু বর্ণনাকারী উনারা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সূত্রে বর্ণনা করেন। আর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়।)
পূর্ব প্রকাশিতের পর
হযরত উবাইদাহ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক অবস্থায় কুযমানের মৃত্যু:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার কাছে হযরত আসিম ইবনে আমর ইবনে কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেছেন। আমাদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল যার সম্পর্কে কিছুই জানা ছিল না যে, সে কোন গোত্রের। তার নাম ছিল কুযমান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে তার সম্পর্কে আলোচনা করা হলে, তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إنّهُ لَمِنْ أَهْلِ النّارِ
অর্থ: “নিশ্চয়ই সেতো জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত।”
সম্মানিত উহুদ জিহাদে কুযমান বেশ উদ্যমের সাথে সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
পেটেন্ট আপনার উদ্ভাবন কে কপি না হওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
পেটেন্ট কি:
পেটেন্ট হল বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ।
পেটেন্ট একটি অধিকার যা উদ্ভাবককে তার নতুন উদ্ভাবনের জন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেয়া হয়। এটি উদ্ভাবকের স্বত্বের অধিকার যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেয়া হয়। উদ্ভাবন বলতে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান বোঝায়। উদ্ভাবন টি হতে পারে কোন পণ্য, কোন কিছু সম্পন্ন করার নতুন কোন পদ্ধতি বা কোন সমস্যার কারিগরি সমাধান। পেটেন্ট তার উদ্ভাবককে এই নিশ্চয়তা দেয় তার অনুমতি ব্যতিত কেউ এটি ব্যবহার করতে পারবে না।
পেটেন্টের মেয়াদ:
বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ সম্পর্কে নাযিলকৃত মহাসম্মানিত সূরা আহযাব শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর
এক বর্ণনায় এসেছে, আমর ইবনে আবদ, সে ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পালওয়ান। সে তার তরবারীটা কা’বা শরীফে ঝুলিয়ে রাখতো। তার সাথে জিহাদ করতে কেউ সাহস পেতো না, এক কোপে দুই ট্কুরা করে ফেলতো। অনেক উচু-লম্বা, অনেক শক্তিশালী। বলা হয়, ১০০০ যোদ্ধার সাথে সে একাই লড়তো। খন্দকের জিহাদের সময় সে আসছে, এসে খুব হুমকি ধামকি দিচ্ছিলো। কোথায় মুসলমানেরা? কে শহীদ হতে চায়? আমার কাছে আসো। অমুক তমুক, অনেক কিছু। বড় একটা বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়ারমুকের সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার ঘটনা ইতহাসের পাতায় পাতায় সমুজ্জ্বলভাবে লিপিব্ধ রয়েছে। এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার মাধ্যমে খ্রিষ্টানদের দম্ভ-অহঙ্কার চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। তারা অত্যন্ত দম্ভ-অহঙ্কার সহকারে ২ লাখ সৈন্য নিয়ে জিহাদের ময়দানে উপস্থিত হলো। তারা মোট চব্বিশ সারিতে বিভক্ত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হলো। তাদের মধ্যে ৩০ হাজার সৈন্য পায়ে বেড়ী লাগিয়ে এসেছিলো, যেন পালাবার কোনো সুযোগ না থাকে। সম্মানিত মুসলমান উনাদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো মোট ৩৫ হাজার। এক বর্ণনা মতে সম্মানিত মুসলমান উনাদের মধ্যে এক হাজার জন ছিলেন বাকি অংশ পড়ুন...












