দু’জন থেকে খিলাফত লাভ:
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে বড় হুযূর কিবলা অর্থাৎ ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন গদীনশীন পীর, কাইয়ূমে যামান, হযরত মাওলানা আবদুল হাই ছিদ্দিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও সম্মানিত খিলাফত মুবারক দিয়েছিলেন। তবে উনার প্রধান মুর্শিদ কিবলা ছিলেন হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। সেজন্যই পবিত্র শাজরা শরীফে উনার মুর্শিদ কিবলা দু’জন দেখানো হয়েছে। হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনিও উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত করতেন।
হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনি ঢাকা মিরপুà বাকি অংশ পড়ুন...
(১) চাকচিক্য পোশাকের লোভ যাদের অন্তরে, তাদের কাফনের কথা স্মরণ করা উচিত।
জাঁকজমক বাড়ির আকাঙ্খা যাদের অন্তরে, তাদের উচিত কবরের ছোট্ট গর্তটির কথা স্মরণ করা।
যারা সবসময় সুস্বাদু খাবারের লোভ করে তাদের কর্তব্য হচ্ছে- নিজের লাশটি যে শেষ পর্যন্ত কীটের খোরাক হবে তা স্মরণ করা।
(২) যার হাতে অন্যের নিন্দাবাদ করার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকে, তার চাইতে হতভাগা আর কেউই হতে পারে না।
(৩) বছরান্তেও যে ব্যক্তি দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হয় না, তার চিন্তা করা উচিত যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার উপর সন্তুষ্ট কি না।
(৪) যে ব্যক্তি চোখের ভাষা বুঝে না, তার সামনে মুখ খোলা বাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
একটা কঠিন অপবাদ। যে অপবাদটা হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনাকে দেয়া হয়েছিল, হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম উনাকে দেয়া হয়েছিল। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতময় ভাবে ফায়সালা মুবারক করেছেন, মুক্ত করেছেন তাহলে আমারটা কি ভাবে হবে? অনেক ফিকির করলাম। এদিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি বলে দিবেন? এখন তিনি যদি বলেন তাহলে মানুষতো বলবে প্রত্যেকেই প্রত্যেকের যার মাতাহাত তাদের সম্পর্কে ভালো কথাই বলে থাকে। তাহলে এটা কি ফায়সালা হবে? ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা, যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত, বিশেষ করে বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত- তা অনুসরণ-অনুকরণ করা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য জায়িয নেই।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য মতবাদ অনুসরণ করা নিষেধ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ: যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম (নিয়ম-নীতির) অনুসরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক:
নাম মুবারক: আহমদ।
পিতা উনার নাম: মুহম্মদ।
দাদা উনার নাম: হাম্বল।
উপনাম: আবূ আব্দুল্লাহ।
বংশ পরিচয়:
হযরত আহমদ বিন মুহম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরীস আশ্ শায়বানী, আল-মারওয়ায়ী আল-বাগদাদী। উনার ১৩ তম পূর্ব পুরুষ শায়বান এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আশ শায়বানী, উনার জন্মভূমি মুরউ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল-মারওয়ায়ী, অতঃপর উনার অবস্থান বাগ্দাদ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল বাগ্দাদী....।
পবিত্র বিলাদত শরীফ ও প্রতিপালন:
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১৬৪ হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়à বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭. মালঊন পালামলের করুণ পরিণতি:
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ খৃ: সন্ধ্যার ঘটনা। মুহম্মদ ছিদ্দীক বাবা বুল্লে শাহের দরবারের কাছে একটি নিম গাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। অনুসন্ধিৎসু চোখে দু’জন আগন্তুকের উপর তীক্ষè দৃষ্টি রাখছেন। এর মধ্যেই এক ব্যক্তি আসলো যে তার চেহারার অধিকাংশই নেকাব দিয়ে ঢেকে রেখেছে। তিনি তৎক্ষণাৎ তার গতিরোধ করলেন। জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কে? কোথায় থেকে এসেছো? এখানে কী করো? সে নাম বলতে দ্বিধা করলো। ঘটনা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ালো। মুহম্মদ ছিদ্দীককে একা দেখে তারও সাহস বেড়ে গেলো। বলতে লাগলো, মুসলমানরা এই পর্যন্ত আমার কী-ই বা করঠবাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
উছমানী খিলাফতকালে প্রত্যেক বাড়ির দরজায় দুটো কড়া থাকত। একটি ছোট, একটি বড়।
কোনো নারী দরজায় কড়া নাড়লে ছোটো কড়াটি নাড়তো। এতে আস্তে শব্দ হতো। ভেতরের লোকজন বুঝতে পারতো একজন নারী এসেছে। পরিবারের পুরুষ সদস্য তখন অন্য রুমে চলে যেতো। একজন নারী গিয়ে দরজা খুলে অন্য নারীকে স্বাগত জানাত।
কোনো পুরুষ আসলে বড় কড়াতে নাড়ত। ভেতরের লোকজন বুঝত একজন পুরুষ আসছে। বাড়ির নারী সদস্যরা অন্য রুমে চলে যেত, একজন পুরুষ গিয়ে দরজা খুলত।
চিন্তা করা যায়, সেই যুগে একটা বাড়িতে প্রাইভেসির কথা কীভাবে ভাবা হত!?
বাকি অংশ পড়ুন...












