নিকাহ বা বিবাহের আহকাম
, ০৯ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ৩০ হাদি ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ৩০ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রি:, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
নেককার আল্লাহওয়ালী আহলিয়া (স্ত্রী) শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয় বান্দাগণকে যত নিয়ামত দান করেছেন তন্মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হচ্ছেন দ্বীনদার, পরহেযগার, আল্লাহওয়ালী আহলিয়া বা স্ত্রী।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اَلدُّنْيَا كُلُّهَا مَتَاعٌ وَخَيْرُ مَتَاعِ الدُّنْيَا اَلْمَرْأَةُ الصَّالِـحَةُ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- দুনিয়ার সবটাই সম্পদ। আর শ্রেষ্ঠতম সম্পদ হচ্ছে দ্বীনদার-পরহেযগার আহলিয়া বা স্ত্রী। (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)
একদা কতিপয় ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বলাবলি করতে লাগলেন-
لَوْ عَلِمْنَا أَىُّ الْمَالِ خَيْرٌ فَنَتَّخِذَهٗ فَقَالَ أَفْضَلُهٗ لِسَانٌ ذَاكِرٌ وَقَلْبٌ شَاكِرٌ وَزَوْجَةٌ مُّؤْمِنَةٌ تُعِيْنُهٗ عَلٰى إِيـمَانِهٖ
অর্থ: যদি আমাদেরকে জানানো হতো, কোন সম্পদ শ্রেষ্ঠ ও উত্তম, তাহলে আমরা তা সঞ্চয় বা জমা করতাম। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যিকিরকারী জিহ্বা বা যবান, শোকরগোজার অন্তর এবং নেককার তথা প্রকৃত মু’মিনা আহলিয়া তথা স্ত্রী। যিনি আহাল স্বামীকে দ্বীনদারীর ক্ষেত্রে সহায়তা করে থাকেন। (ইবনে মাজাহ শরীফ, তিরমিযী শরীফ)
যারা বিবাহের সামর্থ রাখে না তাদের
জন্য রোযা রাখা সুন্নত
নিকাহ বা বিবাহের অন্যতম উদ্দেশ্য, পুতঃপবিত্র জীবন যাপন করা। পরহেযগার মুত্তাক্বী হওয়া। কেননা সর্বাধিক পরহেযগার বা মুত্তাক্বী ব্যক্তিই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সর্বাধিক প্রিয়- মাহবূব।
রোযার দ্বারাও সেই উদ্দেশ্য-লক্ষ্য সাধিত হয়। তাছাড়া রোযার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গভীর নৈকট্য কুরবত তায়াল্লুক-নিছবত পয়দা হয়। কাজেই যারা নিকাহ বা বিবাহ করতে সামার্থবান নয় তারা রোযার দ্বারা সেই উদ্দেশ্য সাধন করতে পারেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ لَّـمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَاِنَّهٗ لَهٗ وِجَاءُ
অর্থ: যে যুবক বিবাহ করার সামর্থ্য রাখেনা তার উচিত রোযা রাখা। কেননা, রোযার দ্বারা পবিত্রতা হাছিল হয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কারবালার ঘটনার জন্য মালউন ইয়াযিদ লানতুল্লাহি আলাইহি দায়ী এবং সে কাফির (২)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (৭ম পর্ব)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৫)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিনটি আক্বীদাহ বিশুদ্ধ করা আবশ্যক
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












