মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় পবিত্র কালাম পাক উনার অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে বান্দা-বান্দীদের কাজ-কর্ম সম্পাদন করার ব্যাপার তাড়াহুড়া করতে নিষেধ করেছেন। বরং চিন্তা-ভাবনা করে ধীরস্থিরতা ও সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْاٰنِ
অর্থ : “পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করো না।” (পবিত্র সূরা ত্বহা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৪)
স্মরণীয় যে, পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের নুযূল খাছ কিন্তু হুকুম ‘আম (ব্যাপক) অর্থাৎ কিয়ামত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল অনন্তকালব্যাপী জারি এবং উনার কার্যক্রম :>>>>>>বাংলাদেশসহ অনেক মুসলিম দেশে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালিত হয় অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে। অবশ্য অনেক তথকথিত মুসলিম দেশ এই সুমহান দিনের মর্যাদা বুঝতে অক্ষম থাকায় তারা এই বিশেষ দিন পালন করার নিয়ামত অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! একটি বিষয় দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে- “পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ” পালন আসলে অন্তরের পরিশুদ্ধতা ও আক্বীদার বিশুদ্ধতার উপর নির্ভরশীল। চাইলেই কেউ এ মহিমান্বিত অনুষ্ঠান পালন করতে পারে না এবং পারবে না। কো বাকি অংশ পড়ুন...
২২০ পর্ব:
ফিরআউন অনেক জুলুম করেছে। যখন জুলুমের শেষ প্রান্তে তিনি পৌঁছেছেন, যে জুলুমগুলো বরদাশত করা সম্ভব ছিলো না, অত্যন্ত কঠিন মনে হচ্ছিল। সে অবস্থায় তিনি এ দোয়া করেছিলেন।
إِذْ قَالَتْ رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ
তিনি বললেন, হে মহান রব তায়ালা! আপনার জান্নাতে আমার জন্য একটা বালাখানা তৈরী করুন!
وَنَجِّنِي مِن فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ
এবং ফিরআউন থেকে এবং তার আমল থেকে আমাকে নাজাত দান করুন।
وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
এবং এই জালিম ক্বওম থেকে আমাকে নাজাত দান করুন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যেহেতু এটা স্বা বাকি অংশ পড়ুন...
১৩নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عن حضرت علي كرم الله وجهه عَلَيْهِ السَلَّامَ قَالَ قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ"العلماء مصابيح الأرض، وخلفاء الأنبياء وورثتي وورثة الأنبياء
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আলিমগণ হচ্ছেন যমীনের প্রদীপ, আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালামগণ উনাদের প্রতিনিধি বা খলীফা, আমার ওয়ারিশ ও আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালামগণ উনাদের ওয়ারিশ বাকি অংশ পড়ুন...
সবক্ব নং ১৬ : ক্বলক্বলাহ ও হামঝায়ে শাদীদাহ উনার বিবরণ
‘ক্বল্ক্বলাহ’ অর্থ ‘জুম্বিশ’ বা ঝাকুনি দেয়া অর্থাৎ যে হরফগুলি সাকিন এবং ওয়াক্বফ উনার অবস্থায় উচ্চারণ করতে তাদের উচ্চারিত স্থানটি ‘জুম্বিশ’ হয়ে একটু আওয়ায প্রকাশ পায়, তাহাদেরকে হরূফে ক্বল্ক্বলাহ বলে। হুরূফে ক্বল্ক্বলাহ ৫টি। যথা ق – ط – ب – ج - د
সংক্ষেপে قُطُبُجَدٍّ উদাহরণ স্বরূপ বলা হয়, কোন গোলাকার বস্তু শক্ত ভূমিতে আঘাত করলে আঘাত পাওয়া মাত্রই প্রতিঘাত হয়, অর্থাৎ, সেই গোলাকার বস্তুটি আঘাত করা মাত্রই ‘জুম্বিশ’ হয়ে উপরের দিকে উত্থিত হয়, সেই রূপ ক্বল্ক্বলার ৫টি হরফও সাকিন অর্থা বাকি অংশ পড়ুন...
২১৯ পর্ব:
তোমরা জেনে রাখ, সৃষ্টির শুরু থেকে এ পর্যন্ত যেহেতু আখিরী নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শেষ নবী এবং শেষ রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যত নবী এসেছিলেন সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যারা আহলিয়া ছিলেন উনারা ঈমানদার ছিলেন তবে দু’জন ব্যতীত। সেটাই বলা হচ্ছে-
كَانَتَا تَحْتَ عَبْدَيْنِ
দু’জন আমার বন্দার অধীন ছিলো তারা।
مِنْ عِبَادِنَا صَالِحَيْنِ
দু’জন নেককার বান্দা, দু’জন নবী এবং রসূল আলাইহিমাস সালাম।
فَخَانَتَاهُمَا
এরা আমানতের খিয়ানত করেছে।
فَلَمْ يُغْنِيَا عَنْهُمَا مِنَ اللَّهِ شَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا تَزَوَّجَ الْعَبْدُ فَقَدِ اسْتَكْمَلَ نِصْفَ دِيْنِهٖ فَلْيَتَّقِ اللهَ فِي النِّصْفِ الْبَاقِيْ
অর্থ: হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষ যখন বিবাহ করে তখন সে তার সম্মানিত দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করে। বাকী অর্ধেকের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করা তথা তাক্বওয়া অবলম্বন করা উচিত।” (শুয়াবুল ইমান, ম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আকতা” লক্ববের হাক্বীক্বত
হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক সময় লেবাননের পাহাড়ে থাকতেন। একদিন বাদশাহ এসে ওই পাহাড়ের সকল ফকীরকে একটি করে দীনার দিলেন। হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও দীনার গ্রহণ করলেন। কিন্তু তিনি সঙ্গে সঙ্গে উনার এক সঙ্গীর কোলে দীনারটি ফেলে দিলেন। অতঃপর তিনি উনার সঙ্গীসহ মাল-সামনা নিয়ে শহরের দিকে যাত্রা করলেন। ঘটনাক্রমে তাড়াহুড়ার মধ্যে তিনি বিনা ওযুতে পবিত্র কুরআন শরীফ উঠিয়ে নিজের সঙ্গে নিলেন। উনারা যখন এক বাজারে এলেন তখন দেখলেন বাকি অংশ পড়ুন...
২১৮ পর্ব:
এখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ
কাফির মুনাফিক্বদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন। এই বেয়াদবগুলি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করে নিজেরা কাফির ও জাহান্নামী হচ্ছে, মুসলমানদেরকেও বিভ্রান্ত করতেছে। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই এদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠিন জিহাদ ঘোষণা করুন, দৃঢ় হউন। অর্থাৎ উম্মতদেরকে বলেন এদের বিরুদ্ধে যেন শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এদের জায় ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম, এটা নিকৃষ্ট একটা জায় ঠিকানা। এরা জাহান্নামের কিট। এদের কোন ইজ্জত- স বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেছেন,
أَمَا إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلّى الله عليه وسلم يَقُولُ: ্রلَنْ يَحْنُوَ عَلَيْكُمْ بَعْدِي إِلَّا الصَّالِحُونَগ্ধ
সাবধান হয়ে যাও! নিশ্চয়ই আমি শুনেছি। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন। কি করেছেন?
لَنْ يَحْنُوَ عَلَيْكُمْ بَعْدِي إِلَّا الصَّالِحُونَ
আমার পরে যারা নেককার, আল্লাহ ওয়ালা, আল্লাহ ওয়ালী উনারাই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
(বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী
ইলমে তাছাওউফ হাছিল
অতঃপর ইমাম আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরয করলেন, হে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ¦মীস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহিলাদের মীরাস কত অংশ? তিনি বললেন, মহিলার অংশ পুরুষের অর্ধেক। এ উত্তর শুনে ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন-
هذا قول جدك ولو حولت دين جدك لكان ينبغى فى القياس ان يكون للرجل سهم وللمرأة سهمان لأن المرأة اضعف من الرجل
অর্থ: এটা আপনার সম্মানিত নানাজান নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
খাতসমূহের মধ্যে যাদেরকে যাকাত দেয়া অধিক উত্তম :
সম্মানিত যাকাত প্রদানের আট প্রকার খাতের মধ্যে তিন প্রকার খাতে সম্মানিত যাকাত দেয়া উত্তম। যেমন,
১। নিকটতম গরীব আত্মীয়-স্বজন : নিকটতম গরীব আত্মীয়-স্বজন যদি তাদের আক্বীদা, আমল বিশুদ্ধ থাকে। তা খেয়ে পরে যদি মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করে। এর ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তিকে সম্মানিত যাকাত দিলে তা আদায় হবে না। যদিও নিকটতম গরীব আত্মীয়-স্বজন হোক না কেন।
২। গরীব প্রতিবেশী : এ ক্ষেত্রেও উক্ত ১নং শর্তের অনুরূপ।
৩। গরীব ত্বলিবুল ইলম : যারা দ্বীনি ইলম্ অন্বেষণ করে। তাদেরকে সম্মানিত যাকাত দ বাকি অংশ পড়ুন...












