মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ ۢبَنـٰى لِلّٰهِ مَسْجِدًا بَنَـى اللهُ لَهٗ قَصْرًا فِـى الْـجَنَّةِ.
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য একটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক নির্মাণ করবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ ব্যক্তি উনার জন্য সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ একঠবাকি অংশ পড়ুন...
মুরীদ এমন স্থানে দাঁড়াবে না, যাতে করে সম্মানিত শায়েখ উনার উপর বা উনার ছায়ার উপর মুরীদের ছায়া পড়ে। কারণ ইহা বেয়াদবীর অন্তর্ভুক্ত। আর কবি বলেন-
از ادب پر نور گشتست این فلک
وز ادب معصوم گشتست این مالک-
অর্থ: “আদব রক্ষা করার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানকে কোটি কোটি গ্রহ নক্ষত্র দিয়ে সাজিয়েছেন। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক আসমানকে যখন বলেছিলেন, হে আসমান, তুমি কোন স্তম্ভ ছাড়াই দাঁড়িয়ে থাক, তখন সে কোন অভিযোগ ছাড়াই দাঁড়িয়ে ছিল। আর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন তিনি হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করার নির্দেশ মুবারক দিঠবাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার অনুমতি মুবারক ব্যতীত উনার সামনে ফরয ও সুন্নত ছাড়া অন্য কোন নফল আমল করবেনা। এমনকি যিকির-ফিকিরও নয়। অর্থাৎ উনার সামনে নফল ইবাদত দ্বারা নিজেকে বড় ইবাদতগুজার বলে প্রকাশ করবেনা। উনার সামনে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করার কোশেশও করবেনা।
বর্ণিত আছে যে, একদা সুলতান মাহমুদ বিশিষ্ট গনিত বিশারদ আল বেরুনীসহ উনার এক বাগানবাড়িতে হাটছিলেন। সুলতান মাহমুদ জানতেন যে, আল বেরুনী অংক শাস্ত্রে উনার অসাধারণ এবং অকল্পনীয় ক্ষমতাবলে অনেক কিছু বলে দিতে পারেন। তাই তাকে অপ্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে তিনি এমন এক বিষয়ের বাকি অংশ পড়ুন...
এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَدِّبُوْا اَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّ نَـبِـيِّكُمْ وَحُبِّ اَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের আওলাদ তথা সন্তান-সন্ততি, নাতী-নাতনী, ছেলে-মেয়ে, অধীনস্থদেরকে তিনটি বিষয়ে যথাযথ (আদব) শিক্ষা প্রদাঠবাকি অংশ পড়ুন...
পারিবারিক জীবন:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফুফাত ভাই হযরত যুবাইর বিন আওওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাথে হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার বিবাহ হয়। হিজরতের পর তিনি মদীনা শরীফে চলে আসলে এখানেই পারিবারিক জীবন যাপন করতে থাকেন। কিন্তু হযরত যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংসার ছিল হিসাবী সংসার। সাংসারিক কাজে সাহায্যের জন্য কোন গোলাম-বাঁদী ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটি ঘোড়া ও একটি উট। এইগুলির দেখাশুনা করতে হতো হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকেই। হযà বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَخْرَجَ حَضْرَتْ اَبُوْ بَكْرِ بْنُ اَبِـىْ شَيْبَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِـىْ كِتَابِهٖ قَالَ حَدَّثَنَا حَضْرَتْ عَفَّانُ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ سَلِيْمِ بْنِ حَيَّانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ سَعِيْدِ بْنِ مِيْنَا رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّـهُمَØ বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরত’ শব্দটি হিজরান অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। সাধারণভাবে দেশত্যাগ করাকে ‘হিজরত’ বলা হয়। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় হিজরত বলা হয়, ফিতনা-ফাসাদের আশঙ্কায় অথবা সম্মানিত দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশত্যাগ করে অন্য কোনো দেশে গমন করা। মূলত, ‘সম্মানিত দ্বীন উনার কারণে কোনো দেশত্যাগ করাও হিজরতের অন্তর্ভুক্ত।’
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দুশমন কাফির-মুশরিকরা গোপনে বৈঠক করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হলো যে, আগামীকাল ভোরবেলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র হুজরা শরীফ থেকে যখন বাইরà বাকি অংশ পড়ুন...
আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবার আলাইহিস সালাম উনার বুযুর্গী ও ফযীলত মুবারক বর্ণনার অপেক্ষা রাখে না। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি একাধিক স্থানে উনার পবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করেছেন। উনার প্রশংসায় অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পরে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী তিনিই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট à বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে বলা হয়, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দিকে কিছুটা সামনে অগ্রসর হলে হযরত সুরাকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মতো হযরত বুরাইদা আসলামী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ৭০ জন অশ্বারোহীসহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্ধানে বের হঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফুফাত ভাই হযরত যুবাইর বিন আওওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাথে হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার বিবাহ হয়। হিজরতের পর তিনি মদীনা শরীফে চলে আসলে এখানেই পারিবারিক জীবন যাপন করতে থাকেন। কিন্তু হযরত যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংসার ছিল হিসাবী সংসার। সাংসারিক কাজে সাহায্যের জন্য কোন গোলাম-বাঁদী ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটি ঘোড়া ও একটি উট। এইগুলির দেখাশুনা করতে হতো হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকেই। হযরত আসমা রদ্বিয়াল্à বাকি অংশ পড়ুন...
يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَّوْعِظَةٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِىْ الصُّدُوْرِ. وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّـمَّا يَجْمَعُوْنَ
তরজমা: “হে মানুষেরা! তোমাদের রব তায়ালা উনার তরফ থেকে তোমাদের নিকট এসেছেন মহান নছীহতকারী, অন্তরের মহান আরোগ্য দানকারী, মহান হিদায়েত দানকারী এবং মু’মিনদের জন্য মহান রহমত দানকারী। (অতএব, আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি (উম্মতদেরকে) বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফদ্বল ও সম্মানিত রহমতস¦রূপ আপনাকে যে তারা পেয়েছে, সেজন্য তাদের প্রতি কর্তঠবাকি অংশ পড়ুন...












