মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِن تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لَا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا إنَّ اللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌ.
অর্থ: তোমরা যদি ধৈর্যশীল হও অর্থাৎ ইস্তিকামত থাকো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তারা যা করে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি পরিবেষ্টন করে রয়েছেন। (তাদের প্রত্যেক কাজ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্যক অবহিত, কাজেই পরকালে উনার শাস্তির হাত হতে রেহাই পাওয়ার তাদের কোনো উপায় নেই)। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: আয়াত শরীফ ১২০)
বাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গ বা বাংলা, বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙালি তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি) মানেই মুসলমানদের তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি):
আমরা বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামাণ্য ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের। প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরাই প্রকৃত বাঙালি। মুসলমানরাই প্রকৃত আদিবাসী। মুসলমানরাই এই ভূমিতে প্রাচীনকালে আবাদ করেছেন। মুসলমানরাই এর রক্ষণাবেক্ষণকারী। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এসব সকলই মুসলমানদের অবদান। স্বাধীন বাংলা ও বাংলাদেশ মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلاَ تَقُولُواْ لِمَا تَصِفُ أَلْسِنَتُكُمُ الْكَذِبَ هَـذَا حَلاَلٌ وَهَـذَا حَرَامٌ لِّتَفْتَرُواْ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ إِنَّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ لاَ يُفْلِحُونَ
অর্থ: তোমাদের মুখ থেকে সাধারণত যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে। তেমনিভাবে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে বলো না যে, এটা হালাল এবং ওটা হারাম। নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ করে, তারা কখনোই কামিয়াবী হাছিল করতে পারবে না। নাঊযুবিল্লাহ! (সূরা নাহল শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৬)
মূলত যারা হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল করবে তাঠবাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
قَوْلًا كَرِيمًا
পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছে। একজন সাধারন বাবা- মা তার সাথে সম্মান জনক কথা বলো।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তোমরা বাবা- মাকে উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
قَوْلًا كَرِيمًا
এবং সম্মানজনক কথা বলো
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّÙ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
কামালতে নুবুওওয়াতের মাকাম হাছিল:
“ছিরাতুল মুস্তাকিম” ১৪৯-১৫২ পৃষ্ঠা, “তাওয়ারিখে আজিবা” ১০/১১ পৃষ্ঠায়, “কারামতে আহমদী” ২৩ পৃষ্ঠা হতে জানা যায়, আফদ্বালুল আউলিয়া, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কামালতে নবুওওয়াত তবকার ওলী ছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনারা উনাকে স্বপ্নে দীদার মুবারক দিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তিনà বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমি উনার নাম মুবারক উনার মধ্যে, উনার সম্মানার্থে, উনাকে মহব্বত মুবারক করে এই বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা চুম্বন মুবারক দিয়েছিল। নাম মুবারকে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল। দুরূদ শরীফ পাঠের সময় আযানে যে চোখে বুছা দেয়া হয়, সে সরাসরি বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা। একটা মাত্র। সে বলেছিল, আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমিতো গ্রাম-গঞ্জে থাকি। উনি কোথায় আসবেন, কবে আসবেন? আমি জানি না। উনার অনেক ছানা-ছিফত মুবারক, অনেক সম্মান মুবারক, অনেক ফযীলত মুঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ زِيَادِ بْنِ حُدَيْرٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، قَالَ: قَالَ لِي حَضْرَتْ عُمَرُ الْفَارُوقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ هَلْ تَعْرِفُ مَا يَهْدِمُ الإِسْلاَمَ قَالَ قُلْتُ لاَ قَالَ يَهْدِمُهُ زَلَّةُ الْعَالِمِ وَجِدَالُ الْمُنَافِقِ بِالْكِتَابِ وَحُكْمُ الأَئِمَّةِ الْمُضِلِّينَ.
অর্থ: তাবিয়ী হযরত যিয়াদ ইবনে হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, একবার খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বললেন, আপনি বলতে পারেন কি, দ্বীন ইসলাম উনাকে কিসে ক্ষতি করবে? হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি বললাম, না। তখন তিনি বললেন, আলিমদ বাকি অংশ পড়ুন...












