এবং আরো বলে দিলেন-
أَنَّ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: مِنْ شَجَرَةٍ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلَفِ الْمَلَائِكَةِ، وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدَنِ الْعِلْمِ
অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে, পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার ব্যাখ্যায়।
فَإِنَّ اللهَ هُوَ مَوْلاهُ وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
এখানে বলা হচ্ছে সকলে গোলাম, খাদিম। সেটাই মহাসমম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলতেছেন যে দেখ, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে পবিত্র করেছেন, কতো পবিত্র? উনারা এ বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِّنْ رَّمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلَا مَرَضٍ لَـمْ يَقْضِ عَنْهُ صَوْمَ الدَّهْرِ كُلَّهٗ وَاِنْ صَامَهٗ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি ওজর অথবা রোগ ব্যতীত রমাদ্বান শরীফ মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে যদি তার পরিবর্তে সারা বছরও রোযা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
ঈমানদারদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এরপর কাফিরদেরকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে তোমাদের কোন ওজর শোনা হবে না।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে ওজর পেশ করো না, তোমরা কেন কুফরী করলে? কেন তোমরা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বিরোধিতা করলে?
إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
তোমরা যা আমল করেছ তার বদলা অবশ্যই একশতে একশ’ তোমাদেরকে ভোগ করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখানে এক রূকু, সাতটা পবিত্র আয়াত শরীফ। এখানে বলা হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্না বাকি অংশ পড়ুন...
যেই ঘরে কুকুর থাকে সেই ঘরে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না:
১ম দলীল:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ رَاَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ الْكَاٰبَةُ فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا شَأْنُكَ قَالَ وَعَدَنِىْ حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَلَمْ اَرَهٗ مُنْذُ ثَلَاثٍ قَالَ فَظَهَرَ كَلْبٌ خَرَجَ مِنْ بَعْضِ الْبُيُوْتِ فَاَمَرَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَتْلِهٖ فَظَهَرَ حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ يَا حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ ا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পব বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, অবশ্যই আমি পাল্টিয়ে দিতাম। তাহলে তিনি পাল্টিয়ে দিয়েছেন কি? নাউযুবিল্লাহ! তাহলে দেখা যাচ্ছে উনাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আর কেউ নেই। যারজন্য উনারাই সেই মুসলমানিত্বের মাক্বাম, ঈমানের মাক্বাম, ক্বনিতিনের মাক্বাম, তওবার মাক্বাম, আবদিয়াতের মাক্বাম এবং ছমাদিয়াতের মাক্বাম প্রত্যেকটা মাক্বামের হাক্বীক্বী উনারা মালিক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদেরকে নিয়ে চূ-চেরা, কীলকাল করা, এতো কল্প গল্প এসব বানিয়ে মিথ্যা বলা এর ক বাকি অংশ পড়ুন...
ধীরে অবমুক্তকৃত ওষুধ (Sustained release drug):
কিছু কিছু ওষুধ রয়েছে, যা একবার সেবন করলে তা শরীরে থেকে ধীরে ধীরে রক্তে প্রয়োজনীয় মাত্রা যুক্ত করে। ফলে বার বার ওষুধ সেবনের প্রয়োজন পড়ে না। এর মধ্যে কিছু ইনজেকশন রয়েছে, যা সাতদিনে একটি নিলেই হয়। কিছু ট্যাবলেট রয়েছে, যা ২৪ ঘন্টায় ১টি সেবনই যথেষ্ট। এ সকল ওষুধ রোযা রাখার পূর্বেই গ্রহণ করলে রোযা অবস্থায় এর কার্যকারিতা শরীরে থাকলেও তাতে রোযার কোন ক্ষতি হবে না।
টিকা (Vaccine):
সম্প্রতি চালু হয়েছে হজ্জে যাওয়ার পূর্বে মেনিনজাইটিস টিকা নেয়ার ব্যাপারটি। এ টিকার মাধ্যমে শরীরে এন্টিজেন প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়, যা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا ﴿١٤٤﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে) তোমরা কি চাও, তোমাদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে? (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১৪৪)
বাকি অংশ পড়ুন...












