পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার একটি নাম মুবারক হচ্ছেন আছম্ম (বধির)। অর্থাৎ যে কানে শুনে না। এ বিষয়টি সম্পর্কে কিতাবে এসেছে, প্রত্যেকটি মাস শেষ হলে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পেশ করা হয় এবং তা বান্দার ভালো-মন্দ সব বিষয়ের সাক্ষ্য প্রদান করে। পবিত্র রজব মাসকে যখন পেশ করা হয় মহান আল্লাহ পাক তিনি সে মাসকে সম্বোধন করে বলেন, হে মাহে রজব! লোকেরা কি আপনাকে ইজ্জত-সম্মান করেছে? রজব চুপ করে থাকেন। এভাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার তাকে জিজ্ঞাসা করেন। অতঃপর রজব মাস বলেন, হে আল্লাহ পাক! আপনি হলেন মহান ছাত্তার (দোষ-ত্রুটি গোপনকারী)। আপনি আপনার সৃষ্টিকে অপ বাকি অংশ পড়ুন...
সেজন্য বলা হয়েছে, নুযূল খাছ হুকুম আম। নুযূলতো খাছ হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটার শানে নুযূল আরো রয়েছে যেটা বলা হয় যে, কেন নাযিল হয়েছে। বলা হচ্ছিল, পুরুষদেরতো অনেক ফযীলত তাহলে মহিলাদের কতো ফযীলত? হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের অনেক ফযীলত। তাহলে অন্যান্যদের কতো ফযীলত। সেটাই বলে দেয়া হয়েছে, তারা যদি উনাদের অনুগত হয়, উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারকগুলো পালন করে মুসলমান হয়, মু’মিন হয় ইত্যাদি ইত্যাদি হয় তাহলে তাদের জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অনেক বড় পুরস্কার তৈরী করে রেখেছেন। সুবহানাল্লাহ! এখানে ক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি ব্যত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- لِكُلّ مُؤْمِنٍ فِيْ كُلّ شَهْرٍ اَرْبَعَةُ اَعْيَادٍ اَوْ خَـمْسَةُ اَعْيَادٍ অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মু’মিন মুসলমান উনাদের প্রতি মাসে চারটি অথবা পাঁচটি ঈদ রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে চারটি অথবা পাঁচটি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ হয়ে থাকে। (কিফায়া শরহে হিদায়া ২য় খ-: বাবু ছলাতিল ঈদাইন, হাশিয়ায়ে লখনবী আলাল হিদায়া) বাকি অংশ পড়ুন...
এই ইহুদীরাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চরম বিরোধীতা করেছিলো।
তারা সম্মানিত আযান মুবারক শুনে বলেছিলো-
ابتدعت شيئاً لم يكن للأنبياء فمن أين لك الصياح كصياح العير فما أقبحه من صوت
‘এটা আপনি কি নতুন বিষয় শুরু করেছেন, যেটা পূর্বে কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সময় ছিলো না। আপনি উটের চিৎকারের মতো চিৎকার কোথায় পেলেন? কি কুৎসিত শব্দ!’ নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেন,
وَإِذَا نَادَيْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ اتَّخَذُوهَا هُزُوًا وَلَعِبًا ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَعْقِلُونَ
অর্থ: য বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّهَا كَانَتْ قَدْ اِتَّخَذْتُ عَلٰى سَهْوَةٍ لَّهَا سِتْرًا فِيْهِ تَمَاثِيْلُ فَهَتَكَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে অপর একটি বর্ণনা মুবারক-এ এসেছে যে, একবার তিনি পবিত্র হুজরা শরীফ উনার জানালা মুবারকে একটি পর্দা মুবারক ঝুলিয়েছিলেন, যাতে প্রাণীর ছবি ছিলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পর্দাটিকে ছিঁড়ে ফেললেন। (মিশ বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর কিন্তু পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেল। সেটা কি? এখানে আরেকটা বিষয় নাযিল করা হলো যা মানুষ ফিকির করে না। আপনাদের যে পবিত্র হুজরা শরীফে নাযিল করা হয়েছে। যিনি খ্বালিক
যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন তা মানুষকে নছীহত মুবারক করুন।
আপনাদের সম্মানার্থে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْقَانِتِينَ وَالْقَانِتَاتِ وَالصَّادِقِينَ وَالصَّادِقَاتِ وَالصَّابِرِينَ
وَالصَّابِرَاتِ
“নিশ্চয়ই যারা মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখিত পর্বসমূহের সারসংক্ষেপ:
১) পবিত্র ক্বাবলাল জুমুয়াহ নামায মারফু’ সূত্রে ছহীহ সনদ দ্বারাই প্রমাণিত। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই ৪ রাকায়াত পবিত্র ক্বাবলাল জুমুয়াহ নামায পড়তেন। সুবহানাল্লাহ!
২) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিসহ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যে মাধ্যম দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহাকারীগণ ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে পরষ্পর সংযুক্ত হওয়ার এবং তথ্য আদান প্রদান করার সুযোগ, সুবিধা বা সেবা লাভ করে থাকে সেই মাধ্যমটিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলা যায়। একটি সমাজে যেমন একে অপরকে চেনে, জানে এবং ভাব বিনিময় করে তদ্রুপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে চেনা পরিচয় হয়, তথ্যের আদান প্রদান হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন প্রয়োজন?
নিজের মতামত ও অবস্থাকে অগণিত মানুষের দৃষ্টিতে বাকি অংশ পড়ুন...












