সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব:
অনুরূপ আরো একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَال বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই আমাদেরকে যেন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মতে মত করে দেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ করে দেন। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে, একদম মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত। কোন বিষয়ে খেলাফ করা যাবে না। কোন বিষয়ে কথাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, খুব তাৎপর্যপূর্ণ, এটা মনে রাখবে।
এজন্য মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّٰى يَكُونَ هَوَاهُ تَبَعًا لِّمَا جِئْتُ بِهٖ
“তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিনে কামিল হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের নফ্সকে বাকি অংশ পড়ুন...
১ রবীউল আউওয়াল শরীফ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হিজরত মুবারক।
২ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
৩ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ক) বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। খ) সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নুরাইন আলা বাকি অংশ পড়ুন...
جرس هر دم بگويد الله الله نه ٹن ٹن نه ٹو ٹو.
অর্থ : ঘড়ি প্রতি মুহূর্তে আল্লাহ আল্লাহ করতেছে, না টন টন, না টু টু করে। শুনে মনে হয় ঘড়ি টন টন করে, টু টু করে, টিকটিক করে। ফ্যানটা শোঁ শোঁ করতেছে। মাইকটা আওয়াজ করতেছে বা গাছপালা শোঁ শোঁ করে আওয়াজ করে। কোনটাই আওয়াজ করে না, সব আল্লাহ আল্লাহ, আল্লাহ আল্লাহ যিকির করে।
تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالْأَرْضُ وَمَنْ فِيهِنَّ وَإِنْ مِّنْ شَيْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهٖ وَلَكِنْ لَّا تَفْقَهُونَ تَسْبِيحَهُمْ إِنَّهٗ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا
মহান আল্লাহ পাক বলেন, সাত আসমান, সাত জমিন এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছু মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির-ফিকির বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ : হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর বাকি অংশ পড়ুন...
“গান-বাজনা” ও “বাদ্য-যন্ত্র” হারাম হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى مَعْصِيَةٌ وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّلَذُّذُ بِهَا مِنَ الْكُفْرِ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। (মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
এ মুবারক দিবস সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, পবিত্র ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ উনার তৃতীয় সপ্তাহে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র জান্নাতুল বাক্বী শরীফ যিয়ারত করার বিষয়ে ওহী মুবারক করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জান্নাতুল বাক্বী শরীফ যিয়ারত মুবারক করেন এবং যিয়ারত মুবারক শেষে উনার ছের মুবারকে (সম্মানিত মাথা মুবারক) মারীদ্বী শান (ব্যথা) মুবারক জাহির করেন। এর ৮/১০ দিন পর তিনি আবার ছিহ্হাতী (স্বাভাবিক) শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
اَلسَّعْىُ مِنَّا وَالْاِتْمَامُ مِنَ اللهِ
“চেষ্টা বান্দা করবে, পুরা করবেন মহান আল্লাহ পাক তিনি।
এমন অনেক নবী আলাইহিমুস সালাম অতিবাহিত হয়ে গেছেন যাঁদের সম্পর্কে আপনারা মি’রাজ শরীফের বর্ণনায় দেখবেন, অনেক নবী আলাইহিমুস সালাম অতিবাহিত হয়ে গেছেন, যাঁদের উম্মতই ছিল না। একজনও উম্মত ছিল না। কাজেই সেজন্য নবী আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনো খেলাফে শরা’ কাজ করেন নাই। উনারা হক্বের উপরে চলে গেছেন।
কাজেই আমাদের হক্বের উপরে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত, মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সফর:
আমাদের পরবর্তী গন্তব্যস্থল ছিলো বোখারা। সেখানে প্রায় সব মাশায়িখগণের সাথে সাক্ষাত করলাম। উনাদের মধ্যে প্রত্যেকেই এমন সৌন্দর্য মুবারকের অধিকারী ছিলেন যে, উনাদের প্রশংসা বর্ণনাতীত। এমনি সফর করতে করতে দশটি বছর স্বীয় সম্মানিত পীর ও মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে কাটালাম। সফরের উপযোগী প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র মাথায় করে পথ চলতাম। সফরের দশ বছর পূর্ণ হলে আমরা পবিত্র বাগদাদ শরীফে এসে পৌঁছলাম। তারপর আমার মহান মুর্শিদ ক্বিবলা বিশেষ ইবাদত-বন্দেগীর জন্য নির্জনতা অবলম্বন করলেন। আ বাকি অংশ পড়ুন...












