মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْكَافِرِيْنَ كَانُوْا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِيْنًا
অর্থ: হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০১)
বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
পবিত্র দ্বীন ইসলামে ছেলে-মেয়েরা বিয়ের উপযুক্ত হলে বিবাহ দেয়া, বিবাহ করানোর নির্দেশ রয়েছে। একজন পুরুষ তার প্রয়োজনে চারটি বিবাহ করতে পারবে- যদি সে সমতা রক্ষা করতে পারে। একজন মহিলার স্বামী ইন্তেকাল করলে সে অন্যত্র বিবাহ বসতে পারে।
অপরদিকে অনেকের হয়তো জানা রয়েছে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এদের যারা পাদ্রী, ঠাকুর, ভিক্ষু রয়েছে এরা জীবনে কখনো বিয়ে করতে পারে না। কারণ তাদের ধর্মে নিষেধ রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে দেখা যায় যে- এই ভিক্ষু ঠাকুর, পাদ্রীগুলো তাদের জৈবিক চাহিদা মিটাতে প্রতিদিন গির্জা, মন্দিরে অবৈধ কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে- তার বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ الله بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ مِنْ قَوْلِهٖ اِنَّـمَا الْوُضُوْءُ مِـمَّا خَرَجَ وَلَيْسَ مِـمَّا دَخَلَ وَالْفَطْرُ فِى الصَّوْمِ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ.
অর্থ: “হযরত ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে- ওযূর ব্যাপারে নিয়ম হলো- শরীর হতে কিছু বের হলে ওযূ ভঙ্গ হবে, প্রবেশ করলে ভঙ্গ হবেনা। আর রোযার ব্যাপারে নিয়ম হলো- শরীরের ভিতর কিছু প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হবে, বের হলে নয়। ” (বায়হাক্বী শরীফ, ত্ববারানী শর বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
উনার প্রকৃত নাম মুবারক হচ্ছেন, হযরত মুবারক বিন আলী বিন হুসাইন মাখযুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি, আবূ সাঈদ উনার কুনিয়াত বা উপনাম। তিনি হযরত খিযির আলাইহিস সালাম উনার বন্ধু ছিলেন। হাম্বলী মাযহাবের শায়েখ ছিলেন। হযরত শায়েখ আবুল হাসান হাক্কারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাতে বাইয়াত হয়েছিলেন তিনি। মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দিন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার নিকট থেকে বেলায়েতের খিরক্বা প্রাপ্ত হয়েছিলেন। (সফিনাতুল আওলিয়া)
অন্যান্য ঘটনাবলী:
হযরত গাউছুল আ’যম রহমতুল্লাহি আলা বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৪)
সনদ পর্যালোচনা:
এই সনদের একজন রাবী হচ্ছেন মুহম্মদ ইবনে যিয়াদ আত্ব তহহান। যার সম্পর্কে হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আদ্ব দুআফা ওয়াল মাতরূকীন’ কিতাবে বলেন-
محمد بن زياد الطحان اليشكري الجزري الميموني يروي عن ميمون بن مهران قال يحيى كذاب خبيث وقال أحمد كذاب خبيث يضع الحديث وقال عمرو بن علي كان كذابا متروك الحديث وقال السعدي والدارقطني كذاب وقال النسائي والبخاري وأبو حاتم الرازي متروك الحديث وقال ابن حبان كان ممن يضع الحديث على الثقات لا يحل ذكره في الكتب إلا على جهة القدح فيه
অর্থ: মুহম্মদ ইবনে যিয়াদ আত ত্বহহান আল ইয়াশকারী আল জাযরী আল মায়মূনী। তিনি মাইমূন ইবনে মিহরান থেকে হাদীছ বর্ণনা কর বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ফার্মাসিউটিক্যাল সেমিসলিড (semisolid) প্রিপারেশন্সসমূহের মধ্যে রয়েছে, মলম (ointments), পেষ্ট (paste), ক্রীম (cream), ইমালশন (emulsion), জেল (gel) ইত্যাদি। এ সবগুলো মাধ্যমই ত্বকে ওষুধ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে খুব অল্পসংখ্যক মাধ্যম দ্বারা মিউকাস মেমব্রেনে, যেমন রেকটাল টিস্যূ (recral tissue), বাক্কাল টিস্যূ (buccal tissue), ইউরিথ্রাল মেমব্রেন (urethral membrane), কানের বাইরের ত্বকে, নাকের মিউকোসাতে এবং চোখের কর্ণিয়াতে ওষুধ দেয়া হয়। মিউকাস মেমব্রেনে ওষুধ প্রবেশ করলে, তা রক্তে ছড়িয়ে যায় কিন্তু শরীরের সাধারণ ত্বক তুল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...












