হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের আমল মুবারক
৩য় দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَدِّهٖ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَـيْـرِنَا
“হযরত আমর বিন শু‘আইব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার সম্মানিত পিতা উনার থেকে এবং তিনি উনার সম্মানিত দাদা (হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
(১০) একদিন হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে এক নাপিতের কাছে গেলেন। তখন নাপিত একজন দরবেশের চুল কাটছিলো। হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াস্তে তুমি আমার চুল কেটে দিতে পারবে?” নাপিত তৎক্ষনাৎ রাজী হলো এবং তার চক্ষুদ্বয় অশ্রুপূর্ণ হয়ে উঠলো। তখনও দরবেশের চুল কাটা শেষ হয়নি। তথাপি নাপিত দরবেশকে সশ্রদ্ধে বললো, আপনি উঠুন, আপনার কাজ শেষ করতে পারলাম না। কেননা মহান আল্লাহ পাক উনার নাম যখন উচ্চারিত হয়েছে তখন আমি পূর্ণ বিনিময় প্রাপ্ত হয়েছি। কাজেই আগে আমাকে সে কা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ মাস ও বছরের উপস্থিতি:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাহিবজাদা শায়েখ হযরত সাইফুদ্দীন আব্দুল ওহাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেছেন, “এমন কোন মাস ছিলো না, যেটা আমার আব্বাজান উনার খিদমতে হাজির হয়নি। নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার আগেই প্রতিটি মাস হাজির হতো এবং মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক নির্ধারিত নিয়তিতে সে মাসে কোন দুর্ঘটনা হওয়ার থাকলে, কোন ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে বা ক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার করলে তার কি হুকুম?
জাওয়াব:
কোন এক পূর্ণ অঙ্গ অথবা তার চেয়ে অধিক স্থানে সুগন্ধি ব্যবহার করলে দম দেয়া ওয়াজিব হবে। আর যদি কোন এক অঙ্গের চেয়ে কম স্থানে সুগন্ধি ব্যবহার করে তাহলে ছদকা দেয়া ওয়াজিব হবে।
আর যদি কেউ কোন ওজরে অথবা বিশেষ কারণে সুগন্ধি লাগায় বা ব্যবহার করে অথবা মাথা কামায় অথবা সেলাই করা কাপড় পরে তাহলে তাকে নিম্নের তিনটি হুকুমের যে কোন একটি হুকুম অবশ্যই পালন করতে হবে।
(১) ইচ্ছা করলে সে একটি ছাগল কুরবানী করতে পারে।
(২) অথবা ছয়জন মিসকীনকে ‘তিন ছা’ (১০ সের ১১ ছটাক) খাদ্য বন্টন করে দিবে।
(৩) অ বাকি অংশ পড়ুন...
পর্দা ফরয করার জন্য প্রথম যে আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন তা সূরা আহযাব শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَانِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَعْرُوفًا. وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَآتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا. وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَالْحِكْمَةِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ لَطِيفًا خَبِيرًا
এই আয় বাকি অংশ পড়ুন...
(৮) হযরত আবুল হাসান বুসঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন গোসল করছিলেন। হঠাৎ উনার মনে খেয়াল হলো যে, উনার একটি জামা একজন দরবেশকে দেয়া উচিত। তিনি তখনই উনার খাদেমকে ডাকলেন এবং বললেন যে, এ জামাটি যেন অমুক দরবেশকে এই মুহূর্তে দিয়ে আসা হয়। খাদেম বিনয় সহকারে বললেন, “হুযূর! এত তাড়া কিসের? আপনি গোসল সেরে আসুন। তারপর ধীরে সুস্থে দিয়ে আসি। ” হযরত আবুল হাসান বুসঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “না, তা হবে না। তুমি এখন এই মুহূর্তে কাজটি সেরে আসো। কেননা আমার ভয় হয় যে, আমি গোসল সেরে আসতে আসতে অভিশপ্ত শয়তান আমাকে ধোঁকায় ফেলে দিয়ে আমার এ খেয়াল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে হযরত খাজা গরীব নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি চিশতীয়া খান্দানের পরবর্তী শাহানশাহ মনোনীত করে গদীনশীন করা:
এখন আমি আপনার নিকট এ সম্মানিত আমানত সোপর্দ করলাম। এর হক্ব যেভাবে আমি ও আমার পূর্ববর্তী তরীকার বুযূর্গগণ আদায় করে এসেছেন, আপনিও তদ্রƒপ আপনার পরবর্তী বুযূর্গ উনাদেরকে এ সম্মানিত আমানত হস্তান্তর করে এর হক্ব যথাযথভাবে আদায় করতে বলবেন। যাতে হাশরের ময়দানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে আমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
আমি উনা বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখ করেন-
فَطَوَّعَتْ لَهُ نَفْسُهُ قَتْلَ أَخِيهِ فَقَتَلَهُ فَأَصْبَحَ مِنَ الْخَاسِرِينَ
“কাবিলের নফ্স্ কাবিলকে উত্তেজিত করেছে, ওয়াস্ওয়াসা দিয়েছে, কু-মন্ত্রণা দিয়েছে”- قَتْلَ أَخِيهِ
“তার ভাই হাবিলকে হত্যা করার জন্য। ”
فَقَتَلَهُ فَأَصْبَحَ مِنَ الْخَاسِرِينَ
“কাবিল হাবিলকে হত্যা করলো এবং সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো। ”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দেখ, কাবিল হাবিলকে হত্যা করলো। মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে সবচাইতে প্রথম যে হত্যা সংঘটিত হলো তা হলো কাবিলের দ বাকি অংশ পড়ুন...
লাত মূর্তি ধ্বংস করার নির্দেশ মুবারক
১ম দলীল
তায়েফের সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হওয়ার পর সাক্বীফ গোত্রের লোকজন যখন মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তার মধ্যে একটি ছিল এই যে,
اَنْ يَّدَعَ لَـهُمُ الطَّاغِيَةَ وَهِىَ اللَّاتُ لَا يَـهْدِمُهَا ثَلَاثَ سِنِـيْـنَ فَاَبٰـى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَـيْهِمْ فَمَا بَرِحُوْا يَسْاَلُوْنَهٗ سَنَةً سَنَةً وَيَـأْبٰـى عَلَيْهِمْ حَتّٰـى سَاَلُوْهُ شَهْرًا وَاحِدًا بَـعْدَ قُدُوْمِهِمْ فَاَبٰـى عَلَـيْهِمْ اَنْ يَّدَعَهَا شَ বাকি অংশ পড়ুন...
(৬) হযরত আহমদ খাযরাবিয়্যাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, দীর্ঘকাল যাবৎ আমি আমার নফসের উপর কঠোর ব্যবহার করে আসছি। একবার একদল মুজাহিদ জিহাদে যাচ্ছিলেন। আমিও জিহাদে যাবার ইচ্ছা পোষণ করলাম। সঙ্গে সঙ্গে নফস আমাকে সে সমস্ত হাদীছ শরীফ স্মরণ করে দিলো, যা জিহাদের ছওয়াব সম্বন্ধে এসেছে। তৎক্ষণাৎ আমি মনে মনে ভাবলাম, ইবাদতের উদ্দীপনা তো কোন সময় নফসের তরফ থেকে আসে না। এটা নিশ্চয়ই নফসের ধোঁকা। কেননা আমি নফসকে সর্বদা রোযার উপর রাখি। অনবরত অনাহারে থাকার কারণে আমার পক্ষে এ সফরে যাবার ক্ষমতা ছিলো না। নফস এখন সফরে যাবার জন্য প্রেরণা দিচ্ বাকি অংশ পড়ুন...












