পবিত্র হাদীছ শরীফ নং (৫)
حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا حسن ثنا بن لهيعة ثنا حيي بن عبد الله عن أبي عبد الرحمن الحبلي عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رضى الله تعالى عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَطَّلِعُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى خَلْقِهِ لَيْلَةَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِعِبَادِهِ إِلاَّ لاِثْنَيْنِ مُشَاحِنٍ وَقَاتِلِ نَفْسٍ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মধ্য শা’বানের রাতে অর্থাৎ শবে বরাতে উনার সৃষ্টির প্রতি আ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা:
কুতুবুদ্দীন আইবেক ছিলেন দিল্লীর মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা। প্রথম সুলতান।
এই মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। ইতোপূর্বের আলোচনার দ্বারা বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট হয়েছে। কুতুবুদ্দীন আইবেক তিনি সুলতান শিহাবুদ্দীন মুহম্মদ ঘোরীর প্রতিনিধি ছিলেন। প্রতিনিধিত্ব লাভের পর প্রথমে তিনি আজমীর শরীফের জন্য সাইয়্যিদ হাসান মাশহুদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকালে পবিত্র তাওয়াল্লুদ শরীফ পাঠ শেষে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করা হয়। উক্ত ক্বিয়াম শরীফ আম ফতওয়া হিসেবে সুন্নত-মুস্তাহাব বলা হয়। কিন্তু খাছ ফতওয়া হিসেবে ফরয হচ্ছে। কেননা উক্ত ক্বিয়াম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে করা হয় আর উনার তা’যীম বা সম্মান প্রদর্শন সব সময়ের জন্য উম্মতের প্রতি ফরয।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ নং (৪)
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْخُزَاعِيُّ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ أَبُو بَكْرٍ ، قَالاَ : حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت عَائِشَةَ عليها السلام قَالَتْ فَقَدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَخَرَجْتُ أَطْلُبُهُ فَإِذَا هُوَ بِالْبَقِيعِ , رَافِعٌ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ , فَقَالَ : يَا حضرت عَائِشَةُ عليها السلام أَكُنْتِ تَخَافِينَ أَنْ يَحِيفَ اللَّهُ عَلَيْكِ وَرَسُولُهُ ؟ قَالَتْ ، قَدْ قُلْتُ : وَمَا بِي ذَلِكَ وَلَكِنِّي ظَنَنْتُ أَنَّكَ أَتَيْتَ بَعْضَ نِسَائِكَ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَنْزِلُ لَيْلَةَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ إِلَى الس বাকি অংশ পড়ুন...












