মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ভেঙ্গে ফেলা সুন্নত
দলীল
এ প্রসঙ্গে নব্যমূর্তিপূজারী ও মুশরিক ওলামায়ে সূ’দের ব্যাপারেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন, বিশিষ্ট তাবেয়ী ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত ত্বরীক্বত হযরত ইমাম ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
مِنَ السُّنَّةِ اَنْ تُـهْدَمَ الْكَـنَائِسُ اَلَّتِـىْ فِـى الْاَمْصَارِ الْقَدِيْـمَةِ وَالْـحَدِيْـثَةِ
“নতুন শহরসমূহে এবং পুরাতন শহরসমূহে যে সমস্ত গির্জা, মন্দির, প্যাগোডা রয়েছে, সেগুলি ভেঙ্গে ফেলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। ” সুবহানাল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
সউদি আরব যেভাবে যিলক্বদ মাস গণনা করছে তাতে এটা সহজেই বোঝা যাচ্ছে, আগামী ২৭শে মে, মঙ্গলবার হবে তাদের ২৯শে যিলক্বদ অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের চাদ তালাশের দিন। আর তাদের উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডারে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের শুরু আগাম দেখানো আছে ২৮ মে, বুধবার থেকে।
এটা সকলেরই জানা, হিজরী সনের প্রতিটি মাস শুরু হতে হবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে। চাঁদ দেখা গেলে মাসটি ২৯ দিনে গুনতে হবে আর দেখা না গেলে মাসটি ৩০ দিনে পূর্ণ করতে হবে। এটি সম্মানিত হাদীছ শরীফ দ্বারা সমর্থিত এবং সকল মাযহাবে মাস শুরুর ক্ষেত্রেই এই ফতওয়াই প্রদান করা হয়েছে।
বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
হুয়াঈ ইবনে আখতাব কর্তৃক ইহুদী কা’ব ইবনে আসাদকে প্ররোচনা:
অবশেষে ইহুদী কা’ব নত হয়ে গেলো। হুয়াঈ তাকে এই শর্তে রাজি করতে সক্ষম হলো যে, কুরাইশ ও গাতফানরা যদি মুসলমানদের কিছু করতে না পারে, ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায় তবে হুয়াঈ কা’বের দুর্গে প্রবেশ করবে এবং তার সাথে একই ভাগ্য বরণ করে নিবে। নাউযুবিল্লাহ! এভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে ইহুদী কা’ব ইবনে আসাদ এর সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেলো। (সীরাতে ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি)
কা’ব ইব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে দুইজনের ফতওয়ার সাথে বিপরীত বা পরস্পর বিরোধী হলে, তাদের দুই জনের বাহ্যিক আমলকে যাঁচাই করা ও তল্লাশী করা ফরয। তা হলো-
১। প্রথমেই তাদের দুই জনের, কে ফাসিক ও কে মুত্তাক্বী এটা বের করতে হবে। কেননা ফাসিকের ফতওয়া মান্য করা হারাম, আর মুত্তাক্বী বা পরহেযগার উনার ফতওয়া গ্রহণ করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ان الله لا يهدى القوم الفاسقين ـ
অর্থাৎ নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ফাসিক সম্প্রদায়কে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। (পবিত্র সূরাতুল মুনাফিকূন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)
যে বা যারা ফরজ, ওয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
মেছালস্বরূপ বলা হয়, হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেছেন। উনাদের ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন-
اِتَّبِعُوا مَنْ لَا يَسْأَلُكُمْ أَجْرًا وَهُمْ مُهْتَدُونَ
“তোমরা এমন ব্যক্তিদেরকে অনুসরণ করো, যারা কোন বিনিময় গ্রহণ করেন না; وَهُمْ مُهْتَدُونَ অথচ উনারা হিদায়েতপ্রাপ্ত।”
এটা নবীদের জন্য খাছ। সমস্ত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা বিনা বিনিময়ে, কোন কিছু গ্রহণ না করে, উনারা মানুষকে হিদায়েতের কথা বলেছেন। হিদায়েতের বাণী পৌঁছিয়েছেন, কোন বিনিময় গ্রহণ করেননি। এটা হচ্ছে নবীদের জন্য খাছ।
এখন সেই আয়াত শরীফের উপর যদি কেউ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত তাবেঈনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও মূর্তি ধ্বংস করেছেন
দলীল
এ ছাড়াও উমাইয়া শাসক ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের শাসনকালে মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত কুতাইবা ইবনে মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি জিহাদ ও সন্ধির মাধ্যমে মুশরিকদের নিকট থেকে সমরকন্দ বিজয় করেন। উক্ত শহরে একটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক এবং মিম্বার তৈরির পর তিনি শহরে প্রবেশ করেন।
فَصَلّٰى فِـى الْمَسْجِدِ وَخَطَبَ وَتَـغَدّٰى وَاُتِـىَ بِالْاَصْنَامِ الَّتِـىْ لَـهُمْ فَسُلِـبَتْ بَـيْـنَ يَدَيْهِ وَاُلْقِيَتْ بَـعْضُهَا فَـوْقَ بَـعْضٍ حَتّٰـى صَارَتْ كَالْقَص বাকি অংশ পড়ুন...
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلٰى تِجَارَةٍ تُنْجِيْكُم مِّنْ عَذَابٍ أَلِيْمٍ . تُؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَرَسُوْلِهٖ وَتُجَاهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ ۚ ذٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِنْ كُنتُمْ تَعْلَمُوْنَ.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন একটা ব্যবসার কথা বলে দেবো, যা তোমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি দিবে? তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উপর পবিত্র ঈমান আনবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় মাল ও জান দিয়ে জিহাদ করবে। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বাকি অংশ পড়ুন...
কাফিল পাদ্রীর ভয়াবহ পরিণতি:
অতঃপর আনুষ্ঠানিকভাবে রিসালাত মুবারক প্রকাশের পর একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য গুঁই সাপ রূপী কাফিল পাদ্রী আবূ কুবায়েছ পাহাড় থেকে নেমে কাট্টা কাফির আবূ জাহিলের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে হঠাৎ আবূ জাহিল ঘর থেকে বের হয়ে দেখলো একটি বড় গুঁই সাপ। সে একটি লাঠি নিয়ে গুঁই সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেললো।
অতঃপর বাকি অংশ পড়ুন...
আর দ্বিতীয় বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরত মুবারক করার পর পবিত্র মদীনা শরীফে তাশরীফ মুবারক আনলেন, তখন প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অবস্থানস্থল ঠিক করে নিলেন। সে সময় দূর-দূরান্ত থেকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আসতে লাগলেন।
পরিচিত-অপরিচিত, স্থানীয়-অস্থানীয় সকলেই এসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক বা সাক্ষাত লাভ কর বাকি অংশ পড়ুন...












