২০১৫ তে অ্যামেরিকায় ‘সমকামী বিয়ে’ বৈধ হয়ে যাবার পর থেকে পশ্চিমা দাতারা ক্রমেই ট্র্যান্সজেন্ডার সংক্রান্ত কর্মকান্ডে ফান্ড দিতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দাতারা যৌন শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বিকৃতির স্বাভাবিকীকরণে অর্থায়নও শুরু করে। তাই দেশীয় এনজিও-গুলোও ঝুকতে শুরু করে এদিকে।
ট্র্যান্সজেন্ডার নিয়ে কাজ করার আরও একটি সুবিধা ছিল। উপমহাদেশে দীর্ঘদিন ধরে হিজড়া নামক সম্প্রদায়ের উপস্থিতি আছে। সমাজে তাদের একধরনের পরিচিতি ও স্বীকৃতি আছে, আছে তাদের প্রতি সহানুভূতিও। ফলে হিজড়া আর ট্র্যান্সজেন্ডার শব্দদুট বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৪ সালের পর থেকে বাংলাদেশে ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের প্রসারে ব্যাপক কার্যক্রম হয়েছে। বাংলাদেশের এলজিবিটি আন্দোলন বর্তমানে তাদের পুরো শক্তি একত্রিত করেছে ট্র্যান্সজেন্ডার মতবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে ট্র্যান্সজেন্ডার মতবাদের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়েছে, মিডিয়াতে ট্র্যান্সজেন্ডারদের তুলে ধরা হচ্ছে ইতিবাচকভাবে, প্রশাসনিকভাবে তাদের একধরণের অনানুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার আলামত পাওয়া যাচ্ছে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ট্র্যান্সজেন্ডারবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
ট্র্যা বাকি অংশ পড়ুন...
মুমূর্ষু রোগীর জন্য জীবন বাঁচানো রক্ত নিয়ে চলছে অন্যরকম এক বাণিজ্য। জরুরি সময়ে প্রয়োজনীয়, নিরাপদ রক্তের পরিবর্তে মিলছে পেশাদার রক্ত দাতার অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ রক্ত। শুধু তাই নয়, বেশি মুনাফার আশায় ব্লাড ব্যাংকগুলোর সংগৃহীত রক্তে মেশানো হচ্ছে স্যালাইন, লবণ ও পানি। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ আদালত ধানমন্ডির শংকর প্লাজা এলাকার সিটি ব্লাড ব্যাংক, লেক সার্কাস কলাবাগানের ক্রস ম্যাচ ব্লাড ব্যাংক, মোহাম্মদপুর রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের যে বড় বড় ক্রাইম গুলো হয় তাদের মধ্যে অধিকাংশ ক্রাইম এর আলাপ আলোচনাগুলো ডার্ক ওয়েব এর মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে। যার কারণে এই ধরনের ডার্কওয়েবে থাকা বিষয়গুলো সম্পর্কে তারা ছাড়া আর অন্য কোন মানুষ জানতে পারেনা।
যেমন কেউ বাংলাদেশে বসে আছে এবং বাংলাদেশ থেকে অন্য কোন দেশের মানুষের সাথে বড় একটা ক্রাইম করার জন্য আলোচনা করলো;
সে ক্ষেত্রে কিন্তু তাদের আলোচিত আলোচনা গুলো ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। কেননা সেই ডার্ক ওয়েব এর মধ্যে তাদের ওয়েবসাইট এমনভাবে লুকায়িত থাকে যাতে করে এই ওয়েবসাইটে তারা ছাড়া আর কেউ এক্সেস নিতে পারবে না।
এই স বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গেল ১০ বছরে যে ২ লাখ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতপশিল করেছে। এর বেশিরভাগই হয়েছে বিশেষ সুবিধা নিয়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে শিথিল শর্তে পুনঃতপশিল হয় ২০১৯ সালে। আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৮ সালে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর ঘোষণা দেন, খেলাপি ঋণ এক টাকাও বাড়বে না। এর পর বাংলাদেশ ব্যাংক মাত্র ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট, সুদ মওকুফ সুবিধা, এক বছর পর কিস্তি পরিশোধ শুরু বা গ্রেস পিরিয়ড দিয়ে ১০ বছরের জন্য পুনঃতপশিলের সুযোগ দেয়। ওই বছর পুনঃতপশিল হয় রেকর্ড ৫২ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা।
আদায়ে কঠোর না হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত ২ বছরে মুসলমানদের সন্ত্রাসী, দেশবিরোধী ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সিনেমা তৈরির ধুম পড়েছে। এসব সিনেমা আবার মুসলিম দেশগুলোতে প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং সেখানে ব্যাপক আয় করছে সিনেমাগুলো। মাঝে মধ্যে মুসলিমবিদ্বেষ থাকার কারণে কিছু সিনেমা নিষিদ্ধ হলেও সিংহভাগ সিনেমাই মুসলিম দেশগুলোর সিনেমা হলে প্রচার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সময়কে আমি পর্যায়ক্রমে মানুষের মাঝে পরিবর্তন করি।” সময় বহতা নদীর মতো। সাধারণ মানুষ সময় দ্বারা প্রভাবিত হয়।
সময়ের প্রবাহে পুষ্ট অধিকাংশের বিশ্বাস এরূপ যে, ‘চলমান পরিস্থিতিতে প্রচলিত অনৈসলামিক আচারও অনৈসলামিক থাকে না। তাদের ধারণা- খেলাধুলা, গান-বাজনা, সুদ, ঘুষ, টিভি, সিনেমা, বেপর্দা, বেহায়া এগুলো বর্তমান সময়ের দাবি। যা সময়ের প্রেক্ষিতে জায়িয ও সহনীয়।’ নাউযুবিল্লাহ!
আওয়ামুন নাসের ভিতরে এসব বিশ্বাস শক্ত করে এঁটে বসার কারণে তাদের সে অনুভূতির বিপরীতে চালিত হতে ভ বাকি অংশ পড়ুন...
বাসায় নি’ষিদ্ধ মা’দক মারিজু’য়ানা রাখার অ’ভিযোগে নাইজেরিয়ান বন্ধুসহ আ’টক হয়েছিলো বাংলাদেশি কূটনীতিক কাজী আনারকলি।
নিজ বাসভবনে নাইজিরিয়ান এক নাগরিকের সঙ্গে মাদকসহ আটক হয় কাজী আনারকলি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সেই নাইজিরিয়ান নাগরিকের সঙ্গে লিভ টুগেদারে ছিলে সে। আগের কর্মস্থল যুক্তরাষ্ট্রের লস এ্যাঞ্জেলেস থেকেই এই নাইজিরিয়ানকে নিজের সঙ্গে রাখেন বাংলাদেশী এই নারী কূটনীতিক।
বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে লিভ টুগেদার চলে এলেও বর্তমান সময়ে তাদের একটি গ্রুপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়। এক হাজারের বেশি সদস্য রয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি মাসে ‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ’ উনার পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহেই মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে ‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ’
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরয।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “এ উম্মতের শেষ সম্প্রদায় প্রথম যুগের মতো”। অর্থাৎ হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে অনন্য ব্যক্তিত্ব, মহামহিম, সাইয়্যিদুনা বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। দেশজুড়ে বইছে হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়া ও পানিবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কমে আসছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা দ্রুত নেমে আসায় শীতের ছোবলে জনজীবনে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীত আর অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে থমকে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা। দিনে কুয়াশার চাদরে ঢাকা সূর্য, রাতে হালকা বৃষ্টির মতো কুয়াশাপাত ও শৈত্যপ্রবাহে মানুষ, পশুপাখি ও অন্যান্য প্রাণিকুল জড়সড় হয়ে গেছে। সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা পাওয়া ভার। দিনভর আকাশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকায় সকাল-সন্ধ্যার পার্থক্য নির্ণয় ক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বলে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ কেটে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বন, পরিবেশ ও পানিবায়ু পরিবর্তন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, নানা আকর্ষণ থেকে মানুষ আগে আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাসের মত ‘পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর’ গাছগুলো লাগিয়েছে। তবে মানুষ এখন সচেতন। বিগত কয়েক বছরে মনে হয় না কেউ এসব গাছ লাগিয়েছেন। যে গাছগুলো আছে তা কেটে ফেলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়েছে।
উল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
‘দেশের মানুষ বাড়ছে কিন্তু জমি বাড়ছে না’- এ প্রচারণা দীর্ঘদিনের এবং অদূর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর পরিণতির পরিণাম ব্যক্ত করে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়া বিভ্রান্তিমূলক জনসংখ্যা সঙ্কোচন নীতি প্রণয়ন করে। ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট’- এই ভুল ও কুফরীমুলক তত্ত্ব প্রচার করে। পরবর্তী সরকারগুলো সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। এমনকি এরশাদ এ নীতিতে অগ্রগামী হওয়ায় জাতিসংঘ পুরস্কারও লাভ করে। হালে এ প্রচারণার পালে আরো বাতাস লেগেছে। তারা সেøাগান দিচ্ছে- ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়’। আর এসব প্রপাগান্ডার একটাই ভিত্তি- ‘দেশের মানুষ বাকি অংশ পড়ুন...












