চরম নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমার আক্রমণ যে বিশ্ব দেখতে পায় না- “সে বিশ্ব মহা অন্ধ”।
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ, ইতিহাসের নিকৃষ্ট গণহত্যা মানবতার হত্যার পরও-
বিশেষ করে ফুলের মত প্রস্ফুটিত নিষ্পাপ শিশুদের পৈশাচিকভাবে শহীদ করার পরও যে বিশ্ব নিশ্চুপ থাকে সে বিশ্ব মহা বোবা শয়তান। (নাউযুবিল্লাহ)
(৩য় পর্ব)
বিশ্বকে গাজার শিশুর প্রশ্ন: তোমরা কেন নীরব?
১ জুন ২০২৫, আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজায় একটি গণহত্যা চলছে, যেখানে ফিলিস্তিনি শিশুরা নৃশংসতার শিকার ও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দুর্দশাগ্রস্ত।
প্রতিটি শিশু বহন করে এমন একটি করুণ গল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছরের মতো এ বছরও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশে কুরবানীযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা নিরূপণ করেছে। এ বছর কুরবানীযোগ্য সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি গবাদি পশুর প্রাপ্যতা আশা করা যাচ্ছে। এবার হৃষ্টপুষ্টকৃত গবাদি পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ, ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি ছাগল-ভেড়া এবং ৫ হাজার ৫১২টি অন্যান্য প্রজাতি রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি গবাদি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। তবে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন প্রকৃত সংখ্যা সরকারী হিসেবের চেয়ে অনেক বেশী।
বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে বেসরকারি খাতের ওপর। দেশের অর্থনীতির ৯৪ শতাংশ অবদান বেসরকারি খাতের। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কারণেই দেশের অর্থনীতিতে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এ সরকার গত ১০ মাসে যেন বেসরকারি খাতকে ধ্বংস করতেই বেশি আগ্রহী। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরু হয় মব ভায়োলেন্স। একের পর এক বিভিন্ন শিল্পকারখানায় আগুন লাগানো হয়। সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা করে, শিল্পপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মালিকরা কারখানা বন্ধ করে দেন। অনেক বাকি অংশ পড়ুন...
অধুনা পুলিশী রাষ্ট্রের পরিবর্তে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণার প্রবর্তন হয়েছে। কিছুটা অনুশীলন হচ্ছেও বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু কল্যাণমূলক ধারণার প্রকৃত ব্যাপ্তি নির্দেশিত হয়েছে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হে মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের দুনিয়াবী কল্যাণ দান করুন এবং পরকালীন কল্যাণ দান করুন। ”
মূলত, পরকালীন কল্যাণের চেতনা সম্পৃক্ত না থাকলে কোনোদিন কোনোকিছুতেই দুনিয়াবী কল্যাণ সাধিত হয় না; হতে পারে না।
অপরদিকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের প্রধান অবদান হচ্ছে তথ্য অবগতি। অধুনা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রগুলো ‘তথ্য বাকি অংশ পড়ুন...
চামড়া শিল্প ধ্বংসের দ্বারা মূলত এদেশের হাফেজী মাদরাসা, এতিমখানা তথা মাদরাসা শিক্ষাকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়েছে।
সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ইসলাম বিদ্বেষী মহলটি কুরবানীর চামড়ার দাম যথাযথভাবে বাড়ায়নি
কুরবানীর গরুর চামড়ার দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইউনুস ফ্যাসিস্ট সরকারের পথেই হাঁটছে।
২০১৪ সাল থেকে প্রতিবছরই বাংলাদেশে চামড়ার সরকার নির্ধারিত মূল্য কমানো হয়েছে। চামড়ার দাম প্রতিবছর কমতে থাকায় এরই মধ্যে বহু মাদরাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গরিবের হক মেরে চামড়া সিন্ডিকেটকে লাভবান করতে সরকারের একটি গোষ্ঠী চামড়ার মূল্য নির্ধারণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
সরকার কুরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সঙ্কট নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে। পবিত্র কুরবানির সময় পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে সারাদেশে ৬০০ গুদাম নির্মাণ করা হবে। সরকারি-বেসরকারী অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণ হবে এই গুদাম। মৌসুমি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কুরবানির দিন তাৎক্ষণিক বিক্রি না করে আহরিত কাঁচা চামড়া ভাল দাম পেতে গুদামে তিনমাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন। গুদামে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করে তিন মাস ধরে তা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হবে। এর পরও ভাল দাম না পেলে এইসব লবণ দেয়া চামড়া বিদেশে রফতানির সুযোগ দেবে সরকার বাকি অংশ পড়ুন...
গো-খাদ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দিশেহারা সারাদেশের পশু খামারিরা। ভূষি, ক্যাটল বুস্টার, গম ইত্যাদির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় গরুকে খাদ্যের চাহিদার তুলনায় কম খাওয়ানো হচ্ছে। এতে দুধ উৎপাদন ও পশুর মোটাতাজাকরণে প্রভাব পড়েছে।
একসময় গরুর দুধ বিক্রির টাকা দিয়ে সংসারের খরচ চালিয়ে কিছু টাকা সঞ্চয় করতেন আবুল মিয়া। এক বছর আগেও তার খামারে চারটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি ছিলো। এখন তার খামার শূন্য। কারণ, গো-খাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দুধ বিক্রি করে যা আয় করতেন তা দিয়ে সংসারের খরচ চালাতে তার খুব কষ্ট হতো। গরু পালন ক বাকি অংশ পড়ুন...
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। চলতি মৌসুমে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৩৪ হেক্টর জমিতে ২৭ লাখ টন আমের উৎপাদন হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় আম পাড়া শুরু হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২১ লাখ ৪৩ হাজার টন আম উৎপাদন হয়েছিল। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ৩০৯ টন। ২০১৯-২০ সালে দেশে প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপাদন হলেও রপ্তানি হয়েছে ২৮৩ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে আমের ফলন হয়েছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার ৪৯৯ টন; রপ্তানি হয় ১ হাজার ৭৫৭ টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ২৭ লাখ ৭ হাজার ৪৫৯ ট বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন হিলারীর সখ্যতার বিপরীতে ট্রাম্পকে খুশী করার অতিরিক্ত মাশূল হিসেবেই ট্রাম্পের বন্ধু মাস্কের স্টারলিংক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যবসা করতে পারবে না স্টারলিংক। তারপরেও কেন?
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সমালোচকরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাধীন জুমল্যান্ড, নারিকেল দ্বীপে আমেরিকার ঘাটি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ষড়যন্ত্র সফল করার জন্যই
বাংলাদেশী জনগণের মাঝে ব্যবসা হবে না জেনেও আসছে আমেরিকার ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী স্টারলিংক
বাকি অংশ পড়ুন...
সমন্বয়ক হাসনাতও আমেরিকার তাবেদারীর বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন হিলারীর সখ্যতার বিপরীতে ট্রাম্পকে খুশী করার অতিরিক্ত মাশূল হিসেবেই ট্রাম্পের বন্ধু মাস্কের স্টারলিংক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যবসা করতে পারবে না স্টারলিংক। তারপরেও কেন?
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সমালোচকরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাধীন জুমল্যান্ড, নারিকেল দ্বীপে আমেরিকার ঘাটি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ষড়যন্ত্র সফল করার জন্যই
বাংলাদেশী জ বাকি অংশ পড়ুন...
রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বন্যার প্রভাবে বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাত বিশেষ করে শিল্প, পর্যটন, কৃষি ও সেবা খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন শ্রম অসন্তোষের কারণে দেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে অস্থিরতা চলছে। এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরো বিপাকে পড়বেন ব্যবসায়ীরা।
অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে গত দুই মাসে সিটি গ্রুপ, বিএসআরএম, ইউএস-বাংলাসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গ্রুপের দেড় শতাধিক কোম্পানি তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে জুলাই-সেপ্টেম্বরে ৮৩টি কোম্পানী পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধের যে ধারা, তাতে বিশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের আয়তন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ পদ্মা, মেঘনা ও বদ্বীপ অঞ্চলে বিগত বছরগুলোতে প্রায় ৫০ টিরও বেশি দ্বীপ জেগে উঠেছে। আর এগুলো মিলে হিসাব করলে গোটা শ্রীলঙ্কার চেয়ে বড় ভূখ- পাচ্ছে বাংলাদেশ। যা ইতোমধ্যেই মানুষের বসবাস উপযোগী। এর ফলে এই দিক থেকে বাংলাদেশের আয়তন বেড়ে গিয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আয়তন বেড়ে চলেছে। এর কারণ হল বাংলাদেশ উপকূল অঞ্চলে অনেক বেশি দ্বীপ জেগে উঠেছে এবং সেই কারণেই বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশকে অকাতরে জমি দিচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক। দ্বীপ চর ক বাকি অংশ পড়ুন...












