মসজিদে কুবা উনার অবস্থান ও নামকরণের কারণ:
পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে ৩২০ কিলোমিটার উত্তরে এবং পবিত্র মদিনা শরীফ উনার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত পবিত্র মসজিদ কুবা নামক স্থানে অবস্থিত। পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ হতে দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। কুবা একটি বিখ্যাত কূপের নাম। সময়ের পরিক্রমায় এ কূপকে কেন্দ্র করে যে জনবসতি গড়ে উঠেছে, তাকেও কুবা বলা হতো। এরই সূত্রে সে স্থানের নাম হয় কুবা। আর কুবা নামক স্থানে এই পবিত্র মসজিদটি নির্মাণ হওয়ার কারণে নামকরণ করা হয়েছে মসজিদে কুবা।
ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফতকালে মুসলিম সৈন্যবাহিনী কর্তৃক মিশর জয়ের পর বর্তমান কায়রোর “ওল্ড সিটি” বা প্রাচীন কায়রোকে মিশরের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, এবং বর্তমান কায়রোর ফুসতাত নামক অঞ্চলে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। মুসলিম বিজয়ের স্মারক হিসেবে নির্মিত এই মসজিদ “মসজিদ আল ফাতহ” হিসেবেও মিশরসহ সমগ্র আরব বিশ্বে সমধিক পরিচিত। আর আফ্রিকা মহাদেশের সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে “তাজ আল জামে” নামেও এই মসজিদ স্থানীয়দের মাঝে পরিচিত।
নির্ভরযোগ্য বর্ণনানুযায়ী, ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ই বাকি অংশ পড়ুন...
ফুসতাত মসজিদের প্রাথমিক ইতিহাস:
আলেকজান্দ্রিয়া অবরোধের পর ৬৪১ খৃ: সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ফুসতাত নগরীর গোড়াপত্তন করেন এবং বিশ্ববাসীর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। “আমর ইবনুল আস মসজিদ” বা “ফুসতাত মসজিদ”। তৎকালীন ফুসতাতে নির্মিত প্রথম মসজিদ। যেখানে আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাঁবু স্থাপন করেছিলেন এবং এরপর ফুসতাত শহর গড়ে উঠে। ফুসতাত মসজিদটি ৬৪১ খৃ: হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উবাদাহ ইবনুল ছামিত নামে একজনের সহায়তায় মসজিদটি স্থাপন করেছিলেন, যিনি ছিলেন বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদের অবস্থান মিশরের রাজধানী কায়রোতে। এই ঐতিহাসিক মসজিদটির নির্মাণকাল ৩৫ হিজরীতে। যা আফ্রিকা মহাদেশে নির্মিত প্রথমদিকের মসজিদ। এই ঐতিহাসিক মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি ফুসতাত মসজিদ নামেও পরিচিত।
ফুসতাত (আরবী শব্দ: الفسطاط, al-Fustat)। ফুসতাত বর্তমান মিশরের একটি প্রাচীন নগরী। পবিত্র দ্বীন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ফ বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র ১: মুঘল আমলের নিদর্শন হাজীগঞ্জ দূর্গ তোরণ।
হাজীগঞ্জ দুর্গ মুঘল আমলে নির্মিত একটি পানি দুর্গ। এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি খিজিরপুর দুর্গ নামেও পরিচিত। ঢাকা শহরের প্রতিরক্ষার জন্য সপ্তদশ শতকের আগে-পরে যে তিনটি পানি দুর্গকে নিয়ে ত্রিভুজ পানি দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্ট গড়ে তোলা হয়েছিল তারই একটি হলো এই হাজীগঞ্জ দুর্গ। মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনের অব্যাবহিত পরে নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ নৌদস্যূদের আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশে দ বাকি অংশ পড়ুন...
তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন সবাই। এই গরমে এসিতে থাকতে পারা মানে পরম আরামের ব্যাপার। বাড়িতে এসি আছে মানে এখন বাড়তি সুবিধা। কিংবা অফিসের কাজের চাপও এখন ততটা গায়ে লাগছে না কারণ দীর্ঘ সময় এসিতে থাকা যায়। কিন্তু এই আরামও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যদি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে শরীরে। জানুন-
ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে:
তীব্র গরমের সময় যদি আপনি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন তাহলে তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। কারণ এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অনেক সময় ত্বক ফেটে গিয়ে চু বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ । ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধা বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসাবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদিনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থানঃ
মসজিদটি পবিত্র মদিনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুন বাকি অংশ পড়ুন...
কসর আল খারানা হচ্ছে একটি দূর্গ, অনেকের কাছে কসর আল-খারানা, খারেণে বা হরনেহ নামে এই দূর্গ পরিচিতি লাভ করেছ, এর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত জর্দানের পূর্বের মরুভূমি দূর্গ নামেই। কসর খারানা দুর্গটি আম্মানের ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল) পূর্বে এবং তুলনামূলকভাবে সৌদি সীমানার কাছাকাছি অবস্থিত। কসর আল খারানা দূর্গটি কুসায়ের আমরা দূর্গ থেকে হাইওয়ে রাস্তা বরাবর ৪০ কিলোমিটার সামনে ১৬ কিলোমিটার পশ্চিমে।
এই দুর্গটির প্রথম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে এটি এই অঞ্চলের প্রথম ইসলামী স্থাপত্য। কাসর আল খারানাহ দূর্গটি বিস্তীর্ণ, বৃক্ষবিহীন সমতল মর বাকি অংশ পড়ুন...
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হাতিমন্ডলা গ্রামে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদের সন্ধান মিলেছে।
স্থানীয়রা জানান, এ মসজিদটি যেখানে ছিল, সেখানে ঘন জঙ্গল ছিল।
বর্তমানে এর আশেপাশের জমি কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কবরস্থান সংস্কারের জন্য জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করতে গেলে এলাকাবাসী এই মসজিদের সন্ধান পান। এর মধ্যে মসজিদটি এক নজর দেখতে সেখানে শত শত মানুষ ভিড় করছেন।
এলাকাবাসী জানান, মসজিদের ভেতরে একটি কুরআন শরীফ পাওয়া গেছে।
কুরআন শরীফখানা দেখে স্থানীয় আলেমদের ধারণা, এটি ২০০ বছরের আগে ছাপানো হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সেই পবিত্র কুর বাকি অংশ পড়ুন...












