আমিরুল-মুজাহিদীন বা মুসলিম সেনাবাহিনী প্রধান সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ফুসতাত অঞ্চলের যে স্থানে উনার সেনা ছাউনী স্থাপন করেছিলেন ও মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন, সেটি ছিল আশপাশের তুলনায় একটু উঁচু ভূমি। মিশর জয়ের পর উনাকেই মিশরের গভর্ণর হিসেবে মনোনীত করা হয়। তখন হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এই মসজিদের পাশেই স্বীয় আবাসস্থল নির্মাণ করেন। মূলতঃ এই মসজিদই ছিল উনার প্রধান কার্যালয়। এ মসজিদেরই এক পাশে শায়িত আছেন উনার সুযোগ্য সন্তান হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
আব্দুল আযীয ইবনে মারওয়ানের নেতৃত্বে মসজিদ পুনঃনির্মাণ ও সম্প্রসারণ:
৬৯৬-৯৭ খৃ: আব্দুল আযীয ইবনে মারওয়ান, আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নির্মিত এই মসজিদের পুনঃনির্মাণ ও সম্প্রসারণ করেন। (অধিকাংশ আরবী ঐতিহাসিকগণের মতে আব্দুল-আযীয ইবনে মারওয়ান পুনঃনির্মাণ ও সম্প্রসারণ এই তারিখে কার্যকরী হয়) এই মসজিদের সম্মুখে ‘রাহাব’ নির্মাণ করেছিলেন আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনার সম্প্রসারণের ফলে তা এখন মসজিদের অভ্যন্তরীণ অংশে পরিণত হয়। মসজিদের সম্প্রসারণ পশ্চিম দিকেও (অর্থাৎ দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে) হয়েছিলো, তব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রাচীন বাংলায় অনেক অলীআল্লাহ উনাদের আগমন ঘটেছে। তাদের মধ্যে হযরত বাবা আদম শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি অন্যতম। ১৪৮৩ সালে সুলতান ফাতাহ শাহের আমলে মালিক কফুর শহীদ সুফি হযরত বাবা আদম শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।
বাবা আদম শহীদ জামে মসজিদটি মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার দরগাবাড়ি গ্রামে অবস্থিত। মুন্সীগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। এ মসজিদে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করা হয়। পাশেই রয়েছে উনার পবিত্র মাজার শরীফ। ১৯৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প বাকি অংশ পড়ুন...
বিবি হায়েবাত মসজিদ আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। যে মসজিদের অনেক দূর্লভ ইতিহাস রয়েছে। ১২৯৭ শামসী (১৯৩০ সালে) বিবি হায়েবাত মসজিদটি প্রতিষ্ঠা হয়। ১৩০৩ শামসী সালের (১৯৩৬ সালে) দিকে কুখ্যাত শাসক স্টালিন মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে ১৩৫৭ শামসী (১৯৯০ সালে) তে পুনঃনির্মান করা হয়েছে।
বাকুর বিবি-হায়েবাত মসজিদের প্রধান আকর্ষণ হলো হযরত উকেমা খানম আলাইহাস সালাম উনার মাজার শরীফ। যিনি ছিলেন আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি ছিলেন আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ষষ্ঠ ই বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে কুবা উনার অবস্থান ও নামকরণের কারণ:
পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে ৩২০ কিলোমিটার উত্তরে এবং পবিত্র মদিনা শরীফ উনার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত পবিত্র মসজিদ কুবা নামক স্থানে অবস্থিত। পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ হতে দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। কুবা একটি বিখ্যাত কূপের নাম। সময়ের পরিক্রমায় এ কূপকে কেন্দ্র করে যে জনবসতি গড়ে উঠেছে, তাকেও কুবা বলা হতো। এরই সূত্রে সে স্থানের নাম হয় কুবা। আর কুবা নামক স্থানে এই পবিত্র মসজিদটি নির্মাণ হওয়ার কারণে নামকরণ করা হয়েছে মসজিদে কুবা।
ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফতকালে মুসলিম সৈন্যবাহিনী কর্তৃক মিশর জয়ের পর বর্তমান কায়রোর “ওল্ড সিটি” বা প্রাচীন কায়রোকে মিশরের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, এবং বর্তমান কায়রোর ফুসতাত নামক অঞ্চলে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। মুসলিম বিজয়ের স্মারক হিসেবে নির্মিত এই মসজিদ “মসজিদ আল ফাতহ” হিসেবেও মিশরসহ সমগ্র আরব বিশ্বে সমধিক পরিচিত। আর আফ্রিকা মহাদেশের সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে “তাজ আল জামে” নামেও এই মসজিদ স্থানীয়দের মাঝে পরিচিত।
নির্ভরযোগ্য বর্ণনানুযায়ী, ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ই বাকি অংশ পড়ুন...
ফুসতাত মসজিদের প্রাথমিক ইতিহাস:
আলেকজান্দ্রিয়া অবরোধের পর ৬৪১ খৃ: সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ফুসতাত নগরীর গোড়াপত্তন করেন এবং বিশ্ববাসীর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। “আমর ইবনুল আস মসজিদ” বা “ফুসতাত মসজিদ”। তৎকালীন ফুসতাতে নির্মিত প্রথম মসজিদ। যেখানে আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাঁবু স্থাপন করেছিলেন এবং এরপর ফুসতাত শহর গড়ে উঠে। ফুসতাত মসজিদটি ৬৪১ খৃ: হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উবাদাহ ইবনুল ছামিত নামে একজনের সহায়তায় মসজিদটি স্থাপন করেছিলেন, যিনি ছিলেন বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদের অবস্থান মিশরের রাজধানী কায়রোতে। এই ঐতিহাসিক মসজিদটির নির্মাণকাল ৩৫ হিজরীতে। যা আফ্রিকা মহাদেশে নির্মিত প্রথমদিকের মসজিদ। এই ঐতিহাসিক মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি ফুসতাত মসজিদ নামেও পরিচিত।
ফুসতাত (আরবী শব্দ: الفسطاط, al-Fustat)। ফুসতাত বর্তমান মিশরের একটি প্রাচীন নগরী। পবিত্র দ্বীন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ফ বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র ১: মুঘল আমলের নিদর্শন হাজীগঞ্জ দূর্গ তোরণ।
হাজীগঞ্জ দুর্গ মুঘল আমলে নির্মিত একটি পানি দুর্গ। এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি খিজিরপুর দুর্গ নামেও পরিচিত। ঢাকা শহরের প্রতিরক্ষার জন্য সপ্তদশ শতকের আগে-পরে যে তিনটি পানি দুর্গকে নিয়ে ত্রিভুজ পানি দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্ট গড়ে তোলা হয়েছিল তারই একটি হলো এই হাজীগঞ্জ দুর্গ। মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনের অব্যাবহিত পরে নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ নৌদস্যূদের আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশে দ বাকি অংশ পড়ুন...
তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন সবাই। এই গরমে এসিতে থাকতে পারা মানে পরম আরামের ব্যাপার। বাড়িতে এসি আছে মানে এখন বাড়তি সুবিধা। কিংবা অফিসের কাজের চাপও এখন ততটা গায়ে লাগছে না কারণ দীর্ঘ সময় এসিতে থাকা যায়। কিন্তু এই আরামও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যদি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে শরীরে। জানুন-
ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে:
তীব্র গরমের সময় যদি আপনি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন তাহলে তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। কারণ এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অনেক সময় ত্বক ফেটে গিয়ে চু বাকি অংশ পড়ুন...












